<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet href="/vendor/feed/atom.xsl" type="text/xsl"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="en-US">
                        <id>https://biratbazar.com/blog/feed</id>
                                <link href="https://biratbazar.com/blog/feed" rel="self"></link>
                                <title><![CDATA[All Blog Posts]]></title>
                    
                                <subtitle></subtitle>
                                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 04:10:39 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মামলা করার নিয়ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/mamla-korar-niyom" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-korar-niyom</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের মানুষ প্রত্যেক দিন কোথাও না কোথাও দুস্কৃতিকারীদের দ্বারা আক্রান্ত হয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে থাকেন। দুস্কৃতিকারীরা বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে সহজ সরল মানুষদের টার্গেট করে তাদেরকে অপরাধের স্বীকার বানায়। সহজ সরল ও  নিরীহ মানুষজন অপরাধীর দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হওয়ার পর কোথায় গেলে সুবিচার পাবেন এবং কিভাবে অপরাধীদের শাস্তি দিবেন এই নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকেন। আজকে এই বিষয়ে কিছু আলোচনা করা হবে।কোথাও কোন অপরাধ সংঘটিত হলে থানায় অথবা কোর্টে মামলা করা যায়। থানায় মামলা করলে তাকে বলা হয় জিআর মামলা এবং কোর্টে মামলা করলে তাকে বলা হয় সিআর মামলা। কোন অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর দ্রুত প্রতিকার পেতে চাইলে থানায় মামলা করা ভাল। থানায় মামলা করতে হলে অপরাধ সংঘটনের তারিখ ও সময়, অপরাধের স্থল, অপরাধীর নাম, ঠিকানা ও বয়স, ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা, প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীর নাম-ঠিকানা এবং অভিযোগকারীর নাম-ঠিকানা উল্লেখ পূর্বক সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। থানা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 17:27:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থানায় জিডি করার নিয়ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/thanay-gd-korar-niyom" />
            <id>https://biratbazar.com/thanay-gd-korar-niyom</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[থানায় জিডি করার পূর্বে জানতে হবে১। জিডি কি ?২। কিভাবে জিডি করতে হবে ?৩। কোন কোন বিষয়ে জিডি করা যাবে ?জিডি কি ?জিডি হলো জেনারেল ডায়রী বা সাধারন ডায়রী। ইহা থানার একটি গুরুত্বপূর্ণ রেজিস্টার। থানায় প্রত্যেক দিন যেসব কার্যক্রম গ্রহণ করে সেসব বিষয়ে জিডিতে নোট করা হয়। যেমন কোন আসামীকে থানায় আনা হলে কিংবা থানা হতে আদালতে প্রেরণ করা হলে। জনসাধারণ থানায় কোন অভিযোগ দায়ের করলে। কোন পুলিশ অফিসার ও ফোর্স থানায় যোগদান করলে কিংবা বদলী সূত্রে অন্যত্র চলে গেলে ইত্যাদি। দেশের প্রত্যেক থানায় এই রেজিস্টার রক্ষণা-বেক্ষণ করা হয়।কিভাবে জিডি করতে হবে ?থানার অফিসার ইনচার্জ এর নির্দেশক্রমে একজন এসআই অথবা একজন এএসআই পদ মর্যাদার কর্মচারী ২৪ ঘন্টার জন্য ডিউটিরত থেকে এই রেজিস্টারের কার্যক্রম পরিচালনা করেন। তাকে ডিউটি অফিসার বলে। জিডি করার জন্য সংশ্লিষ্ট থানার অফিসার ইনচার্জ বরাবর লিখিত আবেদন করতে হবে। আবেদনে ঘটনার তারিখ ও সময়, ঘটনাস্থলের নাম, ঘটনার বিস্তার...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 17:47:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ধর্ষণ মামলা করার নিয়ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/dhorshon-mamla-korar-niyom" />
            <id>https://biratbazar.com/dhorshon-mamla-korar-niyom</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ধর্ষণ মামলা করার পূর্বে জানতে হবে ধর্ষণ কাকে বলে?যদি কোন পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ১৬ (ষোল) বছরের অধিক বয়সের কোন নারীর সহিত তার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে অথবা ১৬ (ষোল) বছরের কম বয়সের কোন নারীর সহিত তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করে তাহলে উক্ত পুরুষ ধর্ষণ করেছে মর্মে গণ্য হবে।ধর্ষণ মামলা করার নিয়ম :ধর্ষণ মামলা করার ক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে ধর্ষণের আলামত যেন নষ্ট না হয়। ধর্ষণের ঘটনা সংঘটিত হওয়ার পরপরেই বিলম্ব না করে যত দ্রুত সম্ভব ডাক্তারী পরীক্ষা করানোর জন্য ভিকটিমকে হাসপাতালে নিতে হবে এবং আলামত সমূহ ডিএনএ পরীক্ষা করানোর নিমিত্ত্বে সংরক্ষণ করতে হবে। যথা সময়ে থানায় উপস্থিত হয়ে এজাহার দায়ের করতে হবে।ধর্ষণ মামলা সংক্রান্ত এজাহারে অভিযোগকারীর এনআইডি নাম্বার সহ নাম ঠিকানা ও বয়স, ভিকটিমের নাম ঠিকানা ও বয়স, ঘটনার তারিখ ও সময়, ঘটনাস্থলের নাম, অভিযুক্ত আসামীর নাম ঠিকানা ও বয়স, সাক্ষীর...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 17:50:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডিএনএ এর মাধ্যমে কিভাবে অপরাধী সনাক্ত করা হয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/DNA-er-madhome-kivabe-oporadhi-sonakto-kora-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/DNA-er-madhome-kivabe-oporadhi-sonakto-kora-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডিএনএ হচ্ছে ডিঅক্সিরাইবো নিউক্লিক এসিড। এটি এক ধরনের প্রোটিন যা মানবদেহে অবস্থান করে। ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে খুব সহজে অপরাধী সনাক্ত করা যায়। খুন, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতী সহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মামলা তদন্তে ডিএনএ পরীক্ষা করানো হয়।ডিএনএ পরীক্ষার রিপোর্ট অপরাধীকে সাজা দেওয়ার ক্ষেত্রে বিজ্ঞ আদালত সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণ করে। মানুষের ব্যবহুত কাপড়-চোপড়, রক্ত, মল-মুত্র, ঘাম, থুথু, বীর্য, লোম ইত্যাদীতে ডিএনএ নমুনা পাওয়া যায়। মামলা তদন্তকালে এসব নমুনা সংগ্রহ করে রাসায়নিক পরীক্ষা পূর্বক রিপোর্ট সংগ্রহ করা হয়।খুন, ধর্ষণ, চুরি, ডাকাতিসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অপরাধ সংঘঠিত হলে ডিএনএ নমুনা সংরক্ষণের ব্যবস্থা নিতে হবে। ডিএনএ নমুনা যাতে নষ্ট না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে থানা পুলিশের সহায়তা নিতে হবে।যেকোনো সমস্যায়, বাংলাদেশের জাতীয় জরুরী সেবা – ৯৯৯ এ কল করুন।তথ্যসূত্র-মোঃ সিরাজুল ইসলাম(পুলিশ পরিদর্শক)আইনি পরামর্শ পেতে যোগাযোগ করুণ আমাদের ইমেইলে-→ ইমেইল...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 17:59:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/kaderke-kisor-opradhi-bola-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/kaderke-kisor-opradhi-bola-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয় ?২০১৩ সালের শিশু আইনের ৪ ধারা মোতাবেক ১৮ বছরের কম বয়স্ক সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গন্য হয়। এই সকল শিশু যেসব অপরাধ করে তাকে কিশোর অপরাধ বলে। যেসকল শিশু কিশোর অপরাধে জড়িত হয় তাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয়। কিশোর অপরাধী দলবদ্ধভাবে কোন অপরাধ সংঘটিত করলে তাকে কিশোর গ্যাং বলে। এখানে উল্লেখ্য যে, শিশু আইন অনুযায়ী কিশোর অপরাধীকে আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু বলতে হবে। আসামী বলা যাবে না।কিশোর অপরাধীরা অপরাধের পরিনতি না বুঝে অপরাধ করে থাকে। কিশোর অপরাধীর লক্ষণ সমুহ পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া, লেখাপড়ায় অমনযোগী হওয়া, স্কুল ফাকী দেওয়া, শিক্ষকের সাথে দুর্ব্যবহার করা, ছিচকে চুরি করা, সহপাঠিকে মারপিট করা, মাদক সেবন করা, ঘরের জিনিষপত্র ভাংচুর করা কিংবা চুরি করা, পরিবারের লোকজনদের সাথে খারাপ আচরণ করা, রাস্তায় ইভটিসিং করা, নিজেকে মাস্তান অনুভব করা, আইন ও আদালতের তোয়াক্কা না করা ইত্যাদি।তথ্যসূত্র-মোঃ সিরাজুল ইসলাম(পুলিশ পরিদর্শক)]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 18:00:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থানা পুলিশের কাজ ও কাঠামো]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/thana-police-r-kaj-o-kathamo" />
            <id>https://biratbazar.com/thana-police-r-kaj-o-kathamo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[থানা পুলিশের কাজ ও কাঠামো এবং থানায় কর্মরত পুলিশ কর্মচারীদের পদমর্যাদা-প্রতিটি থানায় ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার এক বা একাধিক পুলিশ অফিসার কর্মরত থাকেন। তাদের মধ্যে একজন অফিসার ইনচার্জ (ওসি), একজন ইন্সপেক্টর তদন্ত, একজন ইন্সপেক্টর অপারেশন, একজন ইন্সপেক্টর ইন্টালিজেন্স এর দায়িত্ব পালন করেন। ইন্সপেক্টরদের মধ্যে যে সিনিয়র সে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর দায়িত্ব পালন করেন। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর অনুপস্থিতিতে সিনিয়রিটি অনুসারে পরবর্তী পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার থানার  অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর দায়িত্ব পালন করতে পারবেন তবে কন্সটেবল ব্যতীত। গুরুত্বপূর্ণ থানা গুলিতে একজন এএসপি পদমর্যাদার পুলিশ অফিসার নিয়োজিত থাকেন। একটি থানায় কয়েকজন সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই), কয়েকজন এসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) এবং কয়েকজন কন্সটেবল কর্মরত থাকেন।থানা পুলিশ এর কাজ-থানা এলাকার আইন শৃংখলা রক্ষা করা, জনসাধারনের জান ও মালের নিরাপত্তা দেওয়া, অপরাধ দমন করা, অপরাধীকে গ্রেফতার করে আদাল...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 01 Nov 2025 18:10:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/gd-sadharon-dairy-korar-abedon-er-nomuna" />
