<?xml version="1.0" encoding="UTF-8"?>
<?xml-stylesheet href="/vendor/feed/atom.xsl" type="text/xsl"?>
<feed xmlns="http://www.w3.org/2005/Atom" xml:lang="en-US">
                        <id>https://biratbazar.com/feed</id>
                                <link href="https://biratbazar.com/feed" rel="self"></link>
                                <title><![CDATA[All Posts]]></title>
                    
                                <subtitle></subtitle>
                                                    <updated>Thu, 16 Oct 2025 03:32:17 +0000</updated>
                        <entry>
            <title><![CDATA[মনসা দেবীকে নিয়ে লেখা বিজয়গুপ্তের মঙ্গলকাব্যের নাম কী ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/monosa-debike-niye-lekha-bijoygupter-mongolkabber-nam-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/monosa-debike-niye-lekha-bijoygupter-mongolkabber-nam-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলা সাহিত্যের মধ্যযুগে বিশেষ এক শ্রেণির ধর্মবিষয়ক আখ্যান কাব্য 'মঙ্গলকাব্য' নামে পরিচিত। মঙ্গলকাব্য ধারার প্রাচীনতম ধারা মনসামঙ্গল। মনসামঙ্গলের অন্যতম কবি বিজয়গুপ্ত। মনসাদেবীর স্বপ্নাদেশ লাভ করে তিনি কাব্য রচনায় ব্রতী হন। তাঁর রচিত কাব্যের নাম 'পদ্মপুরাণ'। মনসামঙ্গলের আরেক কবি বিপ্রদাস পিপিলাই রচিত কাব্যের নাম 'মনসাবিজয়'। মধ্যযুগের শ্রেষ্ঠ মুসলমান কবি আলাওল রচিত প্রথম কাব্য 'পদ্মাবতী'।]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 16 Oct 2025 03:32:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বীকারোক্তি বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/shikarokti-bolite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/shikarokti-bolite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ১৭ ধারায় স্বীকৃতির সংজ্ঞা প্রদান করা হইলেও কোথাও স্বীকারোক্তির সংজ্ঞা প্রদান করা হয় নাই। তবে উক্ত আইনের ২৪ হইতে ৩০ ধারা সমূহে স্বীকারোক্তির বিষয় সমূহ অন্তর্ভুক্ত করা হইয়াছে। কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি কর্তৃক তাহার কৃত অপরাধ সরাসরি স্বীকার করা বুঝায়। নিজেকে জড়াইয়া যে বিবৃতি দেওয়া হয় তাহাই স্বীকারোক্তি। যে সকল কাজের দ্বারা অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে, বিবৃতিতে সেই সকল বিষয় থাকিতে হয়। এই বিবৃতি স্বেচ্ছা প্রণোদিত হইতে হয়। ভয়, প্রলোভন বা ফুসলাইয়া বিবৃতি গ্রহণ স্বীকারোক্তি নহে। সাক্ষ্য আইনের ২৪ হইতে ২৬ ধারায় বিবৃতি স্বীকারোক্তি হিসাবে গণ্য হয় না। তাই এইগুলি আইনে প্রাসঙ্গিকতা পায় না।সাক্ষ্য আইনের ২৭ ধারায় পুলিশ হেফাজতে থাকাকালীন কোনো ব্যক্তির দোষ স্বীকারোক্তি প্রাসঙ্গিক হয় না, যদি না তাহার এইরূপ স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে অভিযোগের সহিত সম্পর্কযুক্ত কোনো আলামতের অর্থাৎ অপরাধ সংক্রান্ত কোনো বস্তুর সন্ধান পাওয়া যায় এবং সেই অনুসারে যদি কোন আ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 12 Oct 2025 02:45:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সালে নিউজিল্যান্ড কোন পর্বতকে 'মানুষ' হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2025-sale-new-zealand-kon-porbotke-manush-hisebe-sikriti-dey" />
            <id>https://biratbazar.com/2025-sale-new-zealand-kon-porbotke-manush-hisebe-sikriti-dey</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[৩০ জানুয়ারি ২০২৫ নিউজিল্যান্ডের পার্লামেন্টে আইনিভাবে মাউন্ট তারানাকি বা তারানাকি মাউঙ্গা পর্বত একজন মানুষ হিসেবে স্বীকৃতি পায়। নতুন আইন অনুযায়ী, তারানাকি মাউঙ্গার মানুষ সত্তার নাম দেওয়া হয় 'তে কাহুই তুপুয়া'। এখন এই পর্বত ও তাঁর আশপাশের ভুমিকে জীবন্ত ও অবিভাজ্য সত্তা হিসেবে গণ্য করা হবে। এই পর্বতকে স্থানীয় মাওরি জনগোষ্ঠী বরাবরই তাদের পূর্বপুরুষ হিসেবে ভেবে এসেছে। কিন্তু অষ্টাদশ এবং উনবিংশ শতকের উপনিবেশিকরা তাদের কাছ থেকে এই পবিত্র ভূমি কেড়ে নেয়। নিউজিল্যান্ড বিশ্বে প্রথম দেশ, যেখানে প্রকৃতিকে আইনিভাবে ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এর আগে ২০১৪ সালে তে উরেওরা নামে এক বিশাল বনভূমিকে এই মর্যাদা দেওয়া হয়। ২০১৭ সালে ওয়াঙ্গানুই নদীকেও একই স্বীকৃতি দেওয়া হয়।]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 25 Sep 2025 06:25:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[টি আই প্যারেড কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ti-ai-parade-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/ti-ai-parade-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[টি আই প্যারেড (Test Identificatoin Parade) বা সনাক্তকরণ মহড়া বলিতে অপরাধ তদন্তকালে ঘটনার সাক্ষীদের দ্বারা ঘটনায় সংশ্লিষ্ট আসামীকে সনাক্তকরণের ব্যবস্থা করা বুঝায়। সন্দেহভাজন কোনো ব্যক্তি সংশ্লিষ্ট অপরাধে জড়িত থাকিলে তাহাকে সঠিকভাবে সনাক্ত করিতে পারিলে অপরাধটি উদঘাটন করা সম্ভব হইতে পারে। কোনো ব্যক্তির পাশাপাশি উদ্ধারকৃত চোরাইমাল সনাক্তকরণের জন্যও সনাক্তকরণ মহড়ার ব্যবস্থা করা হইয়া থাকে।সনাক্তকরণ মহড়ার পদ্ধতি সম্পর্কে পিআরবি ২৮২ বিধিতে আলোচনা করা হইয়াছে। যখন কোনো ব্যক্তিকে সনাক্তকরণের প্রয়োজন দেখা দেয় তখন এই বিধি মোতাবেক সনাক্তকরণ মহড়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয় এবং নিম্নলিখিত বিষয়গুলি মানিয়া উক্ত মহড়া করানো হইয়া থাকে।&nbsp;(ক) একজন ম্যাজিস্ট্রেট বা একজন সাব-রেজিষ্টার অথবা সংশ্লিষ্ট মামলার আগ্রহী বা স্বার্থ সংশ্লিষ্ট নহে এইরূপ দুইজন সন্মানিত ব্যক্তির উপস্থিতিতে সনাক্তকরণ মহড়া পরিচালনা করিতে হয়। সন্দিগ্ধ ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পর স্বল্প সময়ের মধ্যে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 22 Sep 2025 22:14:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৭ জানুয়ারি ২০২৬ কোন দেশ প্যারিস জলবায়ু চুক্তি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বের হয়ে যাবে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/27-january-2026-kon-desh-paris-jolobayu-cukti-theke-anusthanikvabe-ber-hoye-jabe" />
            <id>https://biratbazar.com/27-january-2026-kon-desh-paris-jolobayu-cukti-theke-anusthanikvabe-ber-hoye-jabe</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিস্তারিত প্যারিস চুক্তি:-

জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক চুক্তি প্যারিস জলবায়ু চুক্তি। ২০২১ সালে গৃহীত এই চুক্তিটির মূল লক্ষ্য হলো পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি শিল্প-যুগের পূর্বের তুলনায় ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে রাখা, যদি সম্ভব হয় তাহলে তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে সীমাবদ্ধ রাখার চেষ্টা করা হবে, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবেলায় স্বাক্ষরিত দেশগুলোকে সাহায্য করা এবং উন্নত দেশগুলো উন্নয়নশীল দেশগুলোকে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরুদ্ধে লড়াই করতে অর্থায়ন সহায়তা করবে। ফ্রান্সের প্যারিসে অনুষ্ঠিত ২০১৫ সালের জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন সম্মেলনে ১৯৬টি দেশ কর্তৃক প্যারিস চুক্তির আলোচনা করা হয়। ২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাস পর্যন্ত, জাতিসংঘ জলবায়ু পরিবর্তন কনভেনশনের (UNFCCC) ১৯৫টি সদস্য দেশ এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করে। যে তিনটি UNFCCC সদস্য রাষ্ট্র চুক্তিটি অনুমোদন করেনি, তাদের মধ্যে একমাত্র প্রধান কার্বন নির্গমকারী দেশ হলো ই...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 22 Sep 2025 13:51:37 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গ্যাং কেস কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/gang-case-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/gang-case-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গ্যাং কেস মূলত কোনো কুখ্যাত সংঘবদ্ধ ও পেশাদার অপরাধীদের বিরুদ্ধে সরকারি অনুমোদনক্রমে পুলিশের সিআইডি কর্তৃক যে মামলা দায়ের করা হয়, তাহাই গ্যাং কেস হিসাবে অভিহিত। পিআরবি ৬২৮ এর বিধানমতে গ্যাং কেসের কার্যপ্রণালী ব্যাখ্যা করা হইয়াছে।&nbsp;যখন কোনো তথ্য ও রিপোর্টের ভিত্তিতে সরকারের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, দেশের কোনো বিশেষ এলাকায় কোনো কুখ্যাত অপরাধীদল বা গ্যাং এর সদস্যগণ মারাত্মকভাবে অপরাধ জগতে সক্রিয় আছে এবং তাহারা একের পর এক অপ্রতিরোধ্য হিসাবে নিজ এলাকায়, তার আশেপাশে, থানা এবং জেলার সীমা অতিক্রম করিয়া অপরাধ করিতেছে, তখন সরকার উক্ত গ্যাং তথা গ্যাং এর সদস্যদের বিরুদ্ধে গ্যাং কেস রুজু করিয়া তদন্তের নির্দেশ দিয়া থাকেন। পিআরবি ১১২৬ এর বিধান মোতাবেক কেবলমাত্র বাংলাদেশ পুলিশের সিআইডি (Criminal Investigation Department) এই মামলা রুজু এবং তদন্তের অধিকারী। স্থানীয় জেলা পুলিশ সুপার সর্বপ্রকার সাহায্য সহযোগিতা ও সমন্বয় সাধন করিয়া থাকেন। জেলা ম্যাজিস্ট্রেটে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 17 Sep 2025 18:27:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিএল কেস কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bl-case-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bl-case-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিএল কেস অর্থাৎ (Bad Livelyhood Case) অসদাচরণকারীর বিরুদ্ধে পুলিশ কর্তৃক একটি প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৮ ধারায় রাষ্ট্রদ্রোহীতামূলক বিষয় প্রচারকারী ব্যক্তির সদাচরণের মুচলেকা গ্রহণের বিধান রহিয়াছে এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০৯ ধারার অনুরূপভাবে ভবঘুরে ও সন্দেহজনক ব্যক্তির অসদাচরণের মুচলেকা নেওয়া হইয়া থাকে। তাছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১১০ ধারায় অভ্যসগত অপরাধীদের সদাচরণের জন্য মুচলেকা গ্রহণের বিধান রহিয়াছে। উল্লিখিত অভ্যাসগত অপরাধীদের মধ্যে রহিয়াছে –(১) অভ্যাসগত দস্যু, গৃহভঙ্গকারী চোর বা জালিয়াত।(২) অভ্যাসগতভাবে চোরাইমাল গ্রহণকারী।(৩) অভ্যাসগতভাবে চোরদের রক্ষাকারী বা আশ্রয় প্রদানকারী অথবা চোরাইমাল গোপন করিতে বা হস্তান্তর করিতে সাহায্যকারী (দন্ডবিধি আইনের ২১২ ধারা)।&nbsp;(৪) অভ্যাসগতভাবে ফুসলাইয়া লোক অপহরণকারী, বলপূর্বক সম্পত্তি আদায়কারী, প্রতারণাপূর্বক ক্ষতি সাধনকারী অথবা দন্ডবিধি আইনের নিম্নলিখিত ধারার অপরাধকারী ব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 15 Sep 2025 03:49:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ পর্যন্ত দেশে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কতটি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/23-february-2025-porzonto-deshe-nibondhito-rajnoitik-dol-kototi" />
            <id>https://biratbazar.com/23-february-2025-porzonto-deshe-nibondhito-rajnoitik-dol-kototi</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[**নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলসমূহ**

| **নিবন্ধন নম্বর** | **রাজনৈতিক দলের নাম** | **নিবন্ধন** **তারিখ** | **প্রতীকের** **নাম** |
| --- | --- | --- | --- |
| ০০১ | লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টি - এলডিপি | ২০/১০/২০০৮ | ছাতা |
| ০০২ | জাতীয় পার্টি - জেপি | ২০/১০/২০০৮ | বাইসাইকেল |
| ০০৩ | বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল) | ০৩/১১/২০০৮ | চাকা |
| ০০৪ | কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ | ০৩/১১/২০০৮ | গামছা |
| ০০৫ | বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি | ০৩/১১/২০০৮ | কাস্তে |
| ০০৬ | বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ | ০৩/১১/২০০৮ | নৌকা |
| ০০৭ | বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল - বি.এন.পি | ০৩/১১/২০০৮ | ধানের শীষ |
| ০০৮ | গণতন্ত্রী পার্টি | ০৩/১১/২০০৮ | কবুতর |
| ০০৯ | বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি | ০৩/১১/২০০৮ | কুঁড়েঘর |
| ০১০ | বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি | ০৩/১১/২০০৮ | হাতুড়ী |
| ০১১ | বিকল্পধারা বাংলাদেশ | ০৩/১১/২০০৮ | কুলা |
| ০১২ | জাতীয় পার্টি | ০৩/১১/২০০৮ | লাঙ্গল |
| ০১৩ | জাতীয় সমা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 11 Sep 2025 09:34:15 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জি আর রেজিস্টার কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/g-r-register-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/g-r-register-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জি আর রেজিস্টার বা জেনারেল রেজিস্টার (GR) কোর্ট পুলিশ পরিদর্শকের তত্ত্বাবধানে একজন এসআই বা এএসআই কোর্টে রক্ষণাবেক্ষণ করে থাকে। প্রকৃতপক্ষে উহা ম্যাজিস্ট্রেটের রেজিস্টার। পিআরবি ৫৩৬ বিধি মোতাবেক বেঙ্গল ফরম নং ৩৮১৭ এর মাধ্যমে একটি বড় আকৃতির বাধানো রেজিস্টারে কার্যক্রম চালানো হয়। এই রেজিস্টারের সংশ্লিষ্ট অনেক কলামে ম্যাজিস্ট্রেটকে স্বাক্ষর করিতে হয়। প্রায় প্রতিদিনই দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের এসআই বা এএসআই (GRO) কে উক্ত রেজিস্টারটি ম্যাজিস্ট্রেটের নিকট উপস্থাপন করিতে হয়। থানায় কোনো ধর্তব্য অপরাধে মামলা রেকর্ড হওয়ার পর হইতে মামলাটির চুড়ান্ত বিচার নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ঐ মামলার যাবতীয় তথ্যাদী এই রেজিস্টারে লেখা হইয়া থাকে।&nbsp;যে সকল তথ্য জেনারেল রেজিস্টারে লেখা হয় তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হইলঃ&nbsp;(ক) থানায় রুজুকৃত সকল মামলার এজাহারের কপি প্রাপ্ত হইয়া মামলা সংক্রান্তে রিপোর্টকৃত বিষয় লেখা হয় এবং ম্যাজিস্ট্রেট স্বাক্ষর করেন।&nbsp;(খ) এজাহারের কপ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 10 Sep 2025 12:28:50 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['আমি বাংলায় গান গাই'-এর গীতিকার কে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/ami-banglay-gan-gai-er-geetikar-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/ami-banglay-gan-gai-er-geetikar-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA['আমি বাংলায় গান গাই' গানটির সুরকার, গীতিকার ও শিল্পী প্রতুল মুখোপাধ্যায় (২৫ জুন ১৯৪২ - ১৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) নিজেই। তিনি একাধারে ছিলেন একজন বাঙালি গায়ক, সৃজনশীল শিল্পী এবং গীতিকার। তিনি আমি বাংলায় গান গাই এবং ডিঙা ভাসাও সাগরে নামের দুটি বিখ্যাত বাংলা গানের গায়ক। তিনি গোঁসাইবাগানের ভূত চলচ্চিত্রে নেপথ্য কণ্ঠ দেন। তিনি মনে করেন, সৃষ্টির মুহূর্তে লেখক-শিল্পীকে একা হতে হয়। তারপর সেই সৃষ্টিকে যদি মানুষের সাথে মিলিয়ে দেওয়া যায়, কেবলমাত্র তাহলেই সেই একাকিত্বের সার্থকতা। সেই একক সাধনা তখন সকলের হয়ে ওঠে।