            <id>https://biratbazar.com/gd-sadharon-dairy-korar-abedon-er-nomuna</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা নিম্নরূপবরাবর,         অফিসার ইনচার্জ         লালমনিরহাট থানা, লালমনিরহাট।বিষয়:- জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন।জনাব,বিনীত নিবেদন এই যে, আমি মো: আব্দুল কুদ্দুস (৩৫), এনআইডি নং————পিতা মো: আব্দুল জলিল, সাং-ভাত্রী, পোস্ট, থানা ও জেলা লালমনিরহাট থানায় হাজির হয়ে লিখিতভাবে আবেদন করতেছি যে, গত ১০ এপ্রিল ২০২৩ খ্রি: বিকাল অনুমান ০৩:৩৫ ঘটিকার সময় আমি নিজ বাড়ী হতে মিশন মোড় যাওয়ার পথে বিডিআরগেট নামক স্থানে আমার পকেটে থাকা একটি নোকিয়া মোবাইল সেট যার আইএমইআই নং——-সিম নং———— মডেল নং——-মুল্য ১০,০০০/- টাকা হারিয়ে যায়। অনেক খোজাখুজি করে কোথাও না পাওয়ায় বিষয়টি জিডি (সাধারণ ডায়রী) করে রাখা একান্ত প্রয়োজন।অতএব, জনাবের নিকট বিনীত নিবেদন উল্লিখিত বিষয়ে জিডি (সাধারণ ডায়রী) করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করতে আপনার মর্জি হয়।নিবেদকমো: আব্দুল কুদ্দুসতারিখ-তথ্যসূত্র-মোঃ সিরাজুল ইসলাম(পুলিশ পরিদর্শক)]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:17:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দখলভুক্ত জমি কেউ জোর পূর্বক বেদখল করলে কি করবেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/dokholvukto_jomi_jor_purbok_dokhol_korle_ki_korben" />
            <id>https://biratbazar.com/dokholvukto_jomi_jor_purbok_dokhol_korle_ki_korben</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রত্যেক এলাকায় কিছু ভুমি দস্যু কিংবা পর সম্পদ লোভী ব্যক্তি থাকে তারা সব সময় অন্যের জমি জোর পূর্বক বেদখল করার চেষ্টা করে। এমন পরিস্থিতে পরলে কি করবেন?প্রথমে জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ মোবাইল করে পুলিশের সহায়তা নিবেন। তারপর সংশ্লিষ্ট থানায় গিয়া একটা লিখিত অভিযোগ দায়ের করবেন। অভিযোগ প্রাপ্তির পর থানা পুলিশ তদন্ত পূর্বক বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা নিতে পারেন যেমন নালিশী জমিতে শান্তি শৃংখলা বজায় রাখার জন্য এবং অপরাধীদের মুচলেকা গ্রহনের জন্য ফৌ: কা: আইনের ১০৭/১১৭(৩) ধারা মোতাবেক নন এফ আই আর প্রসিকিউশন বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করবেন যা এন জি আর মামলা হিসেবে আদালতে বিচার হবে। অথবা অপরাধের ধরণ অনুযায়ী পেনাল কোড ১৮৬০ এর বিভিন্ন ধারা মোতাবেক নিয়মিত মামলা রুজু করে এফ আই আর মামলা হিসেবে বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করবেন যা জি আর মামলা হিসেবে আদালতে বিচার হবে।তথ্যসূত্র-মোঃ সিরাজুল ইসলাম(পুলিশ পরিদর্শক)]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:22:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রোড এক্সিডেন্ট হলে কি করবেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/road-accident-hole-ki-korben" />
            <id>https://biratbazar.com/road-accident-hole-ki-korben</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রায় সময় বিভিন্ন স্থানে যানবাহন দ্বারা রোড এক্সিডেন্ট এর ঘটনা ঘটে থাকে। এইসব ঘটনায় অনেক অসাধু ব্যক্তি যাত্রীদের টাকা পয়সা জিনিস পত্র লুটপাট করার কাজে ব্যস্ত থাকে। অনেকে জখমী ব্যক্তিদের উদ্ধার করে হাসপাতালে প্রেরণ করে। অনেকে রোড ব্যারিকেট দিয়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করে।আসলে যে কাজটি প্রথমে করা দরকার, সেটা হলো স্থানীয় থানায় এবং স্থানীয় ফায়ার সার্ভিস স্টেশনে সংবাদ দিতে হবে। তারপর জখমীদের দ্রুত নিকটস্থ্য হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে হবে। যাত্রীদের মালামাল সংরক্ষনের ব্যবস্থা করতে হবে। রোড ব্যারিকেট দিয়ে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি করা যাবে না। থানা পুলিশ কিংবা ফায়ার সার্ভিস এর লোকজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হলে তাদের কাজে সহায়তা করতে হবে। অসাধু মন নিয়া অসৎ উদ্দেশ্যে কোন কাজ করা ঠিক হবে না। মনে রাখতে হবে আপনিও কোনো না কোনো দিন বিপদে পরতে পারেন।বি.দ্রঃ যেকোনো সমস্যায়, বাংলাদেশ পুলিশের জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ কল করুন।তথ্যসূত্র-মোঃ সিরাজুল ইসলাম...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:31:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইনের ইতিহাস]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/history-of-law" />
            <id>https://biratbazar.com/history-of-law</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আইনের ইতিহাস:পৃথিবীতে মানুষ সৃষ্টির পর হতে বিভিন্ন প্রকার অপরাধ সংঘটিত হয়ে আসছে। সে অপরাধের শাস্তির বিধান ধর্মীয় গ্রন্থ অনুযায়ী কিংবা সামাজিক নিয়মে প্রয়োগ করা হতো। ব্রিটিশ শাসনামলে অপরাধ দমন করার জন্য অপরাধের ধরণ অনুযায়ী অপরাধীকে শাস্তির আওতায় আনার নিমিত্তে ১৮৬০ সালে দন্ডবিধি আইন প্রনয়ণ করা হয় এবং কোনো ব্যক্তি অপরাধ করলে উক্ত আইনের বিভিন্ন ধারায় বর্ণিত সাজা প্রদান করা হতো। পরবর্তীতে চিন্তা করা হলো কোনো অপরাধীকে সাজা দিতে হলেতো সাক্ষ্য প্রমান দরকার। সাক্ষ্য প্রমাণ ছাড়া অপরাধীকে সাজা দেওয়া হলে নির্দোষ ব্যাক্তি ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। তখন ১৮৭২ সালে সাক্ষ্য আইন প্রনয়ণ করা হয় এবং সাক্ষ্য প্রমানের ভিত্তিতে অপরাধী সাব্যাস্ত করে সাজা প্রদান করা হতো। এরপর চিন্তা করা হলো কে অপরাধীকে সাজা দেওয়ার ক্ষমতা ব্যবহার করবে, কোন পদ্ধতিতে সাজা প্রদান করা হবে এবং কোন কোন সংস্থা এই কার্যক্রমের সাথে সংশ্লিষ্ট থাকবে। তখন ১৮৯৮ সালে ফৌজদারী কার্যবিধি আইন প্রনয়ণ করা হ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:37:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোবাইল হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হলে পাওয়ার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/mobile-hariye-gele-kingba-curi-hole-paoar-upay" />
            <id>https://biratbazar.com/mobile-hariye-gele-kingba-curi-hole-paoar-upay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানুষের নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিস গুলোর মধ্যে মোবাইল একটা গুরুত্বপূর্ণ বস্তু। মোবাইল ছাড়া যেনো এক মুহুর্ত চলেনা। মোবাইল কাছে থাকলে অনেক কঠিন কাজ সহজ হয় আর মোবাইল কাছে না থাকলে সহজ কাজটিও কঠিন হয়ে যায়। সেই মোবাইলটি যখন হারিয়ে যায় কিংবা চুরি হয় তখন মাথায় কোনো কাজ করে না। মনে হয় দুনিয়াটা অন্ধকার হয়ে গেছে। আপনার সেই গুরুত্বপূর্ণ মোবাইলটা হারিয়ে গেলে কিংবা চুরি হলে আপনি অস্থির না হয়ে আপনার হারিয়ে যাওয়া মোবাইলের আইএমইআই নাম্বার আছে এমন কাগজ এবং এনআইডি কার্ড এর ফটো কপি নিয়ে স্থানীয় থানায় যাবেন।থানায় গিয়ে ডিউটি অফিসারকে আপনার মোবাইল হারিয়ে যাওয়া কিংবা চুরি হওয়ার বিষয়ে তথ্য দিবেন। আপনার দেয়া তথ্য অনুযায়ী ডিউটি অফিসার অনলাইনের মাধ্যমে বিষয়টি জিডি করবেন এবং থানার অফিসার ইনচার্জের মাধ্যমে উক্ত জিডি তদন্ত পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য একজন এসআই/এএসআইকে দায়িত্ব দিবেন। দায়িত্বপ্রাপ্ত অফিসার আপনার জিডির সুত্রধরে পুলিশ সুপারের মাধ্যমে পুলিশ হেডকোয়াটার্স,...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:39:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিকাশ কিংবা নগদ এর টাকা ফেরত পাওয়ার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bkash-kingba-nagad-er-taka-ferot-paoar-upay" />
            <id>https://biratbazar.com/bkash-kingba-nagad-er-taka-ferot-paoar-upay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেছে অথবা কোন প্রতারক প্রতারণা করে আপনার টাকা নিয়েছে। কিভাবে ফেরত পাবেন। বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে যাওয়া কিংবা প্রতারক কর্তৃক প্রতারণা করে টাকা নেওয়ার ঘটনা প্রায় অহরহ ঘটে থাকে। তবে চিন্তার কিছু নেই। এখন থেকে বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে অথবা কোন প্রতারক প্রতারণা করে আপনার টাকা নিলে খুব সহজেই আপনি আপনার টাকা ফেরত আনতে পারবেন। বিকাশে ভুল নাম্বারে টাকা চলে গেলে আপনি সেই নাম্বারে ফোন দিয়ে টাকা ফেরত আনার চেষ্টা করবেন না। কারণ, টাকার লোভ প্রত্যেকেরই আছে। সে হয়তো আপনার টাকা ফেরত না দিয়ে দ্রুত সেই টাকা তুলে ফেলতে পারে। টাকা তুলে ফেললে ফেরত পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে অথবা একেবারেই থাকেনা।এক্ষেত্রে আপনি কোথাও ফোন না করে আপনার একাউন্ট নাম্বার যদি বিকাশ হয় তাহলে ১৬২৪৭ নাম্বারে, আর যদি নগদ হয় তাহলে ১৬১৬৭ নাম্বারে কল করে যে নাম্বারে টাকা চলে গেছে সেই নাম্বারটি দিয়ে বলবেন আপনার টাকা ভুল বশত চলে গেছে যাতে টাকা তুলতে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:43:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোটর সাইকেল চুরি হলে কি করবেন]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/motor-cycle-curi-hole-ki-korben" />
            <id>https://biratbazar.com/motor-cycle-curi-hole-ki-korben</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মোটর সাইকেল মানুষের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ যানবাহন। অনেক কষ্টের বিনিময়ে টাকা উপার্জন করে কিংবা সংসারের কোন মুল্যবান জিনিস ক্ষতি করে অথবা লোনের মাধ্যমে কিস্তি করে একটা মোটর সাইকেল কেনা হয়। সেই মোটর সাইকেলটা যখন চুরি হয় তখন মাথা ঠিক থাকার কথা নয়। এজন্য আপনার মোটর সাইকেলের নিরাপত্তা আপনাকেই নেওয়া উচিত। যেখানে সেখানে অনিরাপদভাবে মোটর সাইকেল রাখলে চুরি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। কারণ যারা মোটর সাইকেল চুরি করে তারা সব সময় নিজের নিরাপত্তা রেখেই চুরি করে। অনেক সময় দেখা যায় অনেকে ১০/২০ টাকা বাচানোর জন্য গ্যারেজে মোটর সাইকেল না রেখে অরক্ষিত অবস্থায় বাহিরে মোটর সাইকেল রেখে প্রয়োজনীয় কাজ করতে ব্যস্ত থাকে। এই সুযোগে চোর মোটর সাইকেল চুরি করে পালিয়ে যায়। চোর মোটর সাইকেল চুরি করার পর চোরাই মোটর সাইকেলের কালার পরিবর্তন করলে কিংবা যন্ত্রাংশ খুলে ফেললে তা আর উদ্ধার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।মোটর সাইকেল চুরি হলে আপনার কাজ হলো মোটর সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার, ইঞ্জ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:45:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পাওনা টাকা আদায় করার পদ্ধতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/paona-taka-aday-korar-poddhoti" />
            <id>https://biratbazar.com/paona-taka-aday-korar-poddhoti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেক সময় দেখা যায় কিছু অসাধু ব্যক্তি নিজের বিপদের সময় বিভিন্ন ছলোনায় অথবা প্রতারণা করে অন্যের কাছ থেকে টাকা ধার অথবা হাওলাত (করজা) নেয় কিংবা সুদের উপর টাকা নেয়। টাকা দেওয়ার সময় অনেকে বিশ্বাসের উপর টাকা দিয়ে দেয়। কেউ সাদা কাগজে অথবা স্ট্যাম্পের মাধ্যমে লিখিত করে টাকা দেয়। কেউবা ব্যাংকের চেক নিয়েও টাকা দেয়। যেভাবেই হউক টাকা নেওয়ার পর অনেকে সঠিকভাবে টাকা ফেরত দিতে চায় না। ধরুন আপনি সরল মনে কাউকে কিছু টাকা ধার দিয়েছেন কিন্তু এখন সে আর আপনাকে আপনার পাওনা টাকা পরিশোধ করছেনা। অথবা আপনাকে আজ দিবো কাল দিবো বলে ঘুড়াচ্ছে। এক্ষেত্রে পাওনা টাকা কিভাবে আদায় করবেন?নিয়ম:- পাওনা টাকা আদায় করতে হলে প্রথমে আপনি স্থানীয় ইউনিয়ন/পৌরসভা চেয়ারম্যান এর নিকট লিখিত অভিযোগ করবেন। আপনার অভিযোগের প্রেক্ষিতে ইউনিয়ান/পৌরসভা চেয়ারম্যান অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে পাওনা টাকা আদায় করে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। ইউনিয়ান/পৌরসভা চেয়ারম্যান  টাকা আদায় করতে ব্যর্থ হলে আপনি অভিয...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:52:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলা এবং জিডির মধ্যে পার্থক্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/mamla-ebong-gd-er-moddhe-parthokko" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-ebong-gd-er-moddhe-parthokko</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রায় সময় দেখা যায় লোকজন থানায় গিয়ে জিডি করার মতো ঘটনাকে মামলা করতে চায় আবার মামলা করার মতো ঘটনাকে জিডি করতে চায়। আসলে কি ধরনের ঘটনা জিডি করা যায়, আর কি ধরনের ঘটনা মামলা করা যায়, সেটা না জানার কারনে এমন পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।যদি কোন ব্যক্তির মামলা এবং জিডির পার্থক্য সম্পর্কে সঠিক ধারনা থাকে তাহলে তাকে সহজেই পুলিশী সেবা প্রদান যায়। আর যদি কোন ব্যক্তির মামলা এবং জিডি সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকে, তাহলে তাকে পুলিশী সেবা প্রদান করা খুবই কঠিন হয়, এমনকি ন্যয় বিচার হতে সে বঞ্চিত হয়। সেইজন্য মামলা এবং জিডির পার্থক্য সম্পর্কে আলোচনা করা হলো যাতে মানুষ সহজে পুলিশী সেবা গ্রহন করতে পারে।মামলা: কোন ধর্তব্য অপরাধ সংঘটিত হলে মামলা করতে হয়। ধর্তব্য অপরাধগুলি হলো চুরি, ডাকাতি, ছিন্তাই, খুন, ধর্ষণ, অপহরণ, পাচার, গুরুত্বর জখম, মাদক, জুয়া, চাদাবাজি, মুক্তিপণ দাবী, প্রতারণা করে সম্পত্তি আত্মসাত, যৌতুকের জন্য মারপিট করা, ঘর বাড়ী আগুন দিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া ইত্যাদি।...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:54:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাইবার ক্রাইম ও তার প্রতিকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/cyber-crime-o-tar-protikar" />
            <id>https://biratbazar.com/cyber-crime-o-tar-protikar</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাইবার ক্রাইম: ইলেক্ট্রিক যন্ত্র যেমন মোবাইল এবং কম্পিউটার এর সাহায্যে ইন্টারনেট ব্যবহার করে যে অপরাধ করা হয় তাকে সাইবার ক্রাইম বলে। সাইবার ক্রাইম বিভিন্নভাবে হতে পারে। বিকাশের মাধ্যমে, কারো ছবি ব্যবহার করে, অন্যের গলার আওয়াজ ব্যবহার করে, ফেইসবুক হ্যাক করে, মোবাইল বা কম্পিউটারে থাকা তথ্য চুরি করে, পাসওয়ার্ড চুরি করে ইত্যাদি। প্রতারক চক্র সহজ সরল মানুষদের টার্গেট করে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে গোপন তথ্য বা পাসওয়ার্ড চুরি করে অপরাধ করে। অপরাধের শিকার ব্যক্তি ন্যয় বিচার পাওয়ার আশায় আইনের আশ্রয় গ্রহন করে। আইনের মাধ্যমে ন্যয় বিচার পাওয়ার আশায় না থেকে যদি মোবাইল এবং কম্পিউটার ব্যবহারে সতর্ক থাকা যায় তাহলে অনেক বিপদ থেকে নিজেকে রক্ষা করা যায়।প্রতিকার: যারা মোবাইল কিংবা কম্পিউটার ব্যবহার করেন তাদের মোবাইল ও কম্পিউটার ব্যবহারের পূর্বে সঠিক নিয়ম জানা উচিত। কারণ অপরাধীরা ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থেকেই মোবাইল ও কম্পিউটারের মাধ্যমে খুব সহজেই অপরাধ করে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Nov 2025 02:56:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ব্ল্যাক মেইলিং বা সাইবার বুলিং এর শিকার হলে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/black-mailing-ba-cyber-bullying-er-shikar-hole-koroniyo" />
            <id>https://biratbazar.com/black-mailing-ba-cyber-bullying-er-shikar-hole-koroniyo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ব্ল্যাক মেইলিং বা সাইবার বুলিং এর শিকার হওয়ার পূর্বে জানতে হবে ব্ল্যাক মেইলিং বা সাইবার বুলিং কি?ব্ল্যাক মেইলিং বা সাইবার বুলিং হচ্ছে কোন প্রতারক কর্তৃক মোবাইল অথবা কম্পিউটারের মাধ্যমে কোন ব্যক্তিকে ভয়ভীতি দেখিয়ে টাকা বা অন্য কিছু দাবী করা। ব্ল্যাক মেইলিং নারী পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রে ঘটতে পারে। গোপনে কোন নারীর অশালীন ছবি অথবা ভিডিও ধারণ করে সেটা ফেইসবুকে পোস্ট করার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবী করা, অবৈধ যৌন সম্মতি আদায় করা, চাকুরী দেওয়ার প্রলোভন দিয়ে কোথাও আটকে রেখে ধর্ষণ করা, ফেক ফেইসবুক আইডি খুলে নিজের পরিবর্তে অন্য কোন নারীর ছবি ব্যবহার করা ইত্যাদি ব্ল্যাক মেইলিং বা সাইবার বুলিং হিসেবে গণ্য হয়। এছাড়াও পুরুষ মানুষকে কোন নারী দ্বারা অনৈতিক কাজের লোভ দেখিয়ে কোন গোপন স্থানে আটকে রেখে ছবি বা ভিডিও ধারন করে টাকা অথবা অন্য কিছু দাবী করাও ব্ল্যাক মেইলিং। এইসব অপরাধের জন্য বাংলাদেশ পেনাল কোড আইন ১৮৬০, নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০, ডিজিটাল নিরাপত্তা আই...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 08:39:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মোটর সাইকেলের মামলা হলে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/motor-cycle-er-mamla-hole-koroniyo" />
            <id>https://biratbazar.com/motor-cycle-er-mamla-hole-koroniyo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মোটরযান আইনের যে সব বিধান লংঘন করলে মোটর সাইকেল চালকের বিরুদ্ধে মামলা হয়, সে সব কারণগুলো হলো-১। মোটর সাইকেল চালানোর সময় চালকের মাথায় যদি হেলমেট না থাকে।২। মোটর সাইকেল চালকের যদি ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকে অথবা ড্রাইভিং লাইসেন্স এর মেয়াদ যদি উত্তীর্ণ হয়।৩। যে মোটর সাইকেলটি চালানো হচ্ছে সেই মোটর সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন না থাকলে।কি অপরাধে কতো টাকা জরিমানা-১। মোটর সাইকেল চালকের মাথায় হেলমেট না থাকলে জরিমানা ৩০০০/- টাকা।২। মোটর সাইকেল চালকের ড্রাইভিং লাইসেন্স না থাকলে জরিমানা ৫০০০/- টাকা।৩। মোটর সাইকেলের রেজিষ্ট্রেশন না থাকলে জরিমানা ১০,০০০/- টাকা।কে মোটর সাইকেলের মামলা দিতে পারেন:- পুলিশ পরিদর্শক, এস আই, সার্জেন্ট এবং টি এস আই পদ মর্যাদার পুলিশ অফিসার মোটর সাইকেলের মামলা দিতে পারেন। এছাড়াও নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে মোটর সাইকেলের মামলা দিতে পারেন।মামলা হলে করণীয়-১। মামলা হওয়ার পর মোটর সাইকেল চালককে একটা কেস শ্লিপ দেওয়া হয়। উক্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 08:46:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাল্য বিবাহ প্রতিরোধে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/ballobibaho-protirodhe-koronio" />