 -: সম্পূর্ণ গানটি :- 

আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই

আমি বাংলায় গান গাই
আমি বাংলার গান গাই
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর

বাংলা আমার জীবনানন্দ
বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বার ব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 08 Sep 2025 03:22:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৪ সালের বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কতজন ব্যক্তি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2024-saler-bangla-academy-sahitto-puroskar-lav-koren-kotojon-bekti" />
            <id>https://biratbazar.com/2024-saler-bangla-academy-sahitto-puroskar-lav-koren-kotojon-bekti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার ২০২৪ প্রাপ্তরা হলেন

১. কবিতা- মাসুদ খান
২. কথাসাহিত্য- সেলিম মোরশেদ
৩. নাটক ও নাট্যসাহিত্য- শুভাশিস সিনহা
৪. প্রবন্ধ/গদ্য- সলিমুল্লাহ খান
৫. শিশুসাহিত্য- ফারুক নওয়াজ
৬. অনুবাদ- জি এইচ হাবীব
৭. গবেষণা- মুহম্মদ শাহজাহান মিয়া
৮. বিজ্ঞান- রেজাউর রহমান
৯. মুক্তিযুদ্ধ- মোহাম্মদ হাননান
১০. ফোকলোর- সৈয়দ জামিল আহমেদ]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 07 Sep 2025 17:14:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কখন অধর্তব্য অপরাধের জন্য গ্রেফতার করতে পারে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kokhon-odhortobbo-oporadher-jonno-greftar-korte-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kokhon-odhortobbo-oporadher-jonno-greftar-korte-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১)(ঢ) ধারা মোতাবেক যেসব অপরাধের ক্ষেত্রে&nbsp; পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে সেসব অপরাধকে অধর্তব্য&nbsp; অপরাধ বা আমল অযোগ্য অপরাধ বলে। আদালত হতে গ্রেফতারী পরোয়ানা পাওয়া গেলে পুলিশ অধর্তব্য অপরাধের জন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।&nbsp; তাছাড়াও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অধর্তব্য অপরাধের জন্য পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে।&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(২) ধারা অনুযায়ী আইন সংগত কারণ ব্যতীত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি থাকে। &nbsp;(২) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৩) ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে।&nbsp;(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৫) ধারা অনুযায়ী যে আসামী পুলিশের সরকারী কাজে বাধা প্রদান করে (শাস্তি-দন্ডবিধির-১৮৬ ধারা)।&nbsp; &nbsp;&nbsp;(৪) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৪) ধারা অনুযায়ী চোরাই সন্দিগ্ধ মালামাল যার নিকট পাওয়া যায়।&nbsp;(৫) ফৌজদারী...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 07 Aug 2025 18:12:26 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফেরারী আসামী কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ferari-asami-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/ferari-asami-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৮৭ ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ৪৭২ মোতাবেক সাক্ষ্য গ্রহনের পূর্বে বা পরে যখন আদালতের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, ওয়ারেন্ট মূলতবী থাকা সত্বেও আসামী পলাতক রহিয়াছে অথবা ওয়ারেন্ট যাহাতে তামিল না হয় সেইজন্য আসামী আত্মগোপন করিয়া আছে, তখন আদালত উক্ত আসামীকে একটা নির্দিষ্ট তারিখে অর্থাৎ আগামী ৩০ দিনের মধ্যে আসামীকে আদালতে হাজির হওয়ার জন্য নির্ধারিত ফরমে একটা লিখিত ঘোষণাপত্র ইস্যু করেন, উহাকে হুলিয়া বলা হয় এবং যে আসামীর বিরুদ্ধে হুলিয়া জারী করা হয় সেই আসামীকে ফেরারী আসামী বলা হয়।&nbsp;হুলিয়া জারী করার পদ্ধতিঃহুলিয়া জারী করার পদ্ধতি সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হইল।&nbsp;(১) যেই আসামীর প্রতি হুলিয়া জারী করা হইবে সেই আসামী যেখানে বসবাস করে সেখানে প্রকাশ্য স্থানে পড়িয়া শুনাইতে হইবে।(২) যেই আসামীর প্রতি হুলিয়া জারী করা হইবে সেই আসামী যেখানে বসবাস করে সেখানে প্রকাশ্য স্থানে হুলিয়ার এককপি লটকাইয়া দিতে হইবে।(৩) হুলিয়ার এককপি আদালত ভবনের নোটিশ বোর্ডে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 31 Jul 2025 13:54:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আসামীর মিথ্যা তথ্য নিরূপণ করার পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/asamir-mitha-totho-nirupon-korar-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/asamir-mitha-totho-nirupon-korar-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তদন্তকালে পুলিশকে অনেক সময় প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও অপরাধের সুরাহার জন্য পারিপার্শ্বিক, পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র, ঘটনার পূর্বাপর আচরণ কিংবা নিছক সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে না কাউকে গ্রেফতার করতে হয়। বিদ্বেষবশত বা পূর্ব শত্রুতাবশত মামলাকারী কখনো কখনো নির্দোষ ব্যক্তিকে আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করলেও তাকে গ্রেফতার করা পুলিশের জন্য জরুরী হয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যক্ষ সাক্ষীর কথামতো যে কোনো ব্যক্তিই যে অপরাধী হবে, তার নিশ্চয়তা নেই। সাক্ষ্য মনস্তত্ত্ব বলে, মানুষের প্রত্যক্ষণে ভ্রান্তি থাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাছাড়া তথাকথিত প্রত্যক্ষ ব্যক্তিও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলায় জড়িত করতে পারে-এ ব্যাপারে তদন্ত জগতে প্রমাণের অভাব নেই।&nbsp;&nbsp;উপরোক্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারকে অত্যন্ত জটিল ও দুরূহ দায়িত্ব পালন করতে হয় বাধ্য হয়ে। দোষীকে অভিযুক্ত করা এবং নির্দোষকে খালাশ করা, দুটোই তদন্তের পরম লক্ষ্য। অভিযুক্তের অপরাধ সংঘটনের সপক্ষে সাক্ষ্য যোগাড় এবং...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 15 Jul 2025 23:36:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের কৌশল কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/sakkhi-ke-jiggasabader-kowshol-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/sakkhi-ke-jiggasabader-kowshol-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের কৌশল নির্ধারণের সময় তাদের মনস্তত্ত্ব ও মানসিক গঠন গভীর বিবেচনায় নেয়া দরকার। এজন্য তদন্তকারীর আধুনিক সাক্ষ্য মনস্তত্ত্ব, অস্বাভাবিক মনস্তত্ত্ব ও সমাজ মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে চলনসই জ্ঞান থাকা আবশ্যক। প্রত্যক্ষ সাক্ষীই ফৌজদারী বিচারে সেরা; কিন্তু এটা অনস্বীকার্য যে প্রতিটি মানুষই যা পর্যবেক্ষণ করে তা নির্ভুলভাবে বলতে বা লিখতে পারে না। স্মৃতিশক্তির মান, মানসিক সুস্থতা ও প্রত্যক্ষণের ধরন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কোনো ব্যক্তি কতো নির্ভুলভাবে নিজের স্মৃতিভান্ডার থেকে তার অভিজ্ঞতা অন্যকে বলতে পারবে। প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বলতে বুঝায়-(১) সাক্ষী যা চোখে দেখেছে,(২) সাক্ষী যা কানে শুনেছে,(৩) সাক্ষী যা নাকে গন্ধ পেয়েছে,&nbsp;(৪) সাক্ষী যা ত্বক দ্বারা অনুভব করেছে এবং(৫) সাক্ষী যা জিহ্বা দ্বারা স্বাদ পেয়েছে।&nbsp;&nbsp;মানুষ পঞ্চইন্দ্রিয় দ্বারা বহিঃজগতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। ইন্দ্রিয় দ্বারা প্রাপ্ত জ্ঞান মস্তিস্কে সংযোজন-বিয়োজন ও পূর্ব অভিজ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 05 Jul 2025 09:53:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বর্ধিত তদন্ত বা অধিকতর তদন্ত কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bordhito-todonto-ba-odhiktor-todonto-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bordhito-todonto-ba-odhiktor-todonto-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো ধর্তব্য অপরাধের মামলার তদন্ত শেষে পুলিশ অফিসার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারায় বিজ্ঞ আদালতে পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করে থাকে। এ পুলিশ রিপোর্ট দুই ধরণের হয়-(১) অভিযোগপত্র বা চার্জসিট (CS),&nbsp;(২) ফাইনাল রিপোর্ট বা চুড়ান্ত রিপোর্ট (পিআরবি ২৭২ এবং ২৭৫ প্রবিধান)।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭০ ধারামতে অপরাধীর বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার মামলাটির বিচারার্থে আমলী আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারার বিধান অনুসারে সংশ্লিষ্ট আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র বা চার্জসিট (CS) দাখিল করে। অন্যদিকে তদন্ত শেষে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৯ ধারা মোতাবেক অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া না গেলে পুলিশ অফিসার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারামতে ফাইনাল রিপোর্ট বা চুড়ান্ত রিপোর্ট দাখিল করে থাকে।&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; পুলিশ অফিসার কর্তৃক দাখিলকৃত উপর্যুক্ত পুলিশ রিপোর্ট প্রাপ্ত হয়ে আমলী আদাল...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 02 Jul 2025 06:54:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সন্দেহভাজন আসামীকে জিজ্ঞাসাবাদের কৌশল কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/sondehovajon-asamike-jiggasabader-kousol-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/sondehovajon-asamike-jiggasabader-kousol-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ তদন্ত, প্রতিরোধ বা নিবারণে পুলিশকে এমন ব্যক্তিদের গ্রেফতার বা জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন পড়ে যাদের বিরুদ্ধে আপাতত অপরাধে জড়িত থাকার প্রাথমিক কোনো প্রমাণ নেই। এদের অপরাধ সংশ্রবতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিশেষত যে অপরাধের কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই, কোনো ক্লু খোঁজে পাওয়া যায়নি, সেখানে পুলিশ অফিসারকে এলাকার কোনো কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন গ্রেফতার করে কিংবা থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাছাড়া নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে গিয়েও এরকম ব্যক্তিদের প্রশ্ন করা দরকার পড়ে।&nbsp;&nbsp;সন্দেহভাজন আসামী কারা?&nbsp;যে সকল ব্যক্তিকে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে কিংবা অপরাধ নিবারণের স্বার্থে গ্রেফতার করে অথবা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনে অথবা যাদের অপরাধ সংশ্লিষ্টতায় সন্দেহ রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি তারাই সন্দেহভাজন আসামী।&nbsp;&nbsp;নিম্নবর্ণিত আসামীরা সন্দেহভাজন জিজ্ঞাস্য ব্যক্তিঃ&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 27 Jun 2025 16:13:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলার বিচারকালে আসামী খালাস পাওয়ার কারণ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamlar-bicarkale-asami-khalas-pawar-karon-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mamlar-bicarkale-asami-khalas-pawar-karon-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মামলার বিচারকালে আসামী বিভিন্ন কারণে খালাস পেতে পারে। তম্মধ্যে কিছু কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যথা-&nbsp;(১) ত্রুটিপূর্ণ এজাহার লিপিবদ্ধ করা এবং গ্রহণ করা।&nbsp;(২) ত্রুটিপূর্ণ জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা অর্থাৎ পিআরবি ২৮০ প্রবিধান মোতাবেক নির্ধারিত ফরম অনুসারে জব্দ তালিকা প্রস্তুত না করা।&nbsp;(৩) মামলার তদন্ত সঠিকভাবে না করে ত্রুটিপূর্ণ তদন্ত করা।&nbsp;(৪) মামলার জব্দকৃত আলামত যেমন- চোরাই উদ্ধার মালামাল, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ইত্যাদি বিচারের সময় আদালতে উপস্থাপন না করা।&nbsp;(৫) এক মামলার আলামত অন্য মামলায় আদালতে উপস্থাপন করা।&nbsp;(৬) আলামত সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করে নষ্ট করে ফেলা।&nbsp;(৭) গুরত্বপূর্ণ সাক্ষী আসামীর দ্বারা প্রভাবিত হওয়া।&nbsp;(৮) পিআরবি ৪৪৪ প্রবিধান অনুসারে তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক অভিযোগ পত্র দাখিলের পর কোর্ট অফিসার কর্তৃক মামলার ব্রিফ প্রদান না করা।(৯) তদন্তকারী অফিসার এবং মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের আইন সম্পর্কে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 14 Jun 2025 17:12:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঘটনার বাস্তব তদন্ত বলতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ghotonar-bastob-todonto-bolte-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/ghotonar-bastob-todonto-bolte-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৬ ধারার বিধান মতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত নিজে করতে পারেন এবং তার অধীনস্ত সাব-ইন্সপেক্টর পদের নীচে নয় এমন অফিসার দ্বারা তদন্ত করাইতে পারেন। তাছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫১ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে উর্ধ্বতন অফিসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ন্যায় তার এলাকার মধ্যে ওসির সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ঘটনার বাস্তব তদন্ত বলতে যা বুঝায় তার প্রকৃত ব্যাখ্যা হলো যে, কোনো অপরাধ সম্পর্কে তথ্য উদঘাটন করা এবং প্রকৃত অপরাধীকে খুজে বের করে আইনের হাতে তুলে দেওয়া।&nbsp;&nbsp;প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করা সম্ভবপর নয় এমন নয় এবং কোনো ক্রমেই যেনো কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি আইনে সাজা না পায়। আরও বলা যায় যে, আইনের দৃষ্টিতে কোনো অপরাধী বিচারে যদি খালাস পায় তাহলে সমাজে ইহার প্রতিক্রিয়া থাকলেও কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি সাজা পাইলে সেক্ষেত্রে আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা অনেক ক্ষেত্রে হ্রাস পায়। ইহা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 01 Jun 2025 17:52:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জখম বা আঘাত কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jokhom-ba-aghat-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/jokhom-ba-aghat-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দন্ডবিধি আইনের ৩১৯ ধারা মোতাবেক জখম বা আঘাত বলতে সাধারণত দৈহিক যন্ত্রণা, পীড়া বা বৈকল্য ঘটানোকে বুঝায়। কিন্তু চিকিৎসা আইন বিজ্ঞানে জখম বা আঘাত শব্দকে Hurt বলা হয়। Hurt বা আঘাত দুই প্রকার। যেমন-(১) সামান্য আঘাত (Simple Hurt),(২) গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt).&nbsp;সামান্য আঘাত (Simple Hurt):&nbsp;ইহা এমন ধরণের আঘাত যা গুরুতর নয় অর্থাৎ যে সমস্ত জখম গুরুতর নয় তাই সামান্য আঘাত।&nbsp; যেমন- ছেলা জখম, ফোলা জখম ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;গুরুতর আঘাত (Grievous Hurt):&nbsp;দন্ডবিধি আইনের ৩২০ ধারা অনুসারে নিম্নোক্ত শ্রেণীর জখমকে গুরুতর আঘাত বলা হয়।&nbsp;(১) পুরুষত্বহীনতা করা অর্থাৎ পুংলিঙ্গ (Penis) কেটে ফেলা বা অন্ডকোষ (Testes) বিচ্ছিন্ন করা।&nbsp;(২) যে কোনো কানের শ্রবণশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা।&nbsp;(৩) যে কোনো চোখের দৃষ্টিশক্তি স্থায়ীভাবে নষ্ট করা।(৪) যে কোনো অঙ্গ বা অঙ্গ সন্ধিকে বিনষ্ট করা।&nbsp;(৫) যে কোনো অঙ্গ বা অঙ্গ সন্ধিকে ভেঙ্গে বা বিকল (স্থানচ্যু...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 24 May 2025 16:34:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মস্তিষ্ক বিকৃতির কারণ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mostisko-bikritir-karon-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mostisko-bikritir-karon-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আইনের ভাষায় মনের বিভ্রান্তি বা অপ্রকৃতিস্থতার জন্য কোনো ব্যক্তি যখন তার নিজের কাজকর্ম ও জীবনযাত্রা পরিচালনায় অক্ষম বলে বিবেচিত হয় তখন তাকে আইনত অপ্রকৃতিস্থতা বা মস্তিষ্ক বিকৃতি (Lunatic) বলা হয়। দন্ডবিধি আইনের ৮৪ ধারায় বলা হয়েছে, যে ব্যক্তি কোনো কাজ করার সময় মানসিক অসুস্থতা বশতঃ সেই কাজের প্রকৃতি বুঝতে অক্ষম কিংবা সে যে একটা ভুল বা বে-আইনী কাজ করছে তা উপলব্ধি করতে পারে না, তখন সেই ব্যক্তির কোনো কাজ অপরাধ নয়।&nbsp;&nbsp;মস্তিষ্ক বিকৃতির কারণঃমস্তিষ্ক বিকৃতি সাধারণত দুইটি কারণে হতে পারে। যেমন-(১) শারীরিক কারণ (Somatic),(২) মানসিক কারণ (Psychotic)। &nbsp;&nbsp;শারীরিক কারণ (Somatic):&nbsp;(ক) জন্মগত (Hereditary) ও পৈত্রিক সূত্রে প্রাপ্ত।&nbsp;(খ) মাথায় আঘাত বা টিউমার জনিত কারণে।&nbsp;(গ) সিফিলিস ও মৃগী জাতীয় রোগ।&nbsp;(ঘ) মাদক জাতীয় দ্রব্যাদি অত্যাধিক সেবনে যেমন- এ্যালকোহল, ভাং, গাজা, কোকেইন, হেরোইন ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;মানসিক কারণ (Psychotic...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 22 May 2025 17:28:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলা তদন্তের সময়সীমা কতদিন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamla-todonter-somoysima-kotodin" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-todonter-somoysima-kotodin</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মামলা তদন্তের সময়সীমা সম্পর্কে বিভিন্ন আইনে বিভিন্ন প্রকার সময়সীমা উল্লেখ করা হয়েছে। যেমন-(১) দন্ডবিধি আইনে রুজুকৃত মামলা তদন্তের সময়সীমা।&nbsp;(২) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে রুজুকৃত মামলা তদন্তের সময়সীমা।(৩) মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে রুজুকৃত মামলা তদন্তের সময়সীমা ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;দন্ডবিধি আইনে রুজুকৃত মামলা তদন্তের সময়সীমাঃ&nbsp;১৯৯২ সালের ৪২ নং আইন অনুসারে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৭ ধারার ৫ উপ-ধারা পরিবর্তন করে নতুনভাবে ৫ ধারায় সংযোজন করা হয়। উক্ত ধারায় উল্লেখ আছে যে, থানায় মামলা রুজু হওয়ার তারিখ হতে ১২০ দিনের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে হবে। পূর্বে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত করতে না পারলে সময়সীমা বৃদ্ধির যে পদ্ধতি ছিলো তা অত্র আইন দ্বারা বাতিল করা হয়েছে। যদি নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তদন্ত সমাপ্ত না হয় তাহলে আসামীরা নিম্ন বর্ণিত সুবিধা পাবে।&nbsp;(ক) যে ম্যাজিষ্ট্রেট মামলা আমলে নেওয়ার ক্ষমতাবান অথবা যিনি মামলা তদন্তের আদেশ দিতে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 21 May 2025 03:14:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপহরণ মামলা তদন্তের নিয়ম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/opohoron-mamla-todonter-niyom-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/opohoron-mamla-todonter-niyom-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৩৬২ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ২(খ) ধারা মোতাবেক অপহরণ অর্থ বলপ্রয়োগ বা প্রলুব্ধ করে বা ফুসলায়ে বা ভূল বুঝায়ে বা ভীতি প্রদর্শন করে কোনো স্থান হতে কোনো ব্যক্তিকে অন্যত্র যেতে বাধ্য করা। অপহরণ মামলা দুই ধরণের হতে পারে। যেমন-(১) ১৮ বৎসরের নিচে যে কোনো শিশু অথবা যে কোনো বয়সের নারী অপহরণ হলে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৭ ধারা মোতাবেক মামলা হবে।&nbsp;(২) ১৮ বৎসরের উর্ধ্বে যে কোনো পুরুষ অপহরণ হলে অবস্থাভেদে দন্ডবিধির ৩৬৩, ৩৬৪, ৩৬৫ ধারায় মামলা হবে।&nbsp;&nbsp;অপহরণ মামলা অত্যান্ত গুরুত্বপূর্ণ মামলা। মামলা রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্তকারী অফিসারকে তৎপর থাকতে হবে। দ্রুত মামলার ঘটনাস্থল বা অপরাধস্থল পরিদর্শন করে ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র সূচীপত্রসহ প্রস্তুত করতে হবে। ঘটনাস্থলে কোনো আলামত পাওয়া গেলে তা জব্দ করতে হবে। মামলার বাদীকেসহ প্রত্যক্ষদর্শী সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদ করে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 02 May 2025 16:21:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ধর্ষণ মামলা তদন্তের নিয়ম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/dhorson-mamla-todonter-niyom-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/dhorson-mamla-todonter-niyom-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ দন্ডবিধির ৩৭৫ ধারা এবং নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ এর ৯ ধারা মোতাবেক যদি কোনো পুরুষ বিবাহ বন্ধন ব্যতীত ১৬ বৎসরের অধিক বয়সের কোনো নারীর সহিত তার সম্মতি ব্যতিরেকে বা ভীতি প্রদর্শন বা প্রতারণামূলকভাবে তার সম্মতি আদায় করে অথবা ১৬ বৎসরের কম বয়ষের কোনো নারী বা শিশুর সহিত তার সম্মতিসহ বা সম্মতি ব্যতিরেকে যৌন সঙ্গম করে, তাহলে তিনি উক্ত নারী বা শিশুকে ধর্ষণ করেছে বলে গণ্য হবে।&nbsp;&nbsp;ধর্ষণ মামলা তদন্তকালে তদন্তকারী অফিসার নিম্নলিখিত বিষয়গুলির উপর গুরুত্ব আরোপ করবেন।&nbsp;(১) ধর্ষিতা যদি নিজেই থানায় হাজির হয়ে তার ধর্ষণের বিবরণ দিয়ে এজাহার দায়ের করে তাহলে একজন নারী পুলিশ দ্বারা কিভাবে ধর্ষণ করা হয়েছে, ধর্ষণকারী দ্বারা ধর্ষিতার শরীরের কোনো স্থানে কোনো জখম আছে কিনা, ধর্ষিতার পরিধেয় বস্ত্রে বীর্যপাতের কোনো দাগ আছে কিনা ইত্যাদি জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে এবং পরিধেয় বস্ত্রে বীর্যপাতের দাগ থাকলে তা আলামত হিসেবে জব্দ করতে হবে এবং আদালতের অনুমত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 28 Apr 2025 16:22:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুন মামলা তদন্তের নিয়ম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/khun-mamla-todonter-niyom-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/khun-mamla-todonter-niyom-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুন মামলা রুজু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তদন্তকারী অফিসার ঘটনাস্থল বা অপরাধস্থলে রওয়ানা হবেন এবং ঘটনাস্থল বা অপরাধস্থলে উপস্থিত হয়ে এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গের উপস্থিতিতে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করবেন। সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করার সময় মৃতদেহ পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে জখমের পূর্ণ বিবরণ সুস্পষ্টভাবে সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করবেন। লাশের প্রত্যেক অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের অবস্থান অবশ্যই সুরতহাল রিপোর্টে উল্লেখ করতে হবে। লাশের পরিধেয় বস্ত্র আলামত হিসেবে জব্দ করতে হবে। মৃত ব্যক্তি মহিলা হলে অবশ্যই একজন নারী পুলিশ দ্বারা লাশ পরীক্ষা করাতে হবে। লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করা হলে মৃত্যুর সঠিক কারণ নির্ণয় করার জন্য ময়না তদন্ত করানোর উদ্দেশ্যে পুলিশ স্কটের মাধ্যমে মৃতদেহ মর্গে প্রেরণ করতে হবে।&nbsp;&nbsp;মামলার ঘটনাস্থল বা অপরাধস্থল পরিদর্শন করে ঘটনাস্থলের খসড়া মানচিত্র সূচীপত্রে সহ পৃথক কাগজে প্রস্তুত করতে হবে। ঘটনাস্থল বা অপরাধস্থল পরিদ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 22 Apr 2025 19:17:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ডাকাতি মামলা তদন্তের নিয়ম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/dacoity-mamla-todonter-niyom-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/dacoity-mamla-todonter-niyom-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৩৯১ ধারার বিধান মোতাবেক পাঁচ বা ততোধিক ব্যক্তি মিলিতভাবে কোনো দস্যুতা অনুষ্ঠান করলে বা করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে প্রত্যেক ব্যক্তি ডাকাতির অপরাধে অপরাধী হবে। ডাকাতি মামলা একটি গুরুত্বপূর্ণ মামলা। তদন্তকারী অফিসারকে গুরুত্ব সহকারে ডাকাতি মামলা তদন্ত করতে হয়। ডাকাতি মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথে নিজ থানা সহ পার্শ্ববর্তী থানা সমূহে শোরগোল বা হৈ চৈ পড়ে যায়।&nbsp; দ্রুত আসামী গ্রেফতার এবং লুন্ঠিত মালামাল উদ্ধার করার নিমিত্তে&nbsp; পার্শ্ববর্তী থানা সমূহে হৈ চৈ বিজ্ঞপ্তি প্রেরণ করতে হয়। কাজেই তদন্তকারী অফিসারকে অত্যন্ত ধৈর্য, সহিষ্ণুতা এবং তীক্ষ্ম বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়ে তদন্তে অগ্রসর হতে হয়।&nbsp;এই ধরণের মামলার তদন্তে রওয়ানা হওয়ার পূর্বে ভিলেজ ক্রাইম নোট বুক (ভিসিএনবি) ভালোভাবে পর্যালোনা করে বিগত ৫ বৎসর যেসব অপরাধী ডাকাতির কাজে সক্রিয় ছিলো এবং ডাকাতির অপরাধে সাজা ভোগ করেছে তাদের নাম ঠিকানা সংগ্রহ করতে হবে। বর্তমানে সিডিএমএস প...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 19 Apr 2025 22:53:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কোন রেজিষ্টারকে থানার আয়না বা দর্পণ বলা হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/kon-registerke-thanar-ayna-ba-dorpon-bola-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/kon-registerke-thanar-ayna-ba-dorpon-bola-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিআরবি ৩৮০ প্রবিধান মোতাবেক প্রতিটি থানায় একটি করে খতিয়ান পরিদর্শন নিবন্ধন বহি বা রেজিষ্টার রক্ষণা-বেক্ষণ করা হয়ে থাকে। ইহা থানার রেজিষ্টার সমূহের মধ্যে খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটি রেজিষ্টার। থানায় মামলা রুজু হওয়ার সাথে সাথেই এই রেজিষ্টারের কার্যক্রম শুরু হয়ে যায় এবং তদন্ত শেষে কোর্টে মামলা চুড়ান্ত নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত তথা কোর্ট হতে ফাইনাল মেমো (FM) থানায় গৃহীত না হওয়া পর্যন্ত চলতে থাকে। তাছাড়াও কোনো মামলায় রিভিশন বা আপীল হলে সেই তথ্যও মন্তব্যের কলামে লেখা হয় এবং রিভিশন বা আপীল চুড়ান্ত নিস্পত্তি হলে সেই ফলাফল অনুসারে এই রেজিষ্টারে প্রতিটি মামলার তথ্য সন্নিবেশিত করা হয়ে থাকে। অর্থাৎ কোনো মামলার যাবতীয় তথ্য এই রেজিষ্টারে লিপিবদ্ধ থাকে। আসামী পলাতক থাকলে, গ্রেফতার হলে, জামিনে মুক্ত থাকলে, আসামীর বিরুদ্ধে পূর্বের সাজার তথ্য থাকলে, চোরাইমাল উদ্ধার থাকলে, আসামী সাজাপ্রাপ্ত হলে বা খালাস পাইলে, কে মামলাটি তদন্ত করেছেন, মামলার রেকর্ডপত্র কতদিন সংর...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 17 Apr 2025 05:08:29 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ ম্যাজিষ্ট্রেট সম্পর্কীয় বিধানাবলী কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-magistrate-somporkiyo-bidhanaboli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-magistrate-somporkiyo-bidhanaboli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিভাগীয় কমিশনারের কর্তৃত্বঃ (প্রবিধান-১৩, পিআরবি)&nbsp;(ক) স্থানীয় প্রশাসনের প্রধান হিসাবে বিভাগীয় কমিশনার পুলিশ সংক্রান্ত বিষয়ে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের কার্যক্রমের উপর তদারকি ও নিয়ন্ত্রণ করবেন। &nbsp;(খ) বিভাগীয় কমিশনারের নিকট হতে সরাসরিভাবে অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের মাধ্যমে প্রাপ্ত যে কোনো নির্দেশ পুলিশ সুপার দ্রুততার সাথে কার্যকরী করবেন। তবে যদি বিধিবদ্ধ ব্যবস্থাপনার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয় এমন প্রকৃতির কোনো নির্দেশ প্রাপ্ত হলে পুলিশ সুপার তা সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) এর মাধ্যমে ইন্সপেক্টর জেনারেল (আইজি) এর নিকট প্রতিবেদন পাঠাবেন।&nbsp;&nbsp;ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) এবং বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যাজিষ্ট্রেটের মধ্যে সম্পর্কঃ (প্রবিধান-১৪, পিআরবি)&nbsp;(ক) সংশ্লিষ্ট রেঞ্জের ডেপুটি ইন্সপেক্টর জেনারেল (ডিআইজি) স্ব স্ব অধিক্ষেত্রে শান্তি-শৃংখলা রক্ষা এবং অপরাধ দমন ও উদঘাটনের উদ্দেশ্যে বিভাগীয় কমিশনার ও জেলা ম্যা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:24:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আইন শৃংখলা রক্ষায় পুলিশ দলের সাথে উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্ব কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ayin-shringkhola-rokhay-police-doler-sathe-uposthit-magistrater-dayitto-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/ayin-shringkhola-rokhay-police-doler-sathe-uposthit-magistrater-dayitto-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[(ক) সশস্ত্র পুলিশ দলের সাথে উপস্থিত ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্বঃ &nbsp;পুলিশ রেগুলেশন বেঙ্গল (পিআরবি) ১৫১ প্রবিধানে বলা হয়েছে যে, কোনো দাঙ্গা দমনে কিংবা বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভংগ করার জন্য নিয়োজিত সশস্ত্র পুলিশ দলের সাথে যখন কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট উপস্থিত থাকেন তখন- &nbsp;(১) পুলিশ দলের পরিচালক কর্তৃক পুলিশ বাহিনীর পরিচালনায় তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না।(২) কখন বল প্রয়োগ করতে হবে এবং কখন গুলি ছুড়তে হবে সে ব্যাপারে সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য তিনিই দায়ী থাকবেন।&nbsp;(৩) যখন প্রয়োজন দেখা দিবে তখন তিনি পুলিশ দলের পরিচালককে বল প্রয়োগ করতে বা গুলি চালাতে নির্দেশ দিবেন। কিন্তু নির্দেশকে বাস্তবায়নের জন্য পুলিশ বাহিনী পরিচালনা করা বা না করা সম্পর্কে পরিচালক পুলিশ অফিসারের স্বাধীন ইচ্ছাকে তিনি ব্যাহত করতে পারবেন না।&nbsp;(৪) তিনি প্রবিধান ১৫৩(গ)(২) মোতাবেক কোনো সমাবেশের উপর গুলি চালানোর আদেশ দেয়ার পূর্বে দাঙ্গাকারী জনতাকে এ মর্মে হুশিয়ার করে দিবেন যে, তারা যদি অবিলম্ব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:23:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধের সাধারণ ব্যতিক্রম সমূহ কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadher-sadharon-batikrom-somuh-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadher-sadharon-batikrom-somuh-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি এবং জেনারেল ক্লাসেস এ্যাক্ট অনুসারে অপরাধ বলতে বর্তমান বলবৎ যে কোনো আইনে দন্ডযোগ্য যে কোনো কার্য বা কার্যবিরতিকে বুঝায়। তবে সরল বিশ্বাসে সম্পাদন, কোনো ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদন, তথ্যজনিত ভূল, আইনগত অধিকার, আত্মরক্ষার অধিকার ইত্যাদির কারণে উক্ত কার্য বা কার্যবিরতি অপরাধ হিসেবে গণ্য নাও হতে পারে।&nbsp;&nbsp;যেসব ক্ষেত্রে দন্ডযোগ্য কোনো কার্য অপরাধ নয়ঃ&nbsp;যেসব ক্ষেত্রে কোনো দন্ডনীয় কার্য বা কার্যবিরতি অপরাধ হিসেবে গণ্য হয় না, তা দন্ডবিধির ৭৬ হতে ৯৫ ধারায় সাধারণ ব্যতিক্রম হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।&nbsp;&nbsp;আইন বলে বাধ্য বা ভূল ধারণাবশত নিজেকে আইন বলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাসকারী ব্যক্তি বিশেষ কর্তৃক সম্পাদিত কার্য&nbsp; (দন্ডবিধির ৭৬ ধারা)।&nbsp;যে ব্যক্তি কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইনগতভাবে বাধ্য অথবা তথ্যের ভূল ধারণাবশত, আইনের ভূলধারণাবশত নয়, সরল বিশ্বাসে নিজেকে কোনো কিছু সম্পাদন করার জন্য আইন বলে বাধ্য বলিয়া বিশ্বাস করে, স...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:12:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[নিজের জীবন ও সম্পত্তি রক্ষার অধিকারগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/nijer-jibon-o-sompotti-rokhar-odhikarguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/nijer-jibon-o-sompotti-rokhar-odhikarguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আত্মরক্ষার অধিকার বলতে নিজের দেহ বা সম্পত্তি অন্যের আক্রমণ হতে রক্ষা করার অধিকারকে বুঝায়। কোন পরিস্থিতিতে এবং কোন পদ্ধতিতে কতটুকু পর্যন্ত এ ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগ করা যাবে তা দন্ডবিধির ৯৬ ধারা হতে ১০৬ ধারায় আলোচিত হয়েছে।&nbsp;&nbsp;ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষায় কৃত বিষয়সমূহ (দন্ডবিধির ৯৬ ধারা)।&nbsp;ব্যক্তিগত প্রতিরক্ষার অধিকার প্রয়োগকালে কৃত কোনো কিছুই অপরাধ নয়।&nbsp;&nbsp;শরীর ও সম্পত্তি সম্পর্কিত ব্যক্তিগত অধিকার (দন্ডবিধির ৯৭ ধারা)।&nbsp;দন্ডবিধির ৯৯ ধারায় বর্ণিত বিধিনিষেধ সাপেক্ষে প্রত্যেক ব্যক্তির-প্রথমতঃ মানবদেহ ক্ষুন্নকারী যে কোনো অপরাধের বিরুদ্ধে তার স্বীয় দেহ ও অন্য যে কোনো ব্যক্তির দেহের,দ্বিতীয়তঃ চুরি, দস্যুতা, অনিষ্ট, অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের অথবা চুরি, দস্যুতা, অনিষ্ট বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশের উদ্যোগের বিরুদ্ধে স্বীয় বা অপর কোনো ব্যক্তির অস্থাবর বা স্থাবর সম্পত্তির উপর প্রতিরক্ষা অধিকার থাকবে।&nbsp;&nbsp;অপ্রকৃতিস...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:09:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলা পরিচলনা পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamla-poricalona-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-poricalona-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৭ ধারা হতে ১৮৮ ধারা পর্যন্ত ফৌজদারী আদালতের তদন্ত ও বিচারের অধিক্ষেত্র সম্পর্কে আলোচিত হয়েছে।