            <id>https://biratbazar.com/ballobibaho-protirodhe-koronio</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে চাইলে জানতে হবে বাল্য বিবাহ কি, বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে কোন কোন ব্যক্তি শাস্তির আওতায় আসবে এবং কোন পদ্ধতিতে বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করতে হবে।বাল্য বিবাহ কি?বাল্য বিবাহ নিরোধ আইন ২০১৭ মোতাবেক ২১ বছর পূর্ণ হয় নাই এমন কোন পুরুষ অথবা ১৮ বছর পূর্ণ হয় নাই এমন কোন নারীর যদি বিবাহ অনুষ্ঠিত হয় তাহলে সেটাকে বাল্য বিবাহ বলা হয়।বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে কোন কোন ব্যক্তি শাস্তির আওতায় আসবে:-১। কোন প্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষ যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক নারীকে বিবাহ করে সেক্ষেত্রে পুরুষ ব্যক্তিটি শাস্তির আওতায় আসবে।২। কোন প্রাপ্ত বয়স্ক নারী যদি কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক পুরুষকে বিবাহ করে সেক্ষেত্রে নারী ব্যক্তিটি শাস্তির আওতায় আসবে।৩। নারী পুরুষ উভয় যদি অপ্রাপ্ত বয়স্ক হয় তাহলে যারা বিবাহ অনুষ্ঠানের আয়োজন করবে তারা শাস্তির আওতায় আসবে এছাড়াও বিবাহ নিবন্ধনকারী কাজীও শাস্তির আওতায় আসবে।বাল্য বিবাহ প্রতিরোধ করার পদ্ধতি:-১। কোথাও বাল্য বিবাহ অনুষ্ঠিত হলে উ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:09:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যৌতুক মামলা করার নিয়ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/joutuk-mamla-korar-niyom" />
            <id>https://biratbazar.com/joutuk-mamla-korar-niyom</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যৌতুকের মামলা করার পূর্বে জানতে হবে যৌতুক কাকে বলে। যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ২(খ) মোতাবেক যৌতুক হচ্ছে বিবাহের এক পক্ষ কর্তৃক অন্য পক্ষের নিকট বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের পূর্বশর্ত হিসাবে বিবাহের সময় বা বিবাহের পূর্বে অথবা বৈবাহিক সম্পর্ক বিদ্যমান থাকা কালে বিবাহের পণ বাবদ কোন অর্থ বা সম্পদ দাবী করা।যৌতুক দাবী করার শাস্তি: যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৩ ধারা।যৌতুক প্রদান ও গ্রহন করার শাস্তি: যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৪ ধারা।যৌতুক দাবী, প্রদান এবং গ্রহন করার অপরাধে মামলা:যৌতুক নিরোধ আইন ২০১৮ এর ৩ ও ৪ ধারার মামলা বিজ্ঞ পারিবারিক আদালতে করতে হবে।∗ এ ধরনের মামলা থানায় গ্রহণ করা হয় না। এই মামলা করতে জখম সংক্রান্ত ডাক্তারি সার্টিফিকেট লাগেনা।যৌতুক দাবী করে মৃত্যু ঘটানো, মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা, গুরুত্বর জখম অথবা সাধারণ জখম করার অপরাধে মামলা:যৌতুকের দাবী করে মৃত্যু ঘটানো অথবা মৃত্যু ঘটানোর চেষ্টা করার অপরাধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ১১(ক) ধারা মোতা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:12:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইভটিজিং এর শিকার হলে করণীয়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/eve-teasing-er-sikar-hole-koronio" />
            <id>https://biratbazar.com/eve-teasing-er-sikar-hole-koronio</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইভটিজিং কি?ইভটিজিং হচ্ছে পুরুষ কর্তৃক নারীকে অথবা নারী কর্তৃক পুরুষকে অবাঞ্চিত যৌন মন্তব্য এবং অশালীন অঙ্গভংগি করা। ইভটিজিং করা অপরাধ। প্রকাশ্য রাস্তায় স্কুল, কলেজে যাতায়তের পথে দুস্কৃতিকারী বখাটে ছেলে/পুরুষ কর্তৃক ছাত্রীরা এই অপরাধের শিকার হয় বেশি। এছাড়াও এলাকার নারীরাও এদের অত্যাচারে স্বাধীনভাবে চলাফেরা করতে পারে না। ইভটিজিংকারীদের ভয়ে অথবা সামাজিক মানইজ্জতের খাতিরে কেউ এর প্রতিবাদ করতে চায় না। ফলে ইভটিজিংকারীরা অবাধে নির্ভয়ে এধরনের অপরাধ করতে থাকে।ইভটিজিংকারীদের থেকে বাঁচার উপায়-১। কখন কোন স্থানে ইভটিজিং এর ঘটনা ঘটে গোপনে সেতথ্য স্থানীয় থানায় অথবা জাতীয় জরুরী সেবা ৯৯৯ এ জানাতে হবে।২। স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং গ্রাম পুলিশ এর  সহযোগিতায় এধরনের অপরাধ বন্ধ করার ব্যবস্থা নিতে হবে।৩। নিজের পরিচয় গোপন রেখে ইভটিজিংকারীদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করে ছবি অথবা ভিডিও ধারণ করে স্থানীয় থানা কর্তৃপক্ষের কাছে সরবরাহ করতে হবে।৪। যেসব পরিবারে ইভটি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:14:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুরি ছিন্তাই দস্যুতা এবং ডাকাতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/curi-cintai-dossuta-ebong-dakati-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/curi-cintai-dossuta-ebong-dakati-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চুরি, ছিন্তাই, দস্যুতা এবং ডাকাতির পার্থক্য না বুঝার কারণে অনেকে থানায় গিয়ে ভুল তথ্য উপস্থাপন করেন ফলে তাদেরকে পুলিশী সেবা প্রদান করা কঠিন হয়ে যায়। চুরি অথবা দস্যুতার ক্ষেত্রে ডাকাতি মামলা দিতে চায় আবার ডাকাতির ক্ষেত্রে চুরি অথবা দস্যুতার মামলা দিতে চায়। এমন অবস্থায় থানা পুলিশের আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণে জটিলতার সৃষ্টি হয় এবং ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি ন্যায় বিচার হতে বঞ্চিত হয়। ভিকটিম যাতে পুলিশের নিকট সঠিক সেবা পায় তার জন্য চুরি, ছিন্তাই, দস্যুতা এবং ডাকাতির মধ্যে পার্থক্য সমুহ আলোচনা করা হলো:-চুরি: যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন ব্যক্তির দখলভুক্ত অস্থাবর সম্পত্তি তার সম্মতি ব্যতীত অসাধুভাবে গ্রহন করার উদ্দেশ্যে স্থানান্তর করে তবে তাকে চুরি বলা হয়।শাস্তি: বাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩৭৯/৩৮০/৩৮১/৩৮২ ধারা।ছিন্তাই: সুর্যাস্ত এবং সুর্যোদয়ের মধ্যবর্তী সময় রাজপথে যদি দস্যুতা অনুষ্ঠিত হয় তবে তাকে ছিন্তাই বলা হয়।শাস্তি: বাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩৯২ ধারা।দস্যুত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:17:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সমন এবং ওয়ারেন্ট কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/somon-ebong-warrent-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/somon-ebong-warrent-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিজ্ঞ আদালতে মামলার বিচার চলাকালে বাদীর অভিযোগ প্রমান করার জন্য এবং প্রকৃত অপরাধীকে শাস্তি প্রদানের জন্য মামলার বাদীকে সহ সাক্ষী ও আসামীকে আদালতে হাজির করার প্রয়োজন হয়। সে কারনে বিজ্ঞ আদালত মামলার বাদী, সাক্ষী এবং আসামীকে আদালতে হাজির করার জন্য আদেশ প্রদান করেন। এই আদেশ বাদী কিংবা সাক্ষীর প্রতি জারী করা হলে তাকে সমন বলে। আর এই আদেশ আসামীর প্রতি জারী করা হলে তাকে ওয়ারেন্ট বলে।আইনসমন: ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৬৮ ধারা মোতাবেক মামলার বাদী ও সাক্ষীকে বিজ্ঞ আদালতে হাজির করার জন্য সমন ইস্যু করা হয়। বিজ্ঞ আদালত এই সমন ইস্যু করেন। সমন দুই কপি ইস্যু করা হয়। এককপি  সমন প্রাপকের নিকট জারি করা হয় এবং অপর কপিতে প্রাপকের স্বাক্ষর গ্রহন করে বিজ্ঞ আদালতে ফেরত দিতে হয়। কোন বাদী অথবা সাক্ষী সমন পাওয়ার পর আদালতে হাজির না হলে তখন বাদী ও সাক্ষীকে আদালতে হাজির করতে বাধ্য করার জন্য বিজ্ঞ আদালত সাক্ষীর প্রতি ওয়ারেন্ট ইস্যু করেন। উক্ত ওয়ারেন্ট পাওয়ার পর থানা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:19:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চাঁদাবাজির শাস্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/cadabajir-sasti" />
            <id>https://biratbazar.com/cadabajir-sasti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চাঁদা এবং চাঁদাবাজি শব্দ দুইটি সম্পর্কে সঠিক ধারনা না থাকার কারনে অনেকে থানা পুলিশের নিকট ভুল তথ্য উপস্থাপন করে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে ফলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহনে থানা পুলিশের অনেক সমস্যা দেখা দেয়। প্রায় সময় দেখা যায় অনেকে মসজিদ, মাদ্রাসার উন্নয়নে চাঁদা কালেকশন করে, কেউবা সামাজিক কোন অনুষ্ঠানের জন্য চাঁদা কালেকশন করে আবার কেউ অসাধুভাবে নিজের আর্থিক সুবিধা লাভ করার জন্য চাঁদা কালেকশন করে। এখানে কোনটি চাঁদা এবং কোনটি চাঁদাবাজি সেটা ভালকরে বুঝতে হবে।সকল চাঁদা চাঁদাবাজি নয় আবার সকল চাঁদাবাজিও চাঁদা নয়। আইনের ভাষায় যদি কোন ব্যক্তি স্বেচ্ছাকৃতভাবে অন্য কোন ব্যক্তিকে ভয় দেখিয়ে অসাধুভাবে বলপূর্বক কোন সম্পত্তি আদায় করে, তবে তাকে চাঁদাবাজি বা বলপূর্বক আদায় বলে। সম্পত্তি বলতে টাকা বা মুল্যবান জামানত অথবা স্বাক্ষরকৃত কোন দলিলকে বুঝানো হয়েছে।আইনঅপরাধশাস্তিচাঁদাবাজি বা বলপূর্বক আদায়ের শাস্তিবাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৩৮৪ ধারা মোতাবেক তিন বৎসর কারাদণ্ড বা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:20:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নানা ধরনের সম্পত্তি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/nana-dhoroner-sompotti" />