&nbsp;&nbsp;(ক) তদন্ত ও বিচারের সাধারণ স্থানঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৭ ধারায় বলা হয়েছে যে, প্রত্যেকটি অপরাধ যে আদালতের অধিক্ষেত্রের স্থানীয় সীমার মধ্যে সংঘটিত হয়েছে সাধরণত সে আদালতই উহার তদন্ত ও বিচার করবেন। তবে ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৬খ(১) ধারা অনুযায়ী যখন কোনো দায়রা জজের দৃষ্টিগোচর করা হয় যে, ন্যায় বিচারের জন্য এই ধারার অধীন আদেশ দান করা প্রয়োজন তখন তিনি তার দায়রা বিভাগাধীন এক ফৌজদারী আদালত হতে অন্য ফৌজদারী আদালতে কোনো নির্দিষ্ট মামলা হস্তান্তরের আদেশ প্রদান করতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(খ) বিভিন্ন দায়রা বিভাগে মামলার বিচারের আদেশ দেয়ার ক্ষমতাঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, ১৭৭ ধারায় যাই থাকুক না কেনো, সরকার নির্দেশ দিতে পারবেন যে, যে&nbsp; কোন জেলায় বিচারের জন্য প্রেরিত কোন মামলা বা কোন শ্রেণীর মামলাগুলির বিচার...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:06:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আসামী ও সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে বাধ্য করার পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/asami-o-sakhike-adalote-hajir-hote-badho-korar-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/asami-o-sakhike-adalote-hajir-hote-badho-korar-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আসামী ও সাক্ষীকে আদালতে হাজির হতে বাধ্য করার জন্য আদালত কর্তৃক সমন, গ্রেফতারী পরোয়ানা, হুলিয়া, ক্রোকী পরোয়ানা ইত্যাদি ইস্যু করা হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৮ ধারা হতে ৭৪ ধারায় সমন জারীর পদ্ধতি এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৭৫ ধারা হতে ৮৬ ধারায় গ্রেফতারী পরোয়ানা জারীর পদ্ধতি উল্লেখ করা হয়েছে। হুলিয়া কার্যকরী করার পদ্ধতি ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৭ ধারায় এবং ক্রোকী পরোয়ানা কার্যকরী করার পদ্ধতি ফৌজদারী কার্যবিধির ৮৮ ধারায় বর্ণিত আছে।&nbsp;&nbsp;(ক) সমনঃ&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৮ ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো আদালত সমন প্রদান করলে লিখিতভাবে প্রতিলিপিসহ দিতে হবে এবং তা বিচারকের স্বাক্ষর ও সীল মোহরযুক্ত হবে। সমন কোনো পুলিশ কর্মকর্তা দ্বারা বা সরকার প্রণীত বিধি সাপেক্ষে সমন প্রদানকারী আদালতের কর্মকর্তার দ্বারা বা অন্য কোনো সরকারী কর্মচারী কর্তৃক জারী করতে হবে।&nbsp;&nbsp;(২) সমন জারীর পদ্ধতিঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ৬৯ ধারায় সমন জারীর পদ্ধতি সম্পর্কে বর্ণনা করা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:04:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংসদ সদস্যকে গ্রেফতারের পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/songsod-sodossoke-greftarer-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/songsod-sodossoke-greftarer-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[গণপ্রাজাতন্ত্রী বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের কার্যপ্রণালী বিধিতে একজন সংসদ সদস্যকে গ্রেফতার করার বিধান উক্ত বিধির ১৭২ হতে ১৭৬ ধারায় বর্ণনা করা হয়েছে।&nbsp;&nbsp;কোনো সংসদ সদস্যের গ্রেফতার, আটক ইত্যাদি বিষয় ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক স্পীকারকে অবহিতকরণ (বিধি-১৭২)।&nbsp;কোনো সংসদ সদস্য ফৌজদারী অভিযোগে বা অপরাধে গ্রেফতার হলে কিংবা কোনো আদালত কর্তৃক কারাদন্ডে দন্ডিত হলে বা কোনো নির্বাহী আদেশক্রমে আটক হলে ক্ষেত্রমত গ্রেফতারকারী বা দন্ডপ্রদানকারী বা আটককারী কর্তৃপক্ষ বা জজ বা ম্যাজিষ্ট্রেট বা নির্বাহী কর্তৃপক্ষ তৃতীয় তফসিলে প্রদত্ত যথাযথ ফরমে অনুরূপ গ্রেফতার, দন্ডাজ্ঞা বা আটকের কারণ বর্ণনা পূর্বক অবিলম্বে অনুরূপ ঘটনা স্পীকারকে জানাবেন।&nbsp;&nbsp;কোনো সংসদ সদস্যের মুক্তির বিষয় স্পীকারকে অবহিতকরণ (বিধি-১৭৩)।&nbsp;কোনো সংসদ সদস্য গ্রেফতার হয়ে দন্ড প্রাপ্তির পর আপীলের বিবেচনা সাপেক্ষে জামিনে মুক্ত হলে বা অন্যভাবে মুক্ত হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ অনুরূপ ঘটনাও তৃতী...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:02:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিচার ব্যবস্থার ক্রম বিকাশ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bicar-babosthar-kromo-bikas-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bicar-babosthar-kromo-bikas-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আদিম সমাজে কোনো বিচার ব্যবস্থা ছিল না। ব্যক্তিগত প্রতিশোধের মাধ্যমে অপরাধীকে শাস্তি প্রদান করাই ছিলো ক্ষতিগ্রস্থ বা সংক্ষুব্ধ ব্যক্তির মূলমন্ত্র। সভ্যতার ক্রম বিকাশের সাথে সাথে ক্ষতিগ্রস্থ ব্যক্তি প্রতিশোধের পরিবর্তে ক্ষতিপূরণ গ্রহণ করতে সম্মত হয়। সমাজপতিরা অপরাধের গুরুত্ব ও প্রকৃতি নির্ণয় করে ক্ষতিপূরণের হার নির্ধারণ করতেন। এ পদ্ধতি অনুসরণ করে প্রাচীনকালে বিচার ব্যবস্থার প্রবর্তন হয়। যুগ যুগ ধরে এ ধরণের সামাজিক বিচার চলতে থাকে। পরবর্তীতে রাষ্ট্রের উৎপত্তি হলে বিচার ব্যবস্থা রাষ্ট্রের অধীনে আনা হয়।&nbsp;মনু, বৃহস্পতি, নারদ, গৌতম, বৌদ্ধায়ন, হরিত, বৈশিষ্ট্য, বিষ্ণু, কৌটিলা, কাত্যায়ন প্রমুখ শাস্ত্রকারদের শাস্ত্র হতে প্রাচীনকালের ভারতবর্ষের আইন-আদালত তথা বিচার ব্যবস্থা সমর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায়।&nbsp;প্রাচীনকালে ভারতবর্ষে মনু সংহিতার গুরুত্ব ছিলো সর্বাধিক। ইহা ছিলো ধর্ম ভিত্তিক আইন। অনু সংহিতার অষ্টম অধ্যায়ে অষ্টাদশ আইন শিরোনামে কতগুলো গ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 14:00:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/amoljoggo-ba-dhortobo-oporadh-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/amoljoggo-ba-dhortobo-oporadh-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাধারণ অর্থে আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধ বলতে গুরুতর প্রকৃতির অপরাধকে বুঝায়। এমন অপরাধের জন্য পুলিশ কেইস হয় এবং পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে। কিন্তু আইনের দৃষ্টিতে আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধের ধারণা কিছুটা ভিন্ন। অনেক গুরুতর অপরাধ আমলযোগ্য বা ধর্তব্য নয় আবার কিছু লঘু অপরাধও আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধ হিসেবে গণ্য। ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১)(চ) ধারায় আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধ নিম্নোক্তভাবে সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে।&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; আমলযোগ্য বা ধর্তব্য অপরাধ অর্থ সেসব অপরাধ যা ফৌজাদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিল অথবা বর্তমানে বলবৎ যেকোনো আইন অনুসারে কোনো পুলিশ অফিসার অপরাধীকে বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে। যেমন- ডাকাতি, খুন, ধর্ষণ ইত্যাদি দ্বিতীয় তফসিল অনুসারে আমলযোগ্য অপরাধ এবং এক্ষেত্রে অপরাধীকে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে।&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; ফৌজেয়ারী কার্যবিধির ১৫৪, ১৫৬ ও ১৫৭...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 13:57:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/odhortobbo-ba-amol-ojoggo-oporadh-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/odhortobbo-ba-amol-ojoggo-oporadh-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১)(ঢ) ধারা মোতাবেক অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধ অর্থ সেসব অপরাধ যেক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে না। সাধারণত অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধ লঘু প্রকৃতির হয়ে থাকে এবং এর জন্য থানায় এফআইআর করা হয় না। ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলে যেসব অপরাধগুলোতে পুলিশ বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারে না সেসব অপরাধই অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধ। যেমন- কোনো ব্যক্তিকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করা, কিল-ঘুষি মেরে সাধারণ ফুলা যখম করা, প্রশান্তি বিনষ্ট করা ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধের ক্ষেত্রে পুলিশের করণীয়ঃ &nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৫(১) ধারা মোতাবেক অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধের সংবাদ থানায় আসলে অফিসার ইনচার্জ নিজে অথবা তার নির্দেশে থানার অন্য কোনো অফিসার অভিযোগের সারমর্ম জেনারেল ডায়রীভুক্ত করবেন এবং সংবাদদাতাকে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রেরণ করবেন।&nbsp;&nbsp;অধর্তব্য বা আমল অযোগ্য অপরাধ তদন্তঃফৌজদারী...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 13:55:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তদন্ত কি এবং তদন্তের স্তরগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/todonto-ki-ebong-todonter-storguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/todonto-ki-ebong-todonter-storguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[(ক) তদন্তঃ ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১)(ঠ) ধারায় তদন্তের সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে যে, তদন্ত বলতে সাক্ষ্য প্রমাণ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে কোনো পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হতে ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোনো ব্যক্তি দ্বারা পরিচালিত সকল কার্যক্রমকে বুঝানো হয়েছে।&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp;তদন্ত অর্থ হলো পুংখানুপুংখভাবে পরীক্ষা করা। অর্থাৎ কোনো কিছু পেয়ে উহার সত্যতা নির্ণয়ের জন্য ভালোভাবে যাচাই বাছাই করা তথা কোনো ঘটনা সম্পর্কে প্রকৃত সত্য নিরুপণ করা।&nbsp;তদন্তের উপাদান দুইটি-(১) সাক্ষ্য গ্রহণ করা,(২) পুলিশ অফিসার অথবা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তি কর্তৃক সাক্ষ্য সংগ্রহ করা (ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৬ ধারা এবং পিআরবি ২৫৮ প্রবিধান)।&nbsp;&nbsp;তদন্তের স্তরগুলি নিম্নরূপঃ&nbsp;(১) এজাহারের অনুলিপি প্রাপ্ত হওয়া বা গ্রহণ করা।&nbsp;(২) এজাহারের তথ্য অনুসারে থানায় রক্ষিত রেকর্ডসমূহ পর্যালোচনা করা এবং তথ্য সংগ্রহ করা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 13:53:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামিন পাওয়ার ক্ষেত্রে আসামীর আইনগত অধিকার কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jamin-pawar-khetre-asamir-ayingoto-odhikar-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jamin-pawar-khetre-asamir-ayingoto-odhikar-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ সংবিধান মোতাবেক আইনের দৃষ্টিতে সকলেই সমান (অনুচ্ছেদ ২৭)। সকলেরই আইনের আশ্রয় লাভের অধিকার রয়েছে (অনুচ্ছেদ ৩১)। ব্যক্তি স্বাধীনতা হতে কাউকে বঞ্চিত করা যাবে না (অনুচ্ছেদ ৩২)। গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের কারণ জানাতে হবে (ফৌজদারী কার্যবিধির ৮০ ধারা) এবং অনাবশ্যক বিলম্ব ছাড়াই গ্রেফতারকৃত ব্যক্তিকে নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেটের সম্মুখে হাজির করতে হবে (ফৌজদারী কার্যবিধির ৮১ ধারা)। সংবিধান দেশের সর্বোচ্চ আইন। গ্রেফতারকৃত কোনো ব্যাক্তির জামিনের বিষয়ে ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৯ নং অধ্যায়ে আলোচনা করা হয়েছে। যেমন-&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৬ ধারার বিধান মোতাবেক জামিনযোগ্য অপরাধে কোনো ব্যক্তি গ্রেফতার হলে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) এর হেফাজতে থাকাকালে বা আদালতে উপস্থিত করা হলে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি জামানত দিতে প্রস্তুত থাকলে, সে ব্যক্তির জামিন পাওয়ার অধিকার রয়েছে। তবে জামিননামা দাখিল করতে হবে এবং প্রয়োজনে আদালতের নির্দেশমতে আদালতে হাজির হবে মর্মে ম...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 13:48:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রাথমিক সাক্ষ্য ও মাধ্যমিক সাক্ষ্য কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/prathomik-sakkho-o-maddhomik-sakkho-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/prathomik-sakkho-o-maddhomik-sakkho-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাক্ষ্য সাধারণত দুই প্রকার। যথা-(১) মৌখিক সাক্ষ্য এবং(২) দলিলী সাক্ষ্য (সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারা)।&nbsp;&nbsp;দলিলী সাক্ষ্য আবার দুই প্রকার। যথা-(ক) প্রাথমিক সাক্ষ্য এবং(খ) মাধ্যমিক সাক্ষ্য।&nbsp;&nbsp;(ক) প্রাথমিক সাক্ষ্যঃ প্রাথমিক সাক্ষ্য এক প্রকারের মৌল সাক্ষ্য। সাক্ষ্য আইনের ৬১ ধারায় কোনো দলিলের বিষয়বস্তু প্রমাণ সংক্রান্তে প্রাথমিক সাক্ষ্য এর বিষয়ে উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ প্রাথমিক সাক্ষ্য দ্বারা কোনো দলিল প্রমাণ করা যায়।&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; সাক্ষ্য আইনের ৬২ ধারা মোতাবেক যখন কোনো দলিল আদালতের পরিদর্শনের জন্য উপস্থাপন করা হয়, তখন সেই দলিলটিই প্রাথমিক সাক্ষ্য। এই দলিল কয়েকটি খন্ডে বিভক্ত থাকলে প্রত্যেকটি খন্ডই ঐ দলিলের প্রাথমিক সাক্ষ্য।&nbsp;&nbsp;(খ) মাধ্যমিক সাক্ষ্যঃ সাক্ষ্য আইনের ৬৩ ধারা মোতাবেক মূল দলিলের পরিবর্তে অন্য যে সকল বস্তু দলিলের অনুরূপ বিষয়বস্তুসহ পেশ করা হয়। যেমন- নিম্ন লিখিত সাক্ষ্যগুলি মাধ্যমিক বা গৌণ সাক্ষ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:34:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/osavabik-mrittu-ba-opomrittu-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/osavabik-mrittu-ba-opomrittu-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৃত্যুকে প্রধানত দুইটি ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা-(১) স্বাভাবিক মৃত্যু এবং(২) অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু।&nbsp;&nbsp;অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু আবার তিন ধরণের। যথা-(১) হত্যামূলক,(২) আত্মহত্যামূলক,(৩) দুর্ঘটনামূলক।&nbsp;অর্থাৎ যে মৃত্যু স্বাভাবিকভাবে না হয়ে প্রকৃতির নিয়োমের বাহিরে হয় তাহাই অস্বাভাবিক মৃত্যু বা অপমৃত্যু। কেউ যদি শত্রুতাবশত কাউকে হত্যা করে, কেউ যদি নিজের মনের দুঃখে নিজ উদ্যোগে আত্মহত্যা করে এবং কেউ যদি কোনো দুর্ঘটনায় কবলিত হয়ে মৃত্যুবরণ করে, তবে সেসকল মৃত্যুর ক্ষেত্রেই অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে থাকে। অর্থাৎ অপমৃত্যু হয়।&nbsp;&nbsp;অস্বাভাবিক মৃত্যুর ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসারকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলির প্রতি গুরুত্বারোপ করতে হয়।&nbsp;(১) ঘটনাটি হত্যামূলক, আত্মহত্যামূলক না দুর্ঘটনামুলক সে বিষয়ে সঠিকভাবে তদন্ত করতে হবে। পোস্ট মর্টেম রিপোর্টে হত্যামূলক মতামত পাওয়া গেলে এবং তদন্তকালে যদি প্রমাণ পাওয়া যায় যে, খুন করার জন্যে ঐ ঘটনা সংঘট...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:32:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এন্টিমর্টেম ও পোস্টমর্টেম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/entimortem-o-postmortem-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/entimortem-o-postmortem-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জখম বা আঘাত মূলত দুই প্রকার। যথা-(১) সাধরণ জখম এবং(২) গুরুতর জখম।&nbsp;গুরুতর জখম বা আঘাতের জন্যই জখমপ্রাপ্ত ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে থাকে। কোনো ব্যক্তির জীবিত অবস্থায় অর্থাৎ মৃত্যুর পূর্বে যে সকল জখম বা আঘার ঐ ব্যক্তির উপর করা হয়, তাকেই এন্টিমর্টেম বা প্রাক মৃত্যু জখম বা আঘাত বলা হয়। অন্যদিকে পূর্বের কোনো আঘাত বা জখমের জন্য জখমপ্রাপ্ত হয়ে কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলে অথবা স্বাভাবিকভাবে মৃত্যুবরণ করলেও যদি কেউ সেই মৃত্যুদেহের উপর সামান্য বা গুরুতর জখম বা আঘাত করে, তবে মৃত্যু পরবর্তী সেই সকল জখম বা আঘাতকে পোস্টমর্টেম বা মৃত্যু পরবর্তী আঘাত বলা হয়।&nbsp;&nbsp;&nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; &nbsp; অর্থাৎ এন্টিমর্টেম জখম বা আঘাত করা হয় জীবিত ব্যক্তির উপর এবং পোস্টমর্টেম জখম বা আঘাত করা হয় মৃত্যু ব্যক্তির উপর। &nbsp;&nbsp;আঘাতজনিত মামলার তদন্তকালে তদন্তকারী অফিসারকে উল্লিখিত বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার জন্য বেশ গুরুত্বারোপ করে তদন্তকার্য পরিচালনা করতে হয়। য...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:29:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ তদন্তে রক্ত কিভাবে কাজে লাগে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-todonte-rokto-kivabe-kaje-lage" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-todonte-rokto-kivabe-kaje-lage</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রক্ত একশ্রেণীর যোজক কলা। রক্ত ছাড়া জীবন বাঁচে না। উহাতে রক্তরস (Plasma)-তে ভেসে বেড়ায় তিনটি উপাদান। যথা-(১) লোহিত কণিকা (RBC),(২) শ্বেত কণিকা (WBC),(৩) অনুচক্রিকা (Platelets) ইত্যাদি।&nbsp;১৯০০ সালে কার্ল ল্যান্ডস্টাইনার (Karl Landstiner) নামক ভিয়েতনামবাসী একজন বিজ্ঞানী এই রক্তের চারটি শ্রেণী বা গ্রুপ উদ্ভাবন করেন। যেমন-(ক) ‘O’ গ্রুপ, এতে এন্টিজেন নেই, শুধু A ও B এন্টিবডি আছে।&nbsp;(খ) ‘A’ গ্রুপ, এতে এন্টিজেন ‘A’ এবং এন্টিবডি B আছে।&nbsp;(গ) ‘B’ গ্রুপ, এতে এন্টিজেন ‘B’ এবং এন্টিবডি A আছে।&nbsp;(ঘ) ‘AB’ গ্রুপ, এতে এন্টিজেন A ও B আছে এবং এন্টিবডি নেই।&nbsp;&nbsp;উল্লিখিত রক্তের শ্রেণীবিন্যাসের মাধ্যমে অপরাধীকে সনাক্ত করা সম্ভব হয় অনেক ক্ষেত্রে। ফলে তদন্তকারী অফিসার তার তদন্তকাজে মূল অপরাধীর সাথে অপরাধের যোগসূত্র স্থাপন করতে পারেন। একই সন্তানের একাধিক দাবিদার থাকলে পিতৃত্বের/মাতৃত্বের বিরোধ মীমাংসা করা যায়। কোনো ক্ষেত্রে রক্ত শ্রেণীবিন্যাসের...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:26:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হত্যা বা খুন মামলা তদন্তে হাড় ও চুল কি কাজে লাগে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/hotta-ba-khun-mamla-todonte-har-o-cul-ki-kaje-lage" />