            <id>https://biratbazar.com/nana-dhoroner-sompotti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সম্পত্তি বলতে সাধারনত জমি-জমা, ঘর-বাড়ি, টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার ইত্যাদিকে বুঝায় কিন্তু আইনের ভাষায় সম্পত্তি হচ্ছে টাকা-পয়সা, স্বর্ণালংকার, দলিলপত্র  সহ অস্থাবর যে কোন বস্তু বা দ্রব্য।সম্পত্তি সাধারনত ১০ প্রকার:-১। চোরাই সম্পত্তি: বাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪১০ ধারা মোতাবেক চুরি, দস্যুতা, ডাকাতি বা অন্য কোনভাবে লুন্ঠিত হওয়া সম্পত্তিকে চোরাই সম্পত্তি বলে।২। চোরাই উদ্ধারকৃত সম্পত্তি: বাংলাদেশ পেনাল কোড ১৮৬০ এর ৪১১ ধারা মোতাবেক চুরি, দস্যুতা, ডাকাতি বা অন্য কোনভাবে লুন্ঠিত হওয়া সম্পত্তি কারো নিকট হতে উদ্ধার হলে এরুপ সম্পত্তিকে চোরাই উদ্ধার সম্পত্তি বলে।৩। সন্দিগ্ধ সম্পত্তি: ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৫৫০ ধারা মোতাবেক চোরাই সম্পত্তি বলে কথিত বা সন্দেহমুলক বা অন্য কোন অপরাধ সংঘটনের সন্দেহে যে সকল সম্পত্তি আটক করা হয় এই সকল সম্পত্তিকে সন্দিগ্ধ সম্পত্তি বলে।৪। বেওয়ারিশ সম্পত্তি বা উইল বিহীন সম্পত্তি: কোন ব্যক্তি মৃত্যুর পর তার রেখে যাওয়া সম্পত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:23:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্রেফতারের পদ্ধতি কি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/greftarer-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/greftarer-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৪৬ ধারা মোতাবেক কোন ব্যক্তি কথা বা কাজের দ্বারা হেফাজতে আত্মসমর্পণ না করলে পুলিশ অফিসার আইনানুগ ক্ষমতাবলে আইনসংগত উপায়ে তার দেহ স্পর্শ করে আটক করাকে গ্রেফতার বলে। গ্রেফতারের পদ্ধতিপদ্ধতিআইন১। যাকে গ্রেফতার করা হবে তাকে গ্রেফতারের কারণ সম্পর্কে জানাতে হবে। সে কথা বা কার্য দ্বারা আত্মসমর্পণ না করলে তার দেহ স্পর্শ করে গ্রেফতার কার্যকর করতে হবে।ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৪৬(১) ধারা২। যাকে গ্রেফতার করা হবে সে যদি গ্রেফতার এড়ানোর চেষ্টা করে তাহলে পুলিশ অফিসার প্রয়োজনীয় সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৪৬(২) ধারা৩। যাকে গ্রেফতার করা হবে সে যদি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত আসামী হয় তাহলে তার মৃত্যু ঘটানো যাবে। আর যদি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারাদন্ডে দন্ডিত আসামী না হয় তাহলে মৃত্যু ঘটানো যাবে না।ফৌজদারী কার্যবিধি আইন ১৮৯৮ এর ৪৬(৩) ধারা৪। যাকে গ্রেফতার করা হবে সে যদি কোন গৃহে আত্মগ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Nov 2025 09:26:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাটি পরীক্ষা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/mati-porikkha" />
            <id>https://biratbazar.com/mati-porikkha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সয়েল টেষ্ট কি?সয়েল টেস্ট (Soil Test) এর বাংলা অর্থ হল মাটি পরীক্ষা। কোন জমির পুষ্টি গুণাগুণ সম্পর্কে জানা অথবা কোন স্থাপনা নির্মাণ করার জন্য উক্ত স্থানের মাটির ভর ধারণক্ষমতা, মজবুত ভিত্তি ও সর্বাধিক নিরাপত্তার নিশ্চয়নের বেপারে পূর্ব পরিকল্পনা তৈরির জন্য মাটির যে পরীক্ষামূলক কাজ করা হয় তাকে সয়েল টেষ্ট (Soil Test) বলে। ইঞ্জিনিয়ারিং এর ভাষায়, স্থাপনা বা বিল্ডিং এর ভূ-নিম্নস্থ মাটির পরীক্ষা করাকে সয়েল টেষ্ট বলে।সয়েল টেষ্ট কেন করবেন?বিভিন্ন ধরনের স্থাপনা যেমনঃ আবাসিক বা বাণিজ্যিক ভবন, স্কুল কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় ভবন, হাসপাতাল, মসজিদ-মন্দির, শপিং কমপ্লেক্স বা মার্কেট, বিভিন্ন ধরনের ব্রীজ-কাল্ভার্ট, মহাসড়ক বা রেললাইন, এয়ারপোর্ট, কারখানা ইত্যাদি ভবন নির্মাণ করার পূর্বে সয়েল টেষ্ট আবশ্যকীয়। সয়েল টেষ্ট না করলে স্থাপনা নির্মাণ করা যাবে না। কোন নীচু জায়গা ভরাট করে সেখানে স্থাপনা নির্মাণ করতে চাইলেও সয়েল টেষ্ট বা মাটির পরীক্ষা করা জরুরী। অর্থাৎ স্থাপন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 07:43:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা ভাষার জন্ম]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bangla-vasar-jonmo" />
            <id>https://biratbazar.com/bangla-vasar-jonmo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলা ভাষার জন্ম সম্পর্কে জানতে হলে আগে জানা প্রয়োজন ভাষা কিভাবে জন্ম নিলো।মনের ভাব প্রকাশের অন্যতম উপায় ভাষা। ইশারা ইঙ্গিতের মাধ্যমে মনের ভাব প্রকাশ করা গেলেও তা কষ্টসাধ্য। যারা অন্ধ তারা কি ইশারার ভাষা বুঝে? উত্তর হলো – না। প্রাণিজগতে সকলেরই নিজস্ব ভাষা আছে। কিন্তু তারা শুধু আওয়াজের মাধ্যমে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ করে। মানুষই একমাত্র জীব যারা ভাষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধ্বনির প্রয়োগ ঘটিয়েছে এবং তার লেখ্যরুপ তৈরি করেছে। নিউক্যাসেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ম্যাগি টলারম্যান বলেছেন “পৃথিবীতে মানুষই হলো একমাত্র প্রাণী যাদের ভাষা আছে, এই ভাষার কারণে আমরা অন্যসব প্রাণী থেকে আলাদা হয়েছি”। ভাষার মাধ্যমে এই যে ভাবের বিনিময়, কথার আদান প্রদান, সেটাকে দেখা হয় বিবর্তনের গুরুত্বপূর্ণ একটি দিক হিসেবে। সবকিছুকে বদলে দিয়েছে এই ভাষা। কোনো একটি ভাষার উৎপত্তি সম্পর্কে জানতে হলে আগে জানা প্রয়োজন ভাষার উৎস কোথা থেকে।ভাষার উৎস (Origin of Language): ভাষার উৎপত্ত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 16:26:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভাষারীতিতে বাংলা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/vasaritite-bangla" />
            <id>https://biratbazar.com/vasaritite-bangla</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পৃথিবীর সকল দেশেরই রয়েছে নিজস্ব ভাষা এবং রয়েছে তাদের নিজস্ব ভাষারীতি। অঞ্চলভেদে রয়েছে ভাষার বিভিন্নতা। বিভিন্ন অঞ্চলের জনগণ তাদের নিজ নিজ অঞ্চলের ভাষায় কথা বলে। কোনো অঞ্চলের ভাষার সাথে কোনো অঞ্চলের ভাষা পুরোপুরি মিল থাকেনা, তবে আংশিক মিল থাকতে পারে। কিন্তু অঞ্চলভেদে এই ভাষার ভিন্নতাই ভাষাকে বিভিন্নতা এনে দেয়। এই বিভিন্নতাই আঞ্চলিক কথ্য ভাষা বা উপভাষা। পৃথিবীর সব ভাষারই রয়েছে ছোট বড় উপভাষা। এক অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষা অন্য অঞ্চলের জনগণের মুখের ভাষার সাথে যথেষ্ট পার্থক্য থাকায় ভিন্ন ভিন্ন অঞ্চলের লোকের মুখের ভাষা বোঝা দুর্বোধ্য হয়ে ওঠে। বিশেষ করে দূরত্ব ভেদে ভাষার দুর্বোধ্যতা বৃদ্ধি পেতে থাকে। তাই এ ধরণের আঞ্চলিক ভাষাকে বলার ও লেখার ভাষা হিসেবে সর্বক্ষেত্রে স্বীকৃতি দেয়া যায় না। কারণ তাতে বিভিন্ন আঞ্চলিক ভাষাভাষীদের মধ্যে ভাবের আদান প্রদানে জটিলতা দেখা যায়। সেজন্যই একটি দেশের একটি নির্দিষ্ট এবং আদর্শ ভাষা থাকে। যে ভাষায় দেশের শিক্ষিত ও পন্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 16:53:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা ভাষার শব্দ ভাণ্ডার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bangla-vasar-shobdo-vandar" />
            <id>https://biratbazar.com/bangla-vasar-shobdo-vandar</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যুগে যুগে এই বাংলায় বাণিজ্যের উদ্দেশ্যে অনেক সময় অনেক জাতির উপনিবেশ ঘটে। কেউ কেউ আবার ব্যবসা বানিজ্যের নাম করে শাসন করেছে এই বাংলা। তবে বাঙ্গালী জাতি প্রাচীন ভারতের একটি পরাক্রমশালী সমুদ্র অভিযাত্রী জাতি ছিল। প্রাচীনকালে ভারতের পূর্বাঞ্চলের বাঙ্গালী, কলিঙ্গী, তামিল প্রভৃতি জাতি দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় নানা উপনিবেশ গড়ে তুলতেন। তারা দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার সুমাত্রা দ্বীপে এরকম একটি বিরাট সাম্রাজ্য গড়ে তুলেছিলেন। এটি শ্রী বিজয় সাম্রাজ্য নামে পরিচিত।ভিয়েতনামের ইতিহাসে উল্লেখ আছে ভারতবর্ষের বন-লাং (বাংলা) নামক দেশ থেকে লাক লোং (লক্ষণ) নামক এক ব্যক্তি ভিয়েতনামে গিয়ে &quot;বন-লাং&quot; নামে একটি রাজ্য প্রতিষ্ঠা করেন। এই বন-লাং যে ভারতবর্ষের বাংলা সে ব্যাপারে সন্দেহের কোন অবকাশ নেই। এই বাঙালীদের রাজ্য খ্রিস্টপূর্ব তৃতীয় শতক পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল।অপরদিকে শ্রীলঙ্কার ইতিহাসে উল্লেখ আছে বঙ্গ দেশ থেকে আগত বিজয় সিংহ নামে এক ব্যক্তি স্থানীয় দ্রাবিড় র...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 17:17:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশের নদ নদী]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bangladesh-er-nod-nodi" />
            <id>https://biratbazar.com/bangladesh-er-nod-nodi</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নদ এবং নদীর পার্থক্য হল ব্যাকরণগত। যে সকল নদীর নাম নারী বাচক তাদেরকে বলা হয় নদী। সাধারণত বাংলা ভাষায় নারীবাচক শব্দের শেষে আ-কারান্ত, ই-কারান্ত এবং উ-কারন্ত যুক্ত হয়। যেমন- পদ্মা মেঘনা সুরমা প্রভৃতি। যে সকল নদীর নাম পুরুষবাচক, তাদেরকে বলা হয় নদ। যেমন- নীল,  আমাজন, সিন্ধু, ব্রহ্মপুত্র, কপোতাক্ষ, কুমার, দুধ কুমার, ভৈরব, আড়িয়াল খাঁ প্রভৃতি। ব্রক্ষ্মারপুত্র ব্রহ্মপুত্রকে মেয়ে ভাবার সুযোগ নেই। তেমনি হিমালয়ের দুহিতা গঙ্গা সে তো নারী ছাড়া আর কিছু হতে পারে না। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপ (Ganges Delta)বাংলাদেশ এবং ভারতের পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ নিয়ে গঠিত। এই ব-দ্বীপের বাংলাদেশে অংশের আয়তন ৪৬ হাজার ৬২০ বর্গ কিলোমিটার যা সমগ্র বাংলাদেশের মোট এলাকার মোটামুটি এক-তৃতীয়াংশের সামান্য কিছু কম (প্রায় ৩২%)। গাঙ্গেয় ব-দ্বীপকে বঙ্গীয় ব-দ্বীপ, সুন্দরবন ব-দ্বীপ বলা হয়। এটি পৃথিবীর বৃহত্তম ব-দ্বীপ গঙ্গা ও ব্রহ্মপুত্র সম্মিলিত স্রোতধারা মেঘনার সহযোগে দেশের দক্ষিণ-পশ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 17:37:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bangladesh-er-vu-prokriti" />