            <id>https://biratbazar.com/hotta-ba-khun-mamla-todonte-har-o-cul-ki-kaje-lage</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো হত্যা বা খুন মামলা তদন্তকালে তদন্তকারী অফিসার কয়েক টুকরা হাড় এবং কিছু চুল প্রাপ্ত হয়েছেন। এই হাড়ের টুকরাগুলি তদন্তকারী অফিসার ময়না তদন্তের জন্য মেডিক্যাল অফিসারের নিকট প্রেরণ করলে ডাক্তার হাড়গুলি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে মৃত ব্যক্তির জাতি, লিঙ্গ, বয়স নির্ধারণ করতে পারেন এবং অনেক সময় মৃত ব্যক্তির পূর্ণাংগ পরিচয়ও পাওয়া যেতে পারে। তদন্তকালে এই সকল তথ্য মামলার তদন্তে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। হাড়ের উপর যদি কোনো ক্ষত বা জখম থাকে তবে তার ভিত্তিতে কিভাবে ব্যক্তিটিকে খুন করা হয়েছে অর্থাৎ কি ধরণের অস্ত্রের আঘাতে মৃত্যু ঘটেছে তা জানা সম্ভব হয়। সেই অনুসারে তদন্তকালে কোনো অস্ত্র উদ্ধার হলে আগ্নেয়াস্ত্র বিশারদের পরীক্ষা-নিরীক্ষায় ঘটনার সাথে অপরাধীর যোগসূত্র স্থাপিত হতে পারে।&nbsp;&nbsp;অপরাধ তদন্তে চুলের ভূমিকাঃ চুল হলো একটি বস্তুসাক্ষ্য। ফলে হত্যা মামলায় চুল গুরুত্বপূর্ণ সহায়ক ভূমিকা রাখতে পারে। মৃত ব্যক্তির সাথে ঘটনার সময়ে হয়তো অপরাধীর ধস্তাধ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:25:18 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফরেনসিক সাইন্স (Forensic Science) কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/forensic-science-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/forensic-science-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তদন্তকারী অফিসারকে অপরাধ তদন্তে বিজ্ঞানের সহায়তা নিতে হয়। তাই বিজ্ঞান ভিত্তিক অপরাধ তদন্তে পুলিশের গবেষণাগার রয়েছে। অপরাধ বিজ্ঞানী বার্টিলন, হ্যান্স গ্রস, গ্যাল্টন, হেনরী, লোকার্ড, ককেল প্রমুখ তাদের আবিস্কৃত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি তদন্ত কাজে ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক পুলিশ বিজ্ঞানের সূচনা করেছে। অপরাধ তদন্তকালে ঘটনাস্থল ও পারিপার্শ্বিক দৃশ্যাবলির আলোকে তদন্তকারী অফিসার কার্যক্রম শুরু করেন। তবে দেখার ও বুঝার মধ্যে ভূল থাকতে পারে তাই ঘটনাস্থলে প্রপ্ত আলামত, বস্তু সাক্ষ্য&nbsp; ও অন্যান্য ক্লু সমূহ যথাযথ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের ব্যবস্থা করা একান্ত প্রয়োজন। কিন্তু এইগুলি শুধুমাত্র সংগ্রহ ও সংরক্ষণ করলেই চলবে না, এই সম্পর্কে বিশ্লেষণ ও গবেষণালব্ধ ফলাফল আদালতে পৌছানো জরুরী। অপরাধ তদন্তে বিজ্ঞানের যে শাখা উল্লিখিত বিশ্লেষণ ও গবেষণা করে আদালতে বিচার কার্যে সহায়তার জন্য সুনির্দিষ্ট মতামত প্রদান করে থাকে, তাকেই ফরেনসিক সাইন্স (Forensic Science) বলা হয়। পুলিশের...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:22:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সমাজের অপরাধ প্রতিরোধ, দমন ও সংশোধনের পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/somajer-oporadh-protirodh-domon-o-songsodhoner-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/somajer-oporadh-protirodh-domon-o-songsodhoner-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যেকোনো সমাজে অপরাধ আছে এবং থাকবে। সম্পূর্ণ নিরাময় বা বন্ধ করা সম্ভব নয়। অপরাধ প্রবণতা কমবেশি সবার মাঝেই আছে। অপরাধ আচরণের কারণ বিশ্লেষণ করে এক গবেষণায় অপরাধ বিজ্ঞানী সিজার লম্ব্রোসো এবং তার ছাত্র এনরিকো ও ফেরী অপরাধীদের জন্মগত অপরাধীতত্ব উদ্ভাবন করেন। আবার কেউ কেউ মানসিক বৈকল্য, সামাজিক বিশৃংখলা ইত্যাদিকেও দায়ী করেন। বর্তমান বিশ্বে উন্নত বা অনুন্নত সকল দেশেই অপরাধ প্রবণতা বেড়ে চলছে। তারপরও মানুষ সামাজিক উন্নয়নের জন্য সমাজে আইন শৃংখলা পরিস্থিতি শান্ত রাখার জন্য চেষ্টা করে থাকে। কাজটি পুলিশের হলেও পুলিশ কখনও উহা একা পারেনা। জনসাধারণের সহায়তা নিয়ে করতে হয়। অপরাধ নিয়ন্ত্রণ হলো একটি ব্যাপক কাজ। তবে নিরোধ বা প্রতিরোধমূলক কাজটিই পুলিশকে আগে করতে হয়।&nbsp;&nbsp;(১) প্রতিরোধঃ ইংরেজীতে একটি প্রবাদ আছে “Prevention is better then cure” অর্থাৎ নিরাময় অপেক্ষা প্রতিরোধ শ্রেয়। অপরাধ যাতে ঘটতে না পারে সেজন্য ঘটনা ঘটার পূর্বেই সঠিক সংবাদ সংগ্রহ করে ব্যবস্থ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:19:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হত্যা মামলার ঘটনাস্থলে কি কি আলামত থাকতে পারে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/hotta-mamlar-ghotonasthole-ki-ki-alamot-thakte-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/hotta-mamlar-ghotonasthole-ki-ki-alamot-thakte-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মামলার তদন্তকারী অফিসারকে ঘটনাস্থলে পৌছে সর্বপ্রথম ঘটনাস্থটি সংরক্ষিত করতে হয় এবং চারদিক হতে বেষ্টনী দিয়ে অবাঞ্চিত আগন্তক ব্যক্তিদের চলাচল প্রতিরোধ করতে হয়। কেউ যেনো ঘটনাস্থলের কোনো আলামত নষ্ট করতে বা সরায়ে নিতে না পারে। যে আলামত যেখানে থাকে, সে আলামত সেখানে রেখেই সংরক্ষণ ও সংগ্রহ করতে হয়। তদন্তকারী অফিসার প্রথমেই মৃত দেহের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে ময়না তদন্ত করার জন্য লাশ মর্গে প্রেরণ করবেন। মৃত দেহের সাথে প্রাপ্ত রক্তাক্ত জামা-কাপড় ও অন্যান্য পরিধেয় বস্ত্র এবং ব্যবহৃত বস্তুসহ নিম্নলিখিত সম্ভাব্য আলামত ঘটনাস্থলে ও তার আশে-পাশে অন্বেষণ করে তা জব্দ করবেন।&nbsp;(১) রক্তাক্ত মাটি বা লতাপাতা,(২) আঙ্গুলের ছাপ,&nbsp;(৩) পায়ের ছাপ,&nbsp;(৪) জুতার দাগ বা ছাপ,(৫) জুতা বা স্যান্ডেল,(৬) রং বা তরল কোনো পদার্থ,(৭) আগ্নেয়াস্ত্র,(৮) ধারালো অস্ত্র বা ভোতা অস্ত্র,(৯) জমাট বাধা রক্ত,(১০) ধস্তা-ধস্তির স্থানের ঘাস বা লতা-পাতা,(১১) চুল, পশম বা আঁশ,&nbsp;(...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 12:17:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধীদের তথ্য সংরক্ষণের জন্য থানায় কি পদ্ধতি চালু আছে? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadhider-totho-songrokhoner-jonno-thanay-ki-poddhti-calu-ache" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadhider-totho-songrokhoner-jonno-thanay-ki-poddhti-calu-ache</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশের প্রত্যেক থানাতেই PRB Appendix-XIII এ বর্ণিত রেজিষ্টার ও ফাইলপত্র, অপরাধ ও অপরাধীর তথ্য সংরক্ষণের জন্য নিয়মিত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। অপরাধীদের সম্পর্কে প্রাপ্ত এবং সংগৃহীত তথ্যসমূহ সুনির্দিষ্টভাবে থানার রক্ষিত যেসব রেজিষ্টার ও ফাইলপত্রে নিয়মিতভাবে লিপিবদ্ধ করা হয়ে থাকে তা নিম্নে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হলোঃ&nbsp;(১) প্রাথমিক তথ্য বিবরণীঃ ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারা এবং পিআরবি ২৪৩ প্রবিধান মোতাবেক বিপি ফরম নং ২৭ এর মাধ্যমে ইহা রক্ষণা-বেক্ষণ করা হয়ে থাকে। আমলযোগ্য অপরাধের সংবাদ থানায় প্রাপ্ত হলে অপরাধের বিবরণ,&nbsp; অপরাধীদের নাম ঠিকানা এবং লুন্ঠিত মালামালের বর্ণনা ইহাতে লিপিবদ্ধ করা হয়। ইহাকে এজাহার বহিও বলা হয়। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অপরাধীরা কি ধরণের অপরাধ প্রক্রিয়া (Modus Operandi) অবলম্বন করে তার গুরুত্বপূর্ণ বর্ণনা ইহাতে থাকে।&nbsp;(২) হৈ চৈ বিজ্ঞপ্তি জারীঃ পিআরবি ২৫০ প্রবিধান মোতাবেক পেশাদার এবং ভ্রাম্যমান অপরাধী কর্তৃক কোনো...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:58:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[খুনসহ ডাকাতি মামলার এজাহারে কি কি বিষয় উল্লেখ থাকা আবশ্যক?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/khunsoho-dakati-mamlar-ejahare-ki-ki-bisohy-ullekh-thaka-aboshok" />
            <id>https://biratbazar.com/khunsoho-dakati-mamlar-ejahare-ki-ki-bisohy-ullekh-thaka-aboshok</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডাকাতি একটি জঘন্য অপরাধ। খুনসহ ডাকাতি আরও জঘন্য। তাই খুনসহ ডাকাতির অভিযোগ যখন থানায় পৌঁছে তখন অফিসার ইনচার্জ সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান করে এই অপরাধের সঠিকভাবে মামলা রুজুর ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারা এবং পিআরবি ২৪৩ প্রবিধান মোতাবেক বিপি ফরম নং ২৭ এর মাধ্যমে মামলা রুজু করতে হবে। এই ক্ষেত্রে মৌখিক এজাহার গ্রহণ কপরতে হবে, লিখিত এজাহার গ্রহণ করা যাবে না। এজাহার লিপিবদ্ধ করার পর এজাহারকারীকে এজাহার পড়ে শুনাইতে হবে। এজাহারে বাদীর স্বাক্ষর নিতে হবে এবং নিজেকেও নাম পদবীসহ স্বাক্ষর করতে হবে। এজাহার লিপিবদ্ধ করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলি এজাহারে সন্নিবেশিত করতে হবেঃ &nbsp;(১) ঘটনার তারিখ ও সময় বাংলা এবং ইংরেজিতে লিখতে হবে।&nbsp;(২) এজাহারের বক্তব্য অনুসারে দন্ডবিধির ৩৯৬ ধারায় মামলা রুজু করতে হবে এবং সংক্ষিপ্ত বিবরণ লিখতে হবে।&nbsp;(৩) ডাকাতদল কর্তৃক লুন্ঠিত মালামালের বিবরণ এবং মূল্য তালিকা দিতে হবে।&nbsp;(৪) সন্দিগ্ধ আসামীর নাম এজ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:55:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এসআর মামলা কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/sr-mamla-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/sr-mamla-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[খুনসহ ডাকাতি মামলা পুলিশী কার্যক্রমে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় এবং চাঞ্চল্যকর মামলা হিসাবে গণ্য। পিআরবি ১১১৬ প্রবিধান মোতাবেক এই ধরণের মামলা বিশেষ রিপোর্ট (SR) মামলা হিসেবে চিহ্নিত করা হয়ে থাকে এবং উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ এসআর মামলা সম্পর্কে বিশেষ দৃষ্টি দিয়ে থাকেন। প্রত্যেকটি এসআর মামলাই পুলিশ সুপার তদন্ত তদারকী করে থাকেন। তাই এই ধরণের মামলা রুজু হওয়ার পর হতে সঠিক তদন্ত ও মামলাটি আদালতে চুড়ান্তভাবে নিস্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত বিশেষ গুরুত্ব সহকারে নজরদারী করা হয়ে থাকে। থানার অফিসার ইনচার্জকে ব্যক্তিগতভাবে এই ধরণের মামলা রুজু করে তদন্তের ব্যবস্থা করতে হয়।&nbsp;&nbsp;এসআর মামলার এজাহার লিপিবিদ্ধ করার সময় নিম্নলিখিত বিষয়গুলির প্রতি লক্ষ্য রেখে কার্যক্রম গ্রহণ করতে হয়। যাতে এজাহারে কোনোরূপ ত্রুটি বিচ্যুতি না থাকে।&nbsp;(১) সর্বপ্রথম প্রাপ্ত সংবাদটিকে এজাহার হিসেবে গণ্য করতে হবে। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৪ ধারা এবং পিআরবি ২৪৩ প্রবিধান)।&nbsp;(২) প্রাথমিক তথ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:52:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলার ব্রিফ কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamlar-brif-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/mamlar-brif-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিআরবি ৪৪৪ প্রবিধান মোতাবেক কোনো মামলার তদন্ত কার্য শেষ হওয়ার পর অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে পর্যাপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭০ ধারা অনুসারে মামলার তদন্তকারী অফিসার ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৩ ধারার বিধানমতে চুড়ান্ত পুলিশ রিপোর্ট আদালতে দাখিল করেন। অভিযোগপত্র দাখিল করা হলে কোর্ট অফিসার মামলার এফআইআর, সাক্ষীর স্মারকপত্র (Memo of Evidence), মামলার কেস ডায়েরী, আলামত এবং দলিলপত্র পর্যবেক্ষণ ও পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বিপি ফরম নং ৪১ এর মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট মামলার যে সংক্ষিপ্তসার প্রস্তুত করেন তাকেই ব্রিফ বলা হয়।&nbsp;&nbsp;ব্রিফ প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যঃ তদন্তকালে মামলার তদন্তকারী অফিসারের ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত কিছু কিছু ত্রুটি বা অবহেলা তদন্তের ক্ষেত্রে থেকে যায়, যাতে কোর্টে মামলা পরিচালনার ক্ষেত্রে এবং অভিযুক্ত আসামীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলাটি প্রমাণ করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। সেইক্ষেত্রে সংশোধনযোগ্য ত্রুটিসমূহ দূরীভুত করার নিমিত্তে তদন্তকারী...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:50:19 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদক বলতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/madok-bolte-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/madok-bolte-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদক শব্দের অভিধান সম্মত অর্থ হলো মত্ততাদায়ক বা মত্ততা উৎপাদক। সুতরাং মাদকদ্রব্য হলো মত্ততাদায়ক দ্রব্য অর্থাৎ নেশার বস্তু। যে বস্তু সেবনে বা গ্রহণে মত্ততা বা নেশার উদ্রেক হয় তাই মাদকদ্রব্য। মদ হতে এই শব্দটির উৎপত্তি। মাদক শব্দটি বিশেষণ এবং মাদকদ্রব্য হলো বিশেষ্য।&nbsp;&nbsp;মাদকদ্রব্যের ইংরেজী প্রতি শব্দ হিসেবে Drug কে উল্লেখ করা যায়। যাকে ঔষধ বলা যায়। তবে বিশেষ ঔষধ। অন্যদিকে যে দ্রব্য বা রসায়ন যা শরীরে ক্রিয়া প্রকাশ করে তা বুঝায়। সব ঔষধ শরীরে ক্রিয়া প্রকাশ করে থাকে। তবে আসক্তি জন্মায় না। কিন্তু মাদকদ্রব্য শরীরে প্রবিষ্ট হলে আসক্তি জন্মে। অর্থাৎ একবার শরীর গ্রহণ করলে পরবর্তীতে বা নির্দিষ্ট সময়ে ঐ দ্রব্য গ্রহণের জন্য প্রবল আকাংখার সৃষ্টি হয়। ফলে পুনরায় মাদকদ্রব্য গ্রহণ করতে হয়। এভাবেই আসক্তি বৃদ্ধি পেয়ে প্রবল নেশায় পরিণত হয়। ফলে একজন মাদকাসক্ত ব্যক্তির মধ্যে নিম্নরূপ বৈশিষ্টের সৃষ্টি হয়।(ক) মাদকদ্রব্য গ্রহণের প্রবল আকাংখা ও প্রয়োজন হয় এবং...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:48:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ময়নাতদন্ত ছাড়াই মৃতদেহ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারের করণীয় কি? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/moynatodonto-charai-mritodeho-hostantorer-khettre-police-officerer-korneyo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/moynatodonto-charai-mritodeho-hostantorer-khettre-police-officerer-korneyo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান মোতাবেক থানার অফিসার ইনচার্জ এবং তার অধঃস্তন পুলিশ অফিসার আত্মহত্যা, বিষ প্রয়োগে মৃত্যু, দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যু এবং সন্দেহজনক মৃত্যু ইত্যাদি সম্পর্কে তদন্ত অথবা অনুসন্ধান করতে পারেন (পিআরবি ২৯৯ প্রবিধান)।&nbsp;&nbsp;আত্মহত্যা, বিষ প্রয়োগে মৃত্যু, দুর্ঘটনা জনিত মৃত্যু এবং সন্দেহজনক মৃত্যুর ঘটনা সংক্রান্তে কেহ যদি আমলযোগ্য অপরাধের সংশ্লিষ্টতা সম্পর্কে কোনোরূপ বক্তব্য প্রদান না করে বা পুলিশের গোপন তদন্তেও কোনোরূপ সন্দেহের সৃষ্টি না হয়, ভিকটিমের নিকট আত্মীয়-স্বজন বা প্রতিবেশী কোনোরূপ অভিযোগ বা সন্দেহ না করে তবে সেইক্ষেত্রে পুলিশ অফিসার লাশের সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত পূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণ করে উহা ধর্মীয় বিধি-বিধান মোতাবেক মৃত্যুদেহ সৎকারের আদেশ দিতে পারেন। সুরতহাল রিপোর্ট অবশ্যই প্রস্তুত করতে হবে, ইহার বিকল্প নেই। সুরতহাল রিপোর্টে উপস্থিত ব্যক্তিগণকেও স্বাক্ষর করতে হবে (ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪(২) ধারা)। পুলিশ এই...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:40:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জেলখানায় সাজাপ্রাপ্ত আসামীর সাথে সাক্ষাতের বিধানাবলী কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jelkhanay-sajaprapto-asamir-sathe-sakshater-bidhanaboli-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jelkhanay-sajaprapto-asamir-sathe-sakshater-bidhanaboli-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিআরবি ৪৮৯ প্রবিধান অনুসারে যখন কোনো বন্দী বিচারের জন্য আদালতের এক্তিয়ারে থাকবে, তখন সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারকের লিখিত অনুমতি নিতে হবে অথবা জেলা ম্যজিষ্ট্রেটের নিকট হতে অনুমোদন গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায়&nbsp; অপরাধীর সহিত জেলখানায় সাক্ষাৎ করা যাবে না। সাক্ষাৎ প্রার্থীকে লিখিত আবেদন করতে হবে। তবে কোর্ট ফি লাগবে না। আত্মীয়-স্বজন এবং অপরাধীর নিয়োগকৃত আইনজীবি এইরূপ আবেদন করতে পারবেন।&nbsp;&nbsp;অন্যদিকে পুলিশ অফিসারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্তের প্রয়োজনে আসামীর নিকট হতে কোনো তথ্য সংগ্রহের প্রয়োজন হলে তিনি উল্লিখিত নিয়মে কর্তৃপক্ষের নিকট হতে লিখিত অনুমতি গ্রহণ পূর্বক জেলখানার জেল সুপারকে অবহিত করে অথবা পুলিশ অফিসার সরাসরি জেল সুপারের অনুমোদন নিয়ে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীর সহিত সাক্ষাৎ করতে পারেন। জেল কোডের ৬৬৬ বিধি মোতাবেক জেল সুপার লিখিত আদেশ দিলে সাজাপ্রাপ্ত অপরাধীর সহিত সাক্ষাৎ করে তদন্তকারী অফিসার মামলার তদন্ত সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করতে পারেন।...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:38:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুয়োমটো মামলা কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/suyomoto-mamla-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/suyomoto-mamla-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় এজাহারকারী বা বাদী নিজেই অপরাধ করে নিজেকে নির্দোষ প্রমাণ করার জন্য অথবা অপরাধ থেকে বচার জন্য মামলা দায়ের করে থাকে। এজাহারকারী বা বাদী মামলার ঘটনার সহিত জড়িত থাকার সাক্ষ্য প্রমাণ তদন্তে পাওয়া গেলে তিনিও আসামী হতে পারেন। এই ক্ষেত্রে আদালতে মামলার বিচারকালে বাদীপক্ষের সাক্ষ্য গ্রহণের সময় বাদীকে দিয়ে অপরাধ প্রমাণ করা যাবে না। কারণ আসামী হিসেবে তিনি আদালতে সাক্ষীর কাঠগড়ায় শপথ বাক্য পাঠ করে সাক্ষ্য দিতে পারবেন না। এজাহারকারী বা বাদী যখন আসামীর পর্যায়ভুক্ত হবে সেই ক্ষেত্রে তদন্তকারী অফিসার দুইটি পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারেন। যেমন-(১) অভিযোগপত্র দাখিল করার সময় অভিযোগপত্রে এজাহারকারীকে বা বাদীকে আসামীর কলামে দেখাতে হবে এবং অভিযোগপত্রে সাক্ষীর কলামে বাদীর নাম দেখানো যাবে না। অভিযোগপত্রের প্রথম কলামে বাদী অভিযোগকারী হিসেবে ঠিকই থাকবে কিন্তু অভিযোগপত্রের ভিতরে বাদী আসামী পর্যায়ভুক্ত হওয়ার বিশদ বিবরণ উল্লেখ করতে হবে।&nbsp;(২) অভিযোগ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:35:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মাদকদ্রব্য সেবনের কারণ এবং এর প্রতিরোধ কল্পে পুলিশের করণীয় কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/madokdrobbo-seboner-karon-ebong-er-protirodh-kolpe-policer-korniyo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/madokdrobbo-seboner-karon-ebong-er-protirodh-kolpe-policer-korniyo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মাদকদ্রব্য বা নেশার বস্তুর সাথে মানুষ সেই আদিকাল হতেই সম্পৃক্ত। তাই মাদকদ্রব্য বা নেশার ইতিহাস এবং মানব সভ্যতার ইতিহাস দুটিই সমান। সমাজ বিবর্তনের সাথে সাথে মাদকদ্রব্যের প্রকারভেদও দেখা যায়। মানুষ একের পর এক নতুন নতুন মাদকদ্রব্য আবিষ্কার করে চলছে এবং সেগুলি নানাভাবে সমাজে অনুপ্রবেশ করে সমাজকে কলুসিত করছে। প্রাচীনকালে বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান, আনন্দ-উৎসব এবং ধর্মীয় উৎসবে মাদকদ্রব্য নেশার বস্তু হিসেবে ব্যবহৃত হতো। কিন্তু বর্তমানে মাদকদ্রব্যের ব্যবহার সারাবিশ্বে ভয়াবহ আতংক সৃষ্টি করছে। ফলে মানবজাতি আজ সামাজিক অবক্ষয় ও বিশাল হুমকির সম্মুখিন। মাদকদ্রব্যের ব্যবহার চোরাচালনীতে বিস্তারলাভ করেছে এবং বর্তমানে তরুণসমাজ দারুণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। দিন দিন এর প্রবণতা বেড়েই চলছে। বাংলাদেশ পুলিশ সহ মাদকদ্রব্য অধিদপ্তর এর প্রবণতা রোধে কাজ করছে, তার পরেও মাদকদ্রব্য ব্যবহারের প্রবণতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মাদকদ্রব্য সেবনের নানাবিধ কারণ রয়েছে। তারমধ্যে কিছু কারণ নিম্নে উল্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:31:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জেলা বিশেষ শাখা বা District Special Branch (DSB) এর কাজ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jela-bishes-shakha-ba-district-special-brnch-dsb-er-kaj-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jela-bishes-shakha-ba-district-special-brnch-dsb-er-kaj-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জেলার যাবতীয় পুলিশি কার্যক্রম একজন পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে পরিচালিত হয়ে থাকে। তিনি জেলার সার্বিক বিষয়াদির সমন্বয় করে থাকেন। প্রত্যেক জেলাতেই সরকারি অনুমোদনক্রমে পুলিশের একটি বিশেষ শাখার কার্যক্রম পরিচালিত হয়। পুলিশ সুপার সেই বিশেষ শাখারও পুলিশ সুপারের দায়িত্ব পালন করে থাকেন। তাই তিনি পুলিশ সুপার, জেলা বিশেষ শাখা হিসেবেও পরিচিত। জেলা বিশেষ শাখার যাবতীয় কার্যাবলী ডিএসবি ম্যানুয়েল ১০০/১০১ ধারা মোতাবেক চলে। এই শাখা District Special Branch (DSB) নামে পরিচিত। জেলা বিশেষ শাখায় জেলা পুলিশের সদস্যরা এবং পুলিশে কর্মরত সিভিল কর্মচারীগণ সকলে সিভিল বা সাদা পোষাকে দায়িত্ব পালন করে থাকেন। এই শাখার পুলিশ সদস্যগণ জেলার রাজনৈতিক এবং অরাজনৈতিক সকল কার্যকলাপের সংবাদ সংগ্রহ করে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে যথাসময়ে অবহিত করে থাকেন, যাতে দ্রুত প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়।&nbsp;&nbsp;জেলা বিশেষ শাখা বা District Special Branch (DSB) এর দায়িত্বে একজন পুলিশ পরিদর্শক...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:29:33 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজনৈতিক সন্দিগ্ধ ব্যক্তি বলতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/rajnoitik-sondigdho-bakti-bolte-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/rajnoitik-sondigdho-bakti-bolte-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশের সরকার বিরোধী কার্যকলাপে যারা লিপ্ত থাকে বা লিপ্ত থাকে বলে যাকে সন্দেহ করা হয়, সেই সকল ব্যক্তিকেই রাজনৈতিক সন্দিগ্ধ ব্যক্তি বলা হয়। উক্ত ব্যক্তিদের অজান্তে বা অলক্ষেই সরকার কোনো সংস্থার মাধ্যমে তাদের কার্যকলাপ সম্পর্কে গোপনে নিরীক্ষা বা পর্যবেক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে। রাজনৈতিক সন্দিগ্ধ ব্যক্তি সাধারণত তিন প্রকার। যেমন-(ক) এক তারকা বিশিষ্ট,(খ) দুই তারকা বিশিষ্ট এবং(গ) তারকা বিহীন।রাজনৈত্যিক সন্দিগ্ধ ব্যক্তিদেরকে রাজনীতিতে তাদের গুরুত্বের বিষয়টি বিবেচনা করে তাদেরকে তারকা চিহ্নিত করা হয়। এক তারকা বিশিষ্ট সন্দিগ্ধ ব্যক্তিগণ অধিক গুরুত্বপূর্ণ। দুই তারকা বিশিষ্ট সন্দিগ্ধ ব্যক্তিগণ, এক তারকা বিশিষ্ট সন্দিগ্ধ ব্যক্তিদের তুলনায় কম গুরুত্বপূর্ণ। তারকা বিহীন সন্দিগ্ধ ব্যক্তিগণ এক ও দুই তারকা বিশিষ্ট সন্দিগ্ধ ব্যক্তিদের তুলনায় আরও কম গুরুত্বপূর্ণ।&nbsp;&nbsp;জেলা বিশেষ শাখা বা District Special Branch (DSB) এর করণীয়ঃ&nbsp;(১) রাজনৈতিক সন্দি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:26:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কর্তৃক আটককৃত মালামাল নিস্পত্তির বিধান কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kortrik-atokkrito-malamal-nispottir-bidhan-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kortrik-atokkrito-malamal-nispottir-bidhan-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ৫১ ও ৫২ ধারার বিধান অনুসারে পুলিশ আটককৃত ব্যক্তির দেহ তল্লাশী করে থাকেন। উক্ত ব্যক্তির পরিধেয় বস্ত্র ছাড়া যা কিছু পাওয়া যাবে তা কথিত চোরাইমাল বা সন্দিগ্ধ চোরাই বা অপরাধ সংঘটনে জড়িত কোনো মালামাল হিসেবে পুলিশ আটক করতে পারেন (ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫০ এবং পিআরবি ৩২২ প্রবিধান)।&nbsp;&nbsp;আটককৃত মালামাল নিস্পত্তিঃ&nbsp;(১) পুলিশ কর্তৃক আটককৃত মালামাল সম্পর্কে সঙ্গে সঙ্গে ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাতে হবে। ম্যাজিষ্ট্রেট যথাবিহিত ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন (ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা এবং পুলিশ আইন ২৫ ধারা)।&nbsp;(২) আটককৃত সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তি যোগ্য বিবেচিত হলে ম্যাজিষ্ট্রেট মালামাল ফেরত দিতে পারেন।(৩) সম্পত্তির অধিকারী ব্যক্তি যদি অজ্ঞাত হয়, ম্যাজিষ্ট্রেট উক্ত সম্পত্তি আটক করে একটি ঘোষণাপত্র প্রচার করবেন এই মর্মে যে, ৬ মাসের মধ্যে প্রকৃত মালিক দাবী পেশ করতে পারবে (ফৌজদারী কার্যবিধির ৫২৩ ধারা এবং পুলিশ আইন ২৬ ধারা।&nbsp;(৪) ৬ মাসের মধ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:24:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলা প্রত্যাহারের বিধান কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamla-prottaharer-bidhan-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-prottaharer-bidhan-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯২ ধারার বিধান মোতাবেক সরকার মামলা পরিচালনার জন্য পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) নিয়োগ করতে পারেন। পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কোনো প্রকার লিখিত কর্তৃত্ব ছাড়াই আদালতে হাজির হতে ও মামলা পরিচালনা করতে পারেন (ফৌদারী কার্যবিধির ৪৯৩ ধারা)।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৪ ধারায় মামলা প্রত্যাহারের বিধান রয়েছে। উক্ত ধারার বিধান অনুসারে পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) আদালতের অনুমতি নিয়ে কোনো ব্যক্তির বিরুদ্ধে আনীত মামলা সাধারণভাবে বা যে সকল অপরাধে তার বিচার হচ্ছে তা যেকোনো এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে মামলা পরিচালনা প্রত্যাহার করতে পারবে এবং এই প্রত্যাহারের ফলে-(ক) চার্জ প্রণয়নের পূর্বে মামলা প্রত্যাহারের আবেদন করা হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে আসামীকে অব্যাহতি প্রদান করতে হবে।(খ) চার্জ প্রণয়নের পর মামলা প্রত্যাহারের আবেদন&nbsp; করা হলে অথবা এই বিধির অধীন কোনো চার্জ প্রণয়ন প্রয়োজন না হলে উক্ত এক বা একাধিক অপরাধ সম্পর্কে আসামীকে খালাস...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:21:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ হেফাজতে আসামীর মৃত্যু হলে করণীয় কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-hefajote-asamir-mrittu-hole-koroniyo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-hefajote-asamir-mrittu-hole-koroniyo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৬(১) ধারার বিধান অনুসারে কোনো ব্যক্তি পুলিশের হেফাজতে থাকাকালে মারা গেলে সুরতহাল তদন্ত পরিচালনার ক্ষমতা সম্পন্ন নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেট অবশ্যই মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে পুলিশ অফিসার কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও অথবা এরূপ তদন্তের অতিরিক্ত তদন্ত করবেন। &nbsp;&nbsp;পুলিশের করণীয়ঃ&nbsp;(১) পুলিশ হেফাজতে কোনো আসামী মারা গেলে থানার ডিউটিরত অফিসার সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি অফিসার ইনচার্জকে অবহিত করবেন এবং মৃত্যুজনিত সমস্ত ঘটনা সাধারণ ডায়রীতে লিপিবদ্ধ করবেন। অফিসার ইনচার্জ থানায় হাজির থাকলে বিষয়ট তাৎক্ষণিক পুলিশ সুপারকে সহ নিকটতম ম্যাজিষ্ট্রেটকে জানাবেন (পুলিশ আইনের ২৪ ধারা এবং পিআরবি ৩০২(খ) প্রবিধান)। অফিসার ইনচার্জ থানায় হাজির না থাকলে অন্য যে অফিসার থানার দায়িত্বে থাকবেন সেই উপরোক্ত কাজ করবেন।(২) ফৌজদারী কার্যবিধির ১৭৪ ধারার বিধান অনুসারে থানার অফিসার ইনচার্জ একটি অপমৃত্যু মামলা রুজু করবেন এবং ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক তদন্ত ছাড়াও পুলিশ কর্তৃক তদন্তের...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:20:43 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলার তদন্ত কখন শুরু হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamlar-todonto-kokhon-suru-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/mamlar-todonto-kokhon-suru-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[থানায় এজাহার পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে মামলার তদন্ত শুরু হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৬ ধারার বিধান অনুসারে থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ম্যাজিষ্ট্রেটের নির্দেশ ছাড়াই তদন্ত শুরু করতে পারেন। তাছাড়াও ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৭(১) ধারার বিধান মতে অফিসার ইনচার্জ (ওসি) তার কোনো অধস্তন অফিসারকে যিনি সরকার কর্তৃক এ সম্পর্কে সাধারণ বা বিশেষ আদেশ দ্বারা নির্ধারিত পদ অপেক্ষা নিম্ন পদস্থ নয় এমন কোনো অফিসারকে তদন্ত করার নির্দেশ দিতে পারেন। এছাড়াও যে কোনো উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার তদন্ত করতে পারেন। তদন্ত করা পুলিশের দয়িত্ব। পুলিশের তদন্তের কাজে ম্যাজিষ্ট্রেট বা অন্য কোনো বিচারক হস্তক্ষেপ করতে পারবেন না। এজাহার গ্রহণ করার পর পরই থানায় হউক বা ঘটনাস্থলে হউক পুলিশ অফিসার যা কিছু করবেন তাই তদন্ত বলে গণ্য হবে। যেমন-&nbsp;(১) ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা,(২) আলামত জব্দ করা,(৩) সাক্ষীর জবানবন্দী গ্রহণ করা,&nbsp;(৪) আসামী গ্রেফতার করা,(৫) আসামীর দেহ বা বাড়ি তল্লাশী করা,&nbsp;(৬) চোরাই মা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 16 Apr 2025 09:18:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সালের ১১তম বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (BPL) ক্রিকেটে চ্যাম্পিয়ন হয় কোন দেশ ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2025-saler-11tomo-bangladesh-premire-league-bpl-cricket-champion-hoy-kon-desh" />
            <id>https://biratbazar.com/2025-saler-11tomo-bangladesh-premire-league-bpl-cricket-champion-hoy-kon-desh</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 10 Apr 2025 04:59:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৪ সালের আইসিসি বর্ষসেরা ক্রিকেটার কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2024-saler-icc-borshosera-crickter-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/2024-saler-icc-borshosera-crickter-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 06 Apr 2025 03:00:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা একাডেমির ২০২৪ সালের সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহ্‌ সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কে কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/bangla-academyr-2024-saler-soiyod-waliullah-sahitto-purskar-lav-koren-ke-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/bangla-academyr-2024-saler-soiyod-waliullah-sahitto-purskar-lav-koren-ke-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 05 Apr 2025 09:10:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা একাডেমির ২০২৫ সালের কবি জসীমউদ্‌দীন সাহিত্য পুরস্কার লাভ করেন কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/bangla-academyr-2025-saler-kobi-josimuddin-sahitto-puroskar-lav-koren-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/bangla-academyr-2025-saler-kobi-josimuddin-sahitto-puroskar-lav-koren-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 05 Apr 2025 07:02:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সালের একুশে পদক লাভ করেন কতজন ব্যক্তি/দল ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2025-saler-ekushe-podok-lav-koren-kotojon-bekti-dol" />
            <id>https://biratbazar.com/2025-saler-ekushe-podok-lav-koren-kotojon-bekti-dol</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০২৫ সালের একুশে পদক পেয়েছে যারা