            <id>https://biratbazar.com/bangladesh-er-vu-prokriti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো একটি দেশের ভূ-প্রাকৃতিক অবস্থান অথবা ভূ-প্রকৃতি জানতে হলে অবশ্যই আগে সেই দেশটির ভৌগলিক অবস্থান জানা অতিব প্রয়োজনীয়।বাংলাদেশের ভৌগোলিক অবস্থান দক্ষিণ এশিয়ায়, ভারত ও মিয়ানমারের মাঝখানে। এর ভূখণ্ড ১,৪৭,৫৭০ বর্গকিলোমিটার (বিবিএস ২০২০ অনুসারে) অথবা ১,৪৮,৪৬০ বর্গকিলোমিটার (সিআইএ ওয়ার্ল্ড ফ্যাক্টবুক ২০২১ অনুসারে) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত। বাংলাদেশের পশ্চিম, উত্তর, আর পূর্ব জুড়ে রয়েছে ভারত। পশ্চিমে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য।বাংলাদেশের মাঝামাঝি স্থান দিয়ে কর্কটক্রান্তি রেখা (২৩°৫`) অতিক্রম করেছে। বাংলাদেশের অধিকাংশ এলাকা সমুদ্র সমতল হতে মাত্র ১০ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত। সমুদ্র সমতল মাত্র ১ মিটার বৃদ্ধি পেলেই এদেশের ১০% এলাকা নিমজ্জিত হবে বলে ধারণা করা হয়। বাংলাদেশের উচ্চতম স্থান দেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে পার্বত্য চট্টগ্রাম এর মোডকমুয়াল পর্বত, যার উচ্চতা ১,০৫২ মিটার (৩,৪৫১ ফুট)। বঙ্গোপসাগর উপকূলে অনেকটা অংশ জুড়ে সুন্দরবন অবস্থিত, যা বি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Nov 2025 17:42:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গণিত মজার সংখ্যা বিশ্লেষণ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/gonit-mojar-songkha-bisleshon" />
            <id>https://biratbazar.com/gonit-mojar-songkha-bisleshon</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গণিত ও সংখ্যাকে বলা হয় মহাজগতের ভাষা। গণিত আছে বলেই আমরা জগতের অনেক কিছুর ব্যাখ্যা জানি। গণিত এবং সংখ্যা বিষয় জানতে গেলে প্রথম চলে আসে অংক।অংক: কোন সংখ্যা তৈরি হয় অংক (digit) দিয়ে। মোট অংক হলো ১০টি – ০, ১, ২, ৩, ৪, ৫, ৬, ৭, ৮, ৯। সংখ্যা যত ছোট হোক বড় হোক না কেন, এই ১০টি সংখ্যা দিয়েই তা তৈরি হয়। যদি আপনাকে জিজ্ঞেস করা হয় ৪৫ কি সংখ্যা না কি অংক। নিশ্চয়ই আপনার উত্তর হবে ৪৫ একটি সংখ্যা যা ৪ এবং ৫ দুটি অংক দিয়ে গঠিত। অংকগুলোকে দুইটি প্রধান ভাগে ভাগ করা যায়।১। জোড় সংখ্যা (Even Number): যে সকল সংখ্যা ২দ্বারা বিভাজ্য তাদেরকে জোড় সংখ্যা বলে। যেমন:- ২, ৪, ৬, ৮, ১০ ইত্যাদি। জোড় সংখ্যাগুলোকে যুগ্মসংখ্যাও বলা হয়।২। বিজোড় সংখ্যা (Odd Number): যে সকল সংখ্যা ২দ্বারা বিভাজ্য নয় তাদেরকে বিজোড় সংখ্যা বলে। যেমন:- ১, ৩, ৫, ৭, ৯ ইত্যাদি। বিজোড় সংখ্যাগুলোকে অযুগ্ম সংখ্যাও বলা হয়।সংখ্যা আবিষ্কারের ইতিহাস: সভ্যতার সূচনালগ্ন থেকেই মানুষ হিসাব-নিকাশের প্রয়োজনীয়ত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:23:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাস্তব সংখ্যার উপসেট]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bastob-songkhar-uposet" />
            <id>https://biratbazar.com/bastob-songkhar-uposet</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[(i) স্বাভাবিক সংখ্যা (Natural Number) : ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যাই স্বাভাবিক সংখ্যা। অর্থাৎ 1,2,3,4,....ইত্যাদি সংখ্যাগুলোকে স্বাভাবিক সংখ্যা বলা হয়। স্বাভাবিক সংখ্যার সেট কে N দ্বারা প্রকাশ করা হয়।সুতরাং N={1,2,3,4,...}অথবা, N={x|xস্বাভাবিক সংখ্যা },স্বাভাবিক সংখ্যা সেটের ক্ষুদ্রতম সদস্য 1 কোন বৃহত্তম সংখ্যা নেই। গণনা ছাড়াও স্বাভাবিক সংখ্যাগুলোকে পরিমাণও পরিচিতির জন্য ব্যবহার করা হয়। যেমন 5 কেজি আটা 2 কেজি মাছ। দুই বা ততোধিক স্বাভাবিক সংখ্যার যোগফল গুনফল সর্বদা স্বাভাবিক সংখ্যা হয়। কিন্তু বিয়োগফল সর্বদা স্বাভাবিক সংখ্যা নাও হতে পারে।স্বাভাবিক সংখ্যাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-মৌলিক সংখ্যা ওযৌগিক সংখ্যাস্বাভাবিক সংখ্যার বৈশিষ্ট্য/ধর্মাবলী (Characteristics /Properties of Natural Number):(ক)স্বাভাবিক সংখ্যা সর্বদাই ধনাত্মক পূর্ণ সংখ্যা।(খ)স্বাভাবিক সংখ্যার সর্বপ্রথম সংখ্যা অথবা ক্ষুদ্রতম সদস্য 1(গ)স্বাভাবিক সংখ্যার সর্বশেষ সংখ্যা অজানা ব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:27:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৌলিক সংখ্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/moulik-shongkha" />
            <id>https://biratbazar.com/moulik-shongkha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১ কেনো মৌলিক সংখ্যা নয় ।মৌলিক সংখ্যার গুণনীয়ক থাকে দুইটি। যেমন:- ১১ এর স্বাভাবিক গুনীয়ক ১ ও ১১। তাই ১১ মৌলিক সংখ্যা। কিন্তু ১ এর গুণনীয়ক শুধুমাত্র ১ অর্থাৎ ১ এর গুণনীয়ক আছে একটি। তাই এক মৌলিক সংখ্যা নয়।ছোট মৌলিক সংখ্যা: সবচেয়ে ছোট মৌলিক সংখ্যা হল ২। ২ একটি জোড় সংখ্যা। ২ বাদে আর কোন জোড় মৌলিক সংখ্যা নেই।বড় মৌলিক সংখ্যা: সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যা নির্ণয় করা সম্ভব নয় এটা অসীম। এখন পর্যন্ত আবিষ্কৃত সবচেয়ে বড় মৌলিক সংখ্যাটি হল ২, ৪৮, ৬২, ০৪৮ টি অংক।সহমৌলিক সংখ্যা: যদি দুই বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে ১ ব্যতীত কোন সাধারণ উৎপাদক না থাকে তবে সংখ্যাগুলোকে সহ মৌলিক সংখ্যা বলে। ৫, ৭ এর মধ্যে ১ ব্যতিত কোন সাধারণ উৎপাদক নেই তাই ৫, ৭ সহমৌলিক সংখ্যা।কোথায় কতটি মৌলিক সংখ্যা আছে :১ থেকে ১০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ২৫ টি১০১ থেকে ২০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ২১ টি২০১ থেকে ৩০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ১৬ টি৩০১ থেকে ৪০০ পর্যন্ত মৌলিক সংখ্যা আছে ১৬ টি৪০১...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:32:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দশমিকের যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/doshomiker-jog-biyog-gun-vag" />
            <id>https://biratbazar.com/doshomiker-jog-biyog-gun-vag</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দশমিকের যোগ বিয়োগ গুণ ভাগ করার আগে দশমিক সংখ্যা কি, তা জানা প্রয়োজন। দশমিক সংখ্যা হলো একটি পূর্ণ সংখ্যার ভগ্নাংশের মান। যেমন- ৩/২ কে লেখা যায় ১.৫ আকারে। কোনো দশমিক সংখ্যার সাথে যদি কোনো পূর্ণ সংখ্যা না থাকে তাহলে তার মান ১ অপেক্ষা ছোট হয়। যেমন- ০.৯৯৯৯৯৯.... কে দেখতে যত বড়ই দেখাক না কেন তার মান ১ অপেক্ষা ছোট। আবার কোনো পূর্ণ সংখ্যার দশমিক যতই হোক না কেন, সেটি পরবর্তী পূর্ণ সংখ্যা থেকে ছোট। যেমন- ৩.৯৯৯৯৯..... দেখতে যতই বড় হোক না কেন, ৩ পূর্ণ সংখ্যার সাথে দশমিক হওয়ায় তা পরবর্তী পূর্ণ সংখ্যা ৪ থেকে ছোট।দশমিক সংখ্যার ছোট /বড় বের করাএক্ষেত্রে কোন সংখ্যা দেখতে কত বড় তা মোটেও গুরুত্বপূর্ণ নয়। বরং দশমিকের পরপরই কোন অঙ্কটি বড় তা দেখতে হবে। যেমন:- ০.২১১, ০.০২০, ০.২৩ কে মানের ক্রমানুসারে সাজালে হবে: ০.২৩ &gt; ০.২১১ &gt; ০.০২১১ &gt; ০.০২০ (এখানে বড় থেকে ছোট মান ক্রমানুসারে সাজানো হয়েছে। যেমন- ০.০২০ এর থেকে বড় ০.০২১১, আবার ০.০২১১ এর থেকে ০.২১১ বড়। আবার...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:34:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভগ্নাংশে ছোট বড়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/vognangshe-choto-boro" />
            <id>https://biratbazar.com/vognangshe-choto-boro</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুটি পূর্ণ সংখ্যাকে অনুপাত আকারে লিখলে বা ভাগ করলে যে রাশি পাওয়া যায়, তাকে ভগ্নাংশ বলে। x যদি y দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হয় তবে x/y একটি পূর্ণ সংখ্যা। কিন্তু x যদি y দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য না হয় তবে x/y একটি ভগ্নাংশ। এখানে x হলো লব এবং y হলো হর । যেমন: একটি ভগ্নাংশ ২/৫। যেখানে ২ হলো লব এবং ৫ হলো হর।সাধারণ ভগ্নাংশ: সাধারণ ভগ্নাংশ তিন প্রকার। যেমন: প্রকৃত ভগ্নাংশ, অপ্রকৃত ভগ্নাংশ ও মিশ্র ভগ্নাংশ।প্রকৃত ভগ্নাংশ: যে ভগ্নাংশের হর লবের চেয়ে বড়, তাই প্রকৃত ভগ্নাংশ। প্রকৃত ভগ্নাংশে, হর &gt; লব। যেমন:- ৫/২১, ৩/৭, ৬/২৩অপ্রকৃত ভগ্নাংশ: যে ভগ্নাংশের হর লবের চেয়ে ছোট, তা অপ্রকৃত ভগ্নাংশ। অপ্রকৃত ভগ্নাংশে, হর &lt; লব। যেমন:- ৫/২, ৩/২মিশ্র ভগ্নাংশ: একটি পূর্ণ অংশ ও আরেকটি প্রকৃত ভগ্নাংশ নিয়ে মিশ্র ভগ্নাংশ গঠিত। যেমন:- ২/৩/৫, ৫১/২ ইত্যাদি।বৃহত্তম ও ক্ষুদ্রতম ভগ্নাংশ নির্ণয়ধরুন, আপনাকে বলা হলো - ৩/৪ ও ১১/১৫ ভগ্নাংশটির মধ্যে কোন ভগ্নাংশটি বড়?এক্ষেত্রে ১ম ভগ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:37:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুণিতক গুণনীয়ক সমস্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/gunitok-gunoniyok-somossa" />
            <id>https://biratbazar.com/gunitok-gunoniyok-somossa</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অংক করার সময় গুণিতক এবং গুণনীয়ক নিয়ে নানা জটিলতায় ছাত্রছাত্রীদের পরতে দেখা যায়। শুধু ছাত্রছাত্রীরা নয়, চাকুরী প্রত্যাশীরাও যখন কোনো গণিত সমাধানে যায়, তখন কোনটি গুণিতক এবং কোনটি গুণনীয়ক সেটিই চিহ্নিত করতে পারেনা। তাই ধরা যায় এই গুণিতক এবং গুণনীয়ক সমস্যাটি মারাত্মক একটি সমস্যা। সমস্যাটি দূর করতে চাইলে প্রথমে জানা দরকার গুণিতক এবং গুণনীয়ক কাকে বলে।গুণিতক:- কোনো সংখ্যাকে পূর্ণ সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে যে সংখ্যাগুলো পাওয়া যায়, তাকে ওই সংখ্যার গুণিতক বলে।৩ এর গুণিতকগুলো হলো ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫... ইত্যাদি। সহজভাবে আমরা বলতে পারি গুণিতক হলো পূর্ণসংখ্যার নামতা।অর্থাৎ,৩ x ১ = ৩