- ক্রীড়ায় একুশে পদক পেয়েছে বাংলাদেশ জাতীয় নারী ফুটবল দল।

- গবেষণায় একুশে পদক পেয়েছেন মঈদুল হাসান (মূলধারা ৭১-এর রচয়িতা)।

- ভাষা ও সাহিত্যে মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক শহীদুল জহির (মো. শহীদুল হক) এবং কবি হেলাল হাফিজ।

- সংস্কৃতি ও শিক্ষায় একুশে পদক পেয়েছেন খ্যাতিমান ফটোগ্রাফার, মানবাধিকার কর্মী এবং দৃকের প্রতিষ্ঠাতা ড. শহীদুল আলম।

- বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অবদানের জন্য একুশে পদক পেয়েছেন মেহেদী হাসান খান (অভ্র কী-বোর্ডের উদ্ভাবক)।

- সাংবাদিকতায় মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন বিশিষ্ট সাংবাদিক মাহফুজ উল্লাহ, আর সাংবাদিকতা ও মানবাধিকারে একুশে পদক পেয়েছেন মাহমুদুর রহমান।

- চলচ্চিত্রে মরণোত্তর একুশে পদক পেয়েছেন খ্যাতিমান পরিচালক আজিজুর রহমান (ছুটির ঘণ্টা ও অন্যান্য চলচ্চিত্রের নির্মাতা)।

- সংগীতে একুশে পদক পেয়েছেন উস্তাদ নীরদ বরণ বড়ুয়া (মরণোত্তর) এবং ফেরদৌস আরা।

- আলোকচিত্রে একুশে পদক পেয়েছেন ন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 03 Apr 2025 06:19:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['জীবনজালের এপার-ওপার' নামক আত্মজীবনীর লেখক কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/jibonjaler-epar-opar-namok-attojibonir-lekhok-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/jibonjaler-epar-opar-namok-attojibonir-lekhok-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৯৭৪ সালে ঢাকায় প্রেস ক্লাবেই প্রথম টুর্নামেন্ট খেলতে এসে রানার আপ হয়েছিলেন লিনু। লিনু তখন এত ছোট যে টেবিলটাও ঠিকঠাক নাগাল পায় না। লাফিয়ে লাফিয়ে সেই ছোট্ট মেয়েটার খেলা দেখে তখন মুগ্ধ হয়েছিল সবাই। ছোট্ট লিনুই এরপর রাজত্ব করেছেন টেবিল টেনিস অঙ্গনে। এমনই যে টানা ১৬ বার চ্যাম্পিয়ন হয়ে বাংলাদেশের প্রথম ক্রীড়াবিদ হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে নাম তুলেছেন। গ্ল্যামার ও খেলোয়াড়ি দ্যুতিতে নারী ক্রীড়াঙ্গনের অন্যতম সেরা তারকা হয়ে উঠেছেন। সেই লিনুরই জীবনকথা ‘জীবনজালের এপার-ওপার’।]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 02 Apr 2025 04:19:16 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ম্রো ভাষার প্রথম চলচ্চিত্রের নাম কি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/mro-vashar-prothom-coloccitrer-nam-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mro-vashar-prothom-coloccitrer-nam-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 29 Mar 2025 22:59:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সালের ৬৭তম গ্যামি অ্যাওয়ার্ডে বিজয়ী হন কোন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2025-saler-67-tomo-gyami-award-e-bijyee-hon-kon-sabek-markin-president" />
            <id>https://biratbazar.com/2025-saler-67-tomo-gyami-award-e-bijyee-hon-kon-sabek-markin-president</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[-: গ্যামি অ্যাওয়ার্ড সম্পর্কে কিছু কথা :- 

গ্র্যামি পুরস্কার (বা গ্র্যামি আওয়ার্ড) হল মার্কিন দ্য রেকর্ডিং অ্যাকাডেমি কর্তৃক প্রবর্তিত বার্ষিক পুরস্কার যা সঙ্গীত শিল্পে অসাধারণ কৃতিত্ত্ব প্রদান করে। এটি ১৯৫৮ সালে প্রবর্তিত হয়। ১৯৭১ সাল পর্যন্ত এই পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান নিউ ইয়র্ক এবং লস এঞ্জেলেসে অনুষ্ঠিত হত। এটি আমেরিকার সবচেয়ে সম্মানজনক সঙ্গীত পুরস্কার।]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 29 Mar 2025 10:13:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['আসমান' কোন ভাষা থেকে আগত শব্দ ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/asman-kon-vasha-theke-agoto-sobdo" />
            <id>https://biratbazar.com/asman-kon-vasha-theke-agoto-sobdo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কালক্রমে ব্যবসা বাণিজ্যের নামে নানান দেশ উপনিবেশ করেছিলো এই বাংলায়। তাদের উপনিবেশিকতার কারণে বাংলা ভাষায় অনেক বিদেশি শব্দের অনুপ্রবেশ ঘটে। তার মাঝে আসমান একটি শব্দ। যা ফারসি ভাষা থেকে অনুপ্রবেশ করেছে বাংলায়। এছাড়া অন্য ভাষা থেকে আগত শব্দগুলো হলো-

**ক) আরবি শব্দ:**

- **ধর্ম সংক্রান্ত শব্দ:** আল্লাহ্‌, ইসলাম, ঈমান, ওজু, কোরবানি, কুরআন, কিয়ামত, গোসল, জান্নাত, জাহান্নাম, তওবা, তসবি, যাকাত, হজ্জ, হাদিস, হারাম, হালাল ইত্যাদি।
  
- **প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ:** আদালত, আলেম, ইনসান, ঈদ, উকিল, ওজর, এজলাস, এলেম, কানুন, কলম, কিতাব, কেচ্ছা, খারিজ, গায়েব, দোয়াত, নগদ, বাকি, মহকুমা, মুন্সেফ, মোক্তার, রায় ইত্যাদি।
  

**খ) ফারসি শব্দ:**

- **ধর্ম সংক্রান্ত শব্দ:** খোদা, গুনাহ, দোজখ, নামাজ, পয়গম্বর, ফেরেশতা, বেহেশত, রোজা ইত্যাদি।
  
- **প্রশাসনিক ও সাংস্কৃতিক শব্দ:** কারখানা, চশমা, জবানবন্দি, তারিখ, তোশক, দফতর, দরবার, দোকান, দস্তখত, দৌলত, নালিশ, বাদশা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 27 Mar 2025 23:23:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর' কার লেখা ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/amar-dekha-rajnitir-poncas-bochor-kar-lekha" />
            <id>https://biratbazar.com/amar-dekha-rajnitir-poncas-bochor-kar-lekha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আবুল মনসুর আহমদের রাজনীতি বিষয়ক গ্রন্থ 'আমার দেখা রাজনীতির পঞ্চাশ বছর'। তিনি ১৯৫৪ সালের যুক্তফ্রন্ট মন্ত্রিসভার স্বাস্থ্যমন্ত্রী এবং ১৯৫৬-৫৭ পর্যন্ত সোহরাওয়ার্দী মন্ত্রিসভার শিল্প ও বাণিজ্যমন্ত্রী ছিলেন। তার রচিত উপন্যাস- সত্য মিত্যা, জীবনক্ষুধা, আবে হায়াত ইত্যাদি। তার রচিত গল্পগ্রন্থ- আয়না, ফুড কনফারেন্স, আসমানী পর্দা ইত্যাদি।]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 24 Mar 2025 01:12:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলা সাহিত্যে প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিকের নাম কি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/bangla-sahitte-prothom-mohila-upnnasiker-nam-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bangla-sahitte-prothom-mohila-upnnasiker-nam-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্বর্ণকুমারী দেবী (১৮৫৫) দীপনির্বাণ নামক উপন্যাস প্রকাশ করে বাংলা সাহিত্যের প্রথম মহিলা ঔপন্যাসিক পদবী সংগ্রহ করেন। তিমি একাধারে কবি, নাট্যকার, সাংবাদিক ও সমাজকর্মী ছিলেন। তিনি জোড়াসাকোঁর ঠাকুর পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। স্বর্ণকুমারী দেবেন্দ্রনাথ ঠাকুর এর দশম সন্তান এবং রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর ভগ্নী। সমকালীন রীতি অনুযায়ী স্বর্ণকুমারী বাড়িতে শিক্ষালাভ করেন। বারো বছর বয়সে তাঁকে ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেট জানকীরাম ঘোষালের সাথে বিয়ে দেয়া হয়। তাঁর স্বামী কলকাতার ভদ্রলোক সমাজের একজন প্রগতিশীল সদস্য ছিলেন। তিনি তাঁর স্ত্রীকে লেখালেখি ও সমাজ সেবার কাজে উৎসাহিত করেন। ছোটবেলা থেকেই স্বর্ণকুমারী সাহিত্যের ক্ষেত্রে প্রতিভার ছাপ রাখেন এবং জোড়াসাঁকোর সাংস্কৃতিক পরিমন্ডল ও সাহিত্য কর্মকান্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেন।

স্বর্ণকুমারী দীর্ঘ ত্রিশ বছর মাসিক ভারতী পত্রিকার লেখক ও সম্পাদক হিসেবে খ্যাতি লাভ করেন। তার রচিত উল্লেখযোগ্য উপন্যাস - দীপনির্বাণ (প্রথম; ১৮...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 22 Mar 2025 06:24:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[USAID কোন দেশের বৈদেশিক সাহায্য সংস্থা ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/usaid-kon-desher-boidesik-sahazzo-songstha" />
            <id>https://biratbazar.com/usaid-kon-desher-boidesik-sahazzo-songstha</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 20 Mar 2025 23:30:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভারতের দিল্লির চতুর্থ নারী মুখ্যমন্ত্রী কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/varoter-delhir-coturtho-nari-mukhomontri-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/varoter-delhir-coturtho-nari-mukhomontri-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 20 Mar 2025 00:00:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যুক্তরাষ্ট্রের কোন প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান পানির নিচে Project Waterworth নামে বিশ্বের দীর্ঘতম কেবল প্রকল্প নির্মাণ করবে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/zuktorashtrer-kon-prozukti-protishthan-panir-nice-project-waterworth-name-biswer-dirghotomo-cable-prokolpo-nirman-korbe" />
            <id>https://biratbazar.com/zuktorashtrer-kon-prozukti-protishthan-panir-nice-project-waterworth-name-biswer-dirghotomo-cable-prokolpo-nirman-korbe</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 19 Mar 2025 02:23:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[২০২৫ সাল অবধি বিশ্বের বৃহত্তম সাহায্য দাতা দেশ কোনটি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/2025-sal-obodhi-bisser-brihottomo-sahazzo-data-desh-konti" />
            <id>https://biratbazar.com/2025-sal-obodhi-bisser-brihottomo-sahazzo-data-desh-konti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 19 Mar 2025 00:38:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা কোম্পানি DeepSeek-এর প্রতিষ্ঠাতা কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/krittim-buddhimotta-company-deepseek-er-protishthata-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/krittim-buddhimotta-company-deepseek-er-protishthata-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চীনের ঝিনজিয়াং শহরের লিয়াং ওয়েনফেং ২০১৩ সালে হ্যাংঝু ইয়েকেবি ইনভেস্টমেন্ট ম্যানেজমেন্ট নামে দুটি সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেন। ২০১৯ সালে জু জিন ও ঝেং দাউইকে নিয়ে হাই-ফ্লায়ার AI প্রতিষ্ঠা করেন, যা ১০ বিলিয়ন ইউয়ানের বেশি আয় করে। পরে ২০২৩ সালে লিয়াং সময়ের চেয়ে এগিয়ে থাকা সবচেয়ে জটিল সমীকরণ AI প্রযুক্তিকে কেন্দ্র করে DeepSeek উদ্ভাবন করেন। যা ২০২৪-২৫ সালের সর্বোচ্চ ব্যবহৃত এবং ডাউনলোড হওয়া AI প্রযুক্তি।]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 18 Mar 2025 23:18:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রকৃতিকে আইনিভাবে ব্যক্তি হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দেশ কোনটি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/prokritike-ayinivabe-bekti-hisebe-sikriti-dewa-prothom-desh-konti" />
            <id>https://biratbazar.com/prokritike-ayinivabe-bekti-hisebe-sikriti-dewa-prothom-desh-konti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 17 Mar 2025 02:25:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['বাংলাদেশ পেটেন্ট আইন, ২০২৩' কার্যকর করা হবে কবে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/bangladesh-patent-ayin-2023-karzokor-kora-hobe-kobe" />
            <id>https://biratbazar.com/bangladesh-patent-ayin-2023-karzokor-kora-hobe-kobe</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Mar 2025 15:07:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাতীয় শহিদ সেনা দিবস কবে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/jatiya-sahid-sena-dibos-kobe" />
            <id>https://biratbazar.com/jatiya-sahid-sena-dibos-kobe</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Mar 2025 03:25:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্রতিবছর ১৬ জুলাই শহিদ আবু সাইদ দিবস পালন করবে কোন বিশ্ববিদ্যালয় ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/protibochor-16-july-sohid-abu-sayed-dibos-palon-korbe-kon-bissbiddaloy" />
            <id>https://biratbazar.com/protibochor-16-july-sohid-abu-sayed-dibos-palon-korbe-kon-bissbiddaloy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 08 Mar 2025 13:34:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সভাপতি কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/jatiya-oikkmotto-komisoner-sovapoti-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/jatiya-oikkmotto-komisoner-sovapoti-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Mar 2025 16:04:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাতীয় ঐকমত্য কমিশন গঠন করা হয় কবে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/jatiya-oikkomotto-komison-gothon-kora-hoy-kobe" />
            <id>https://biratbazar.com/jatiya-oikkomotto-komison-gothon-kora-hoy-kobe</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Mar 2025 16:02:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[যমুনা রেলসেতুর দৈর্ঘ্য কত ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/zomuna-railsetur-doirgho-koto" />
            <id>https://biratbazar.com/zomuna-railsetur-doirgho-koto</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Mar 2025 15:58:57 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বাংলাদেশের দীর্ঘতম একক রেলসেতু কোনটি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/bangladesher-dirghotomo-ekok-railsetu-konti" />
            <id>https://biratbazar.com/bangladesher-dirghotomo-ekok-railsetu-konti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Mar 2025 15:52:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে'-এখানে 'লক্ষি' শব্দটি কোন পদ ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/rabon-onuj-lokkhi-rabon-attoje-ekhane-lokkhi-shobdoti-kon-pod" />
            <id>https://biratbazar.com/rabon-onuj-lokkhi-rabon-attoje-ekhane-lokkhi-shobdoti-kon-pod</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[**কেন ক্রিয়া পদ তা জানতে আগে জেনে নেই কাব্যে উক্তিটুকু কি বলা আছে-**
হেন অপমান আমি,-ভ্রাতৃ-পুত্র তব? 
তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?” 
মহামন্ত্র-বলে যথা নরশিরঃ ফণী, 
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী 
রাবণ-অনুজ, লক্ষি রাবণ-আত্মজে; 
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে 
তুমি! নিজ কর্ম-দোষে, হায়, মজাইলা 
এ কনক-লঙ্কা রাজা, মহিলা আপনি! 
বিরত সতত পাপে দেবকুল; এবে 
পাপপূর্ণ লঙ্কাপুরী; প্রলয়ে যেমতি 
বসুধা, ডুবিছে লঙ্কা এ কালসলিলে!


**এর অর্থ দাঁড়ায়-**
হেন (এই) অপমান আমি,-ভ্রাতৃ-পুত্র তব? (তোমার ভাতিজা হয়ে এই অপমান আমি কীভাবে সহ্য করব)
তুমিও, হে রক্ষোমণি, সহিছ কেমনে?”
মহামন্ত্র-বলে যথা (যেভাবে) নম্রশিরঃ ফণী, (মন্ত্রের কারণে সাপ যেভাবে মাথা নিচু করে থাকে)
মলিনবদন লাজে, উত্তরিলা রথী (মলিন ও লজ্জা মুখে বিভীষণ মেঘনাদকে লক্ষ্য করে উত্তর দিল)
রাবণ-অনুজ (বিভীষণ), লক্ষি (লক্ষ্য করে) রাবণ-আত্মজে; (মেঘনাদ)
“নহি দোষী আমি, বৎস; বৃথা ভর্ৎস মোরে (শুধু শুধু আমাকে ত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 05 Mar 2025 07:47:35 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভ্রাম্যমান আদালত কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/vramoman-adalot-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/vramoman-adalot-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সচরাচর যে স্থানে আদালত বসে নিত্যদিনের কর্মকান্ড সমাধান করে থাকেন, সে স্থানে আদালত না বসে যদি অন্য কোনো স্থানে কোনো কোনো দিনের কোনো কোনো সময়ে কতিপয় মাইনর এ্যাক্টস এর অধীন সংঘটির অপরাধ সমূহের দ্রুত বিচার নিস্পত্তি করেন তবে তাকে ভ্রাম্যমান আদালত বলা হয়। মামলা আমলে নেয়ার ক্ষমতা সম্পন্ন যে কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট হাট বাজারে, রেল স্টেশনে, রাস্তায়, ইটের ভাটায়, খাল-বিল-নদি ইত্যাদি যে কোনো স্থানে ভ্রাম্যমান আদলত পরিচালনা করতে পারেন। সাধারণত মোটরযান অধ্যাদেশ বর্তমানে সড়ক পরিবহণ আইন