৩ x ২ = ৬
৩ x ৩ = ৯
৩ x ৪ = ১২
৩ x ৫ = ১৫......সাধারণ গুণিতক ৩ ও ৬ এর সাধারণ গুণিতক বের করি।৩-এর গুণিতকসমূহ ৩, ৬, ৯, ১২, ১৫...৬-এর গুণিতকসমূহ ৬, ১২, ১৮, ২৪...এখন এ দুটি সংখ্যার গুণিতকগুলোর মধ্যে মিল আছে এমন সংখ্যা হলো ৬ ও ১২। তাহলে ৬ ও ১২ হলো, ৩ ও ৬ এর সাধারণ গুণিতক।গুণনীয়ক:- কো...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:39:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ল.সা.গু থেকে গ.সা.গু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/losagu-theke-gosagu" />
            <id>https://biratbazar.com/losagu-theke-gosagu</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আমরা অনেক সময় ল.সা.গু এবং গ.সা.গু করতে গেলে বুঝতে পারিনা কিভাবে ল.সা.গু হবে এবং কিভাবে গ.সা.গু হবে। অনেক সময় ল.সা.গু কে গ.সা.গু এবং গ.সা.গু কে ল.সা.গু হিসেবে করে ফেলি। কেননা দুটির কাঠামোগত বৈশিষ্ট্য একই ধরণের। নিম্নে বিশ্লেষণের মাধ্যমে দেখা যাক কোনটি কোনটা-সহমৌলিক: ২ বা ততোধিক সংখ্যার মধ্যে যদি ১ বাদে অন্য কোনো সাধারণ গুণনীয়ক না থাকে তবে সংখ্যাগুলোকে পরস্পরের সহমৌলিক সংখ্যা বলা হয়।ল.সা.গু (Lowest Common Multiple): ল.সা.গু হলো লঘিষ্ট সাধারণ গুণিতক। দুই বা ততোধিক সংখ্যার ক্ষুদ্রতম সাধারণ গুণিতককে তাদের ল.সা.গু বলে।গুণিতকের মাধ্যমে ল.সা.গু নির্ণয়যেমন:-২, ৪, ৮ এর ল.সা.গু নির্ণয়-
২ এর গুণিতক হলোঃ ২, ৪, ৬, ৮, ১০, ১২, ১৪, ১৬ ইত্যাদি।
৪ এর গুণিতক হলোঃ ৪, ৮, ১২ ইত্যাদি।
৮ এর গুণিতক হলোঃ ৮, ১৬, ২৪ ইত্যাদি।
দেখা যাচ্ছে, ২, ৪, ৮ এর সাধারণ গুণিতক হলো ৮, ১৬ ইত্যাদি। এদের মধ্যে সবচেয়ে ছোট সাধারণ গুণিতক ৮। 
∴ তাই ২, ৪, ৮ এর ল.সা.গু ৮।মৌলিক গুণনীয়কের সাহা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:45:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ক্রমিক বা ধারাবাহিক সংখ্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/kromik-ba-dharabahik-songkha" />
            <id>https://biratbazar.com/kromik-ba-dharabahik-songkha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্রমিক বা ধারাবাহিক সংখ্যা: যে সকল সংখ্যাকে ক্রম অনুসারে সাজানো যায় তাদের ক্রমিক সংখ্যা বলে। যেকোন পূর্ণ সংখ্যার সাথে ১ যোগ করলে তার পরবর্তী ক্রমিক সংখ্যা পাওয়া যাবে।যদি বলা হয়, তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ২১ হলে সংখ্যা তিনটির মান কত?উত্তর বের করতে প্রথমে আপনি ধরে নিন, ক্রমিক সংখ্যা তিনটি-X, X+১, X+২ক্রমিক সংখ্যা তিনটির যোগফল ২১ যেওয়া আছে।x + (x + ১) + (x + ২) = ২১বা, x + x + ১ + x + ২ = ২১বা, ৩x + ৩ = ২১বা, ৩x = ২১ – ৩বা, ৩x = ১৮∴ x = ৬ক্রমিক সংখ্যা তিনটি ৬, ৭ এবং ৮।লক্ষ করুন: ক্রমিক বিজোড় সংখ্যাগুলো হলো ১, ৩, ৫, ৭……..ক্রমিক জোড় সংখ্যাগুলো হলো: ২, ৪, ৬, ৮…..জানা জরুরি:ক্রমিক সংখ্যার যোগফল দেয়া থাকলে মধ্যম সংখ্যা হবে = ১। তিনটি ক্রমিক সংখ্যার যোগফল ১৫ হলে মধ্যম সংখ্যা = ১৫/৩ = ৫∴ সংখ্যা তিনটি ৪, ৫, ৬২। আবার চার ক্রমিক সংখ্যার সমষ্টি ১০ হলে মধ্যম সংখ্যা হবে = ১০/৪ = ২.৫এক্ষেত্রে মধ্যম সংখ্যা হবে ২ ও ৩।∴ ক্রমিক সংখ্যাগুলো হলো ১, ২, ৩, ৪]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:47:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অনুপাতের ক্ষেত্রে ল.সা.গু ও গ.সা.গু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/onupater-kkhetre-losagu-o-gosagu" />
            <id>https://biratbazar.com/onupater-kkhetre-losagu-o-gosagu</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতোমধ্যেই হয়তো আপনারা ল.সা.গু থেকে গ.সা.গু পোষ্টটি পড়েছেন। চাকুরির বাজারে অনুপাতের ল.সা.গু এবং গ.সা.গু থেকেও আমরা অনেক প্রশ্ন পাই। আজ সেগুলোর সমাধান দেখা যাক।⇒ দুটি সংখ্যার অনুপাত এবং গ.সা.গু দেয়া থাকলে ল.সা.গু বের করতে হবে এমন অংক থাকলে ল.সা.গু হবে অনুপাত দুটির গুণফল এবং তার সাথে গ.সা.গু এর গুণফল। অর্থাৎ, সংখ্যা তিনটি গুণ করলেই ল.সা.গু বের হবে।উদারহণ-১। দুটি সংখ্যার অনুপাত ৩:৪। গ.সা.গু ৫ হলে, ল.সা.গু কত?

    এখানে ল.সা.গু হবে অনুপাতের গুণফল এবং তার সাথে গ.সা.গু এর গুণফল।
    ল.সা.গু = অনুপাতের গুণফল × গ.সা.গু
           = (৩ × ৪ × ৫) 
           = ৬০২। দুটি সংখ্যার অনুপাত ৭:৮ এবং তাদের গ.সা.গু ৯ হলে তাদের ল.সাগু কত?

    ল.সা.গু = অনুপাতের গুণফল × গ.সা.গু 
           = (৭ × ৮ × ৯) 
           = ৫০৪৩। দুটি সংখ্যার অনুপাত ৫:৭ এবং তাদের গ.সা.গু ৪ হলে, সংখ্যা দুটির ল.স.গু কত?

    ল.সা.গু = অনুপাতের গুণফল × গ.সা.গু 
           = (৫ × ৭ × ৪)...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Nov 2025 17:51:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ল.সা.গু/গ.সা.গু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/vognangsher-kkhetre-losagu-gosagu" />
            <id>https://biratbazar.com/vognangsher-kkhetre-losagu-gosagu</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতোমধ্যেই হয়তো আপনারা ল.সা.গু থেকে গ.সা.গু পোষ্টটি পড়েছেন। চাকুরির বাজারে ভগ্নাংশের ক্ষেত্রে ল.সা.গু/গ.সা.গু থেকেও আমরা অনেক প্রশ্ন পাই। আজ সেগুলোর সমাধান দেখা যাক।যদি ভগ্নাংশের ল.সা.গু বের করতে বলে তাহলে নিচের ফর্মূলাটি জানা থাকলে খুব সহজেই বের করতে পারবেন।যেমন-⇒৩/৭ ও ৫/২ এর ল.সা.গু কত?

এখানে, লব ৩ ও ৫ এর ল.সা.গু = ১৫ এবং
       হর ৭ ও ২ এর গ.সা.গু = ১

আবার, যদি কোন ভগ্নাংশের গ.সা.গু বের করতে বলে, তাহলে নিচের ফর্মূলাটি ব্যবহার করে বের করা যাবে।যেমন-⇒৩/৭ ও ৫/২ এর গ.সা.গু কত?

এখানে, লব ৩ ও ৫ এর গ.সা.গু = ১ এবং
       হর ৭ ও ২ এর ল.সা.গু = ১৪


উদাহরণ-১। ২/৫ এবং ৫/৯ এর গ.সা.গু কত?২। ১/১৪, ৩/১৬, ৯/২০ এর সাধারণ গুণিতক কোনটি?৩। ৩/৫, ১/৪, ২/৩ এর ল.সা.গু কত ?]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:44:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গুণফলের ক্ষেত্রে ল.সা.গু ও গ.সা.গু]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/gunfoler-khetre-losagu-o-gosagu" />
            <id>https://biratbazar.com/gunfoler-khetre-losagu-o-gosagu</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[প্রশ্নে যদি ল.সা.গু ও গ.সা.গু দেওয়া থাকে, ল.সা.গু ও গ.সা.গু গুণ করলেই সংখ্যা দুটির গুণফল পাওয়া যাবে।যেমন: দুটি সংখ্যার গ.সা.গু ১২ এবং ল.সা.গু ৪০ হলে, সংখ্যা দুটির গুণফল কত?এখানে, ল.সা.গু ও গ.সা.গু গুণ করে  দিলেই সংখ্যা দুটির গুণফল পাওয়া যাবে।∴ সংখ্যা দুটির গুণফল = ল.সা.গু × গ.সা.গু= (৪০ × ১২)= ৪৮০দুটি সংখ্যার গুণফলকে গ.সা.গু দ্বারা ভাগ করলে ল.সা.গু এবং দুটি সংখ্যার গুণফলকে ল.সা.গু দ্বারা ভাগ করলে গ.সা.গু পাওয়া যাবে।যেমন: দুটি সংখ্যার গুণফল ৪৮। সংখ্যা দুটির গ.সা.গু ২ হলে, ল.সা.গু কত?ল.সা.গু = দুটি সংখ্যার গুণফল ÷ ল.সা.গু = (৪৮ ÷ ২) = ২৪শর্টকাটঃল.সা.গু = দুটি সংখ্যার গুণফল ÷ গ.সা.গুগ.সা.গু = দুটি সংখ্যার গুণফল ÷ ল.সা.গুপ্রশ্নে দুটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু এবং একটি সংখ্যার মান দেওয়া থাকলে, ল.সা.গু এবং গ.সা.গু এর গুণফলকে একটি সংখ্যা দ্বারা ভাগ করে সংখ্যাটি বের করা যায়।যেমন: দুইটি সংখ্যার ল.সা.গু ও গ.সা.গু যথাক্রমে ৪৮ ও ৪। একটি সংখ্যা ১৬ হলে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:48:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ল.সা.গু = ভাজ্য সংখ্যা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/losagu-vajjo-songkha" />
            <id>https://biratbazar.com/losagu-vajjo-songkha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইতোমধ্যেই হয়তো আপনারা ল.সা.গু থেকে গ.সা.গু পোষ্টটি পড়েছেন। চাকুরির বাজারে ল.সা.গু = ভাজ্য সংখ্যা থেকেও আমরা অনেক প্রশ্ন পাই। আজ সেগুলোর সমাধান দেখা যাক।যদি কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যাকে ৩, ৪ ও ৫ দ্বারা ভাগ করা হয় তবে তা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে। এক্ষেত্রে এমন ক্ষুদ্রতম সংখ্যা বের করতে হবে যাকে ৩, ৪ ও ৫ দ্বারা ভাগ করা যাবে। অর্থাৎ সংখ্যাগুলোর ভাজ্য হবে। আর ভাজ্য গুলো সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু-এর সমান।⇒ সংখ্যাগুলোর ল.সা.গু = ভাজ্য     ৩, ৪, ৫ এর ল.সা.গু = ৬০ (ভাজ্য)∴ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ভাজ্য = ল.সা.গু = ৬০দৃষ্টি আকর্ষণ: ক্ষুদ্রতম বা লঘিষ্ঠ বা নূন্যতম বা কমপক্ষে কথাটি থাকলে সংখ্যাগুলোর ভাজ্য বা ল.সা.গু হবে। (উত্তর)আবার ধরুন, কোন ক্ষুদ্রতম সংখ্যার সাথে ৩ যোগ করলে ২৪, ৩৬, ৪৮ দ্বারা নিঃশেষে বিভাজ্য হবে।তাহলে,২৪, ৩৬, ৪৮ এর ল.সা.গু = ১৪৪ (ভাজ্য)এরপর যেহেতু ৩ যোগ করার কথা বলা হয়েছে তাই ল.সা.গু থেকে ৩ বিয়োগ করুন।∴ নির্ণেয় ক্ষুদ্রতম সংখ্যা = ১৪৪ – ৩ = ১৪১মনে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:50:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সরলীকরণের জটিলতা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/sorolikoroner-jotilota" />
            <id>https://biratbazar.com/sorolikoroner-jotilota</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরলীকরণ: পাটিগণিত বা বীজগণিতের রাশিমালাকে সরল রূপে প্রকাশ করে তার মান নির্ণয়কে সরলীকরণ বলে। এ অঙ্কগুলো খুবই সহজ। শুধু মাথা ঠান্ডা রেখে সামান্য কিছু নিয়ম অনুসরণ করে এ ধরনের অঙ্ক সমাধান করা যায়।নিয়মগুলো নিম্নরূপ:১। প্রথমে বন্ধনীর কাজ করতে হয়। রেখা বন্ধনী (১২৩), প্রথম বন্ধনী (), দ্বিতীয় বন্ধনী {} ও তৃতীয় বন্ধনীর [ ] কাজ পর্যায়ক্রমিকভাবে করতে হবে।২। বন্ধনীর পর &#039;এর&#039; এর কাজ করতে হয়। কোনো অঙ্কের পরপরই যদি বন্ধনী থাকে এবং সেক্ষেত্রে বন্ধনী তুলে দেওয়ার সময় সেখানে অবশ্যাই &#039;এর&#039; বসবে।যেমন:৩। &#039;এর&#039; এর পর যথাক্রমে ভাগ, গুণ, যোগ, বিয়োগের কাজ করতে হয়।৪। ভাগের স্থলে গুণ চিহ্ন ব্যবহার করলে পরবর্তী সংখ্যাটি উল্টে যায়।৫। ভাগ ও গুণ চিহ্ন পাশাপাশি থাকলে বামদিক হতে শুরু করে যেটা আগে আসবে সেটার কাজ আগে করতে হয়। যেমনঃঅবশ্যই মনে রাখবেন সরলীকরণে নিম্নোক্ত ক্রম অনুস্বরণ করা হয়-() → {} → [] → এর/of → ÷ → × → + → −মনে রাখার সহজ উপায়: BADMA...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:52:34 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বীজগণিতীয় ভগ্নাংশ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/bijgonitio-vognangso" />
            <id>https://biratbazar.com/bijgonitio-vognangso</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যদি m ও n দুটি বীজগণিতীয় রাশি হয় তবে m/n একটি বীজগণিতীয় ভগ্নাংশ। যেখানে n ≠ 0, এখানে m কে ভগ্নাংশটির লব ও n কে হর বলা হয়।ভগ্নাংশের লঘিষ্টকরণ: কোন ভগ্নাংশের লব ও হরের মধ্যে কোন সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক না থাকলে এরূপ ভগ্নাংশকে লঘিষ্ট আকারের ভগ্নাংশ বলা হয়। এর জন্য লব ও হরকে এদের সাধারণ গুণনীয়ক বা উৎপাদক দ্বারা ভাগ করতে হয়।উদাহরণ :-বীজগণিতীয় ভগ্নাংশের যোগ ও বিয়োগের নিয়ম: দুই বা ততোধিক ভগ্নাংশের যোগ বা বিয়োগ করতে হলে ভগ্নাংশগুলোকে সাধারণ হরবিশিষ্ট করে লবগুলোকে যোগ বা বিয়োগ করলে যোগফল বা বিয়োগফল হবে একটি নতুন ভগ্নাংশ। যার হর হবে ভগ্নাংশগুলোর হরের ল.সা.গু এবং লব হবে সাধারণ হরবিশিষ্ট ভগ্নাংশগুলোর লবের যোগফল বা বিয়োগফল।উদাহরণ:-ভগ্নাংশকে সমহর বিশিষ্টকরণ: সাধারণ হরবিশিষ্ট ভগ্নাংশকে সমহরবিশিষ্ট ভগ্নাংশ বলা হয়। এক্ষেত্রে প্রদত্ত ভগ্নাংশগুলোর হর সমান করতে হয়। সাধারণ হরবিশিষ্ট ভগ্নাংশ প্রকাশ করার নিয়ম:১। ভগ্নাংশগুলোর হরের ল.সা.গু বের করতে হবে।২। ল.সা.গ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:55:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফাংশন অব বীজগণিত]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/function-of-bijgonit" />
            <id>https://biratbazar.com/function-of-bijgonit</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফাংশন:- দুই বা ততোধিক চলকের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক প্রকাশের গাণিতিক পদ্ধতিকেই আপেক্ষক বা ফাংশন বলা হয়। অর্থাৎ দুইটি চলক x ও y এমন ভাবে সম্পর্কিত হয় যে x এর প্রতিটি ডোমেনের জন্য y এর একটি নির্দিষ্ট মান নির্ণয় করা যায়। তবে y কে x এর ফাংশন বলা হয়। ফাংশনকে সাধারণত y=⨍(x), y=∅(x), y=φ(x) ইত্যাদি প্রতীক দ্বারা প্রকাশ করা হয়।যেমন: (y=3x+5) → x এর একটি ফাংশন। এখানে x এর প্রত্যেকটি বাস্তব মানের জন্য y এর একটি নির্দিষ্ট মান পাওয়া যায়। সুতরাং, x কে স্বাধীন চলক এবং y কে অধীন চলক বলা হয়।ফাংশনকে অনেক সময় ম্যাপিং বা ট্রান্সফরমেশনও বলা হয়।ডোমেন: যদি A হতে B সেটে বর্ণিত একটি ফাংশন ⨍ হয় তবে A সেটকে ফাংশন ⨍ এর ডোমেন বলা হয়। ডোমেন কে সাধারণত D⨍ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।রেঞ্জ বা বিস্তার: যদি A হতে B সেটে বর্ণিত একটি ফাংশন ⨍ হয় তবে B সেটের যে সকল উপাদান a ∈ A এর প্রতিচ্ছবি হিসাবে পাওয়া যায় তাকে ⨍ এর রেঞ্জ বা বিস্তার বলা হয়। রেঞ্জকে R⨍ দ্বারা প্রকাশ করা হয়।ফাংশনের...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 03:57:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জ্যামিতি (Geometry)]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/geometry" />
            <id>https://biratbazar.com/geometry</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জ্যামিতি শব্দের &#039;জ্যা&#039; এর অর্থ &#039;ভূমি&#039; এবং &#039;মিতি&#039; এর অর্থ &#039;পরিমাপ&#039;। অর্থাৎ, জ্যামিতি শব্দের অর্থ “ভূমির পরিমাপ”। এটি প্রকৃতপক্ষে স্থান বিষয়ক বিজ্ঞান। কিন্তু বর্তমানে জ্যামিতি শুধু ভূমি পরিমাপের জন্যই ব্যবহৃত হয় না বরং বহু জটিল গাণিতিক সমস্যা সমাধানে জ্যামিতিক জ্ঞান অপরিহার্য। খ্রিষ্টপূর্ব ৩০০ সালে ইউক্লিড তাঁর “The Elements” গ্রন্থে জ্যামিতির মূল তত্ত্বগুলো আলোচনা করেন।বিন্দু রেখা ও কোণ (Points, Line and Angle)বিন্দু (Points): যার দৈর্ঘ্য, প্রস্থ, উচ্চতা কিছুই নেই, শুধুমাত্র অবস্থান আছে তাকে বিন্দু বলে।রেখা: একটি রেখার নির্দিষ্ট দৈঘ্য নেই। একটি রেখার প্রান্ত বিন্দু নেই।রেখাংশ (Line Segment): রেখাংশের নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য আছে। রেখাংশের দুইটি প্রান্ত বিন্দু আছে।রশ্মি (Ray): একটি রশ্মির নির্দিষ্ট দৈর্ঘ্য নেই। একটি রশ্মির মাত্র একটি প্রান্ত বিন্দু আছে।বিভিন্ন ধরণের কোণকোণ (Angle): একই সমতলে দুইটি রশ্মি একটি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 04:00:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ত্রিভুজের প্রকারভেদ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/trivujer-prokarved" />
            <id>https://biratbazar.com/trivujer-prokarved</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তিনটি বাহুর দ্বারা আবদ্ধ আকার বা কাঠামোকে ত্রিভুজ বলে এবং তিনটি বাহু দ্বারা আবদ্ধ ক্ষেত্র বা স্থানকে বলে ত্রিভুজ ক্ষেত্র। নিচের ABC ত্রিভুজ টি লক্ষ করি-◲ ত্রিভুজের প্রকারভেদ:◲ সমকোণী ত্রিভুজের (Right Angle Friangle) বৈশিষ্ট্য:সমকোণী ত্রিভুজের একটি কোণ অবশ্যই এক সমকোণ বা 90°।সমকোণ ব্যতীত অন্য দুটি কোণ সূক্ষ্মকোণ এবং এরা পরস্পরের পূরক (কারণ সমষ্টি 90°)।সমকোণী ত্রিভুজের অতিভূজ-ই বৃহত্তম বাহু।সমকোণী ত্রিভুজের বিপরীত বাহুকে অতিভূজ বলা হয়।সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের যেকোন একটিকে লম্ব এবং অপরটিকে ভূমি ধরা হয়।সমকোণী ত্রিভুজের সমকোণ সংলগ্ন বাহুদ্বয়ের উপর অংকিত বর্গ দুটির ক্ষেত্রফলের সমষ্টি অতিভূকের উপর অংকিত বর্গক্ষেত্রের ক্ষেত্রফলের সমান। এটা পিথাগোরাসের উপপাদ্য নামে পরিচিত।চিত্রে, BC2 = AB2 + AC2 (অতিভূজ2 = লম্ব2 + ভূমি2 )বাহুর মাধ্যমে চেনার উপায়: ক্ষুদ্রতর দুই বাহুর বর্গের সমষ্টি ত্রিভুজটির বৃহত্তম বাহুর বর্গের সমান হলে তা সমকোণী ত্রিভুজ হয়।◲ সুক্ষ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 04:07:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ত্রিভুজের কেন্দ্র]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/trivujer-kendro" />
            <id>https://biratbazar.com/trivujer-kendro</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাহু = ত্রিভুজের প্রতিটি পার্শকে বাহু বলে।ভূমি = শীর্ষ বিন্দুর বিপরীত বাহু।শীর্ষবিন্দু = যেকোনো ২ বাহুর মিলন বিন্দু।উচ্চতা = শীর্ষবিন্দু থেকে ভূমির উপর অংকিত লম্বের দূরত্ব।মধ্যমা = শীর্ষবিন্দু থেকে বিপরীত বাহুর মধ্য বিন্দুর সংযোজক রেখা।অন্তঃকোণ = যেকোনো ২ বাহুর মধ্যবর্তী কোণ।বহিঃস্থকোণ = প্রতিটি বাহুকে বর্ধিত করলে বাইরের দিকে যে কোণ উৎপন্ন হয়।ভরকেন্দ্র = মধ্যমাগুলো যে বিন্দুতে মিলিত হয়।অন্তঃকেন্দ্র = ৩ কোনের সমদ্বিখন্ডকগুলো যে বিন্দুতে মিলিত হয়।পরিকেন্দ্র = বাহুর উপর অংকিত লম্ব তিনটি যে বিন্দুতে মিলিত হয়।প্রশ্নপর্ব:১। ত্রিভুজের কয়টি মধ্যমা?উত্তর: ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা থাকে। ত্রিভুজের কোন একটি শীর্ষবিন্দু এবং তার বিপরীত বাহুর মধ্যবিন্দু সংযোগ সরলরেখাকে মধ্যমা বলে। ত্রিভুজের তিনটি মধ্যমা এবং মধ্যমাত্রায় সমবিন্দু।২। কোন ত্রিভুজের শীর্ষবিন্দু হতে বিপরীত বাহুর মধ্য বিন্দুর উপর অংকিত রেখাকে ঐ ত্রিভুজের কি বলে?উত্তর: মধ্যমা বলে।৩। ত্রিভুজের মধ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 04:08:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/blog/trivujer-khetrofol" />
            <id>https://biratbazar.com/trivujer-khetrofol</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যেকোনো ত্রিভুজের ক্ষেত্রে:১। ত্রিভুজের ভূমি ও উচ্চতা দেওয়া থাকলে, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল =  × ভূমি × উচ্চতা =  ah২। ত্রিভুজের দুই বাহু ও অন্তর্ভুক্ত কোণ দেওয়া থাকলে, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = ab SinC[∵ ∠C হলো a ও b বাহুর অন্তর্ভুক্ত কোণ]৩। ত্রিভুজের তিনটি বাহুর দৈর্ঘ্য দেওয়া থাকলে, ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল =[এখানে s অর্ধ পরিসীমা]সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে: সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রে, ত্রিভুজের ABC এর ক্ষেত্রফল = ×ভূমি×লম্ব = ×abসমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে: সমবাহু ত্রিভুজের প্রতিটি বাহু একক হলে, সমবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = a2 এবং সমবাহু ত্রিভুজের উচ্চতা h = সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রে: সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ভূমি b এবং সমান সমান বাহু a হলে, সমদ্বিবাহু ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল = প্রশ্নপর্ব-১। একটি সমকোণী ত্রিভুজের অতিভুজ ছাড়া অন্য দুটি বাহুর দৈর্ঘ্য যথাক্রমে 0.1 এবং 0.2 মিটার। ত্রিভুজটির ক্ষেত্রফল কত ?উত্তর: সমকোণী ত্রিভুজের ক্ষেত্রফল    = × ভূমি × উচ্চতা  = ×...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Nov 2025 04:10:39 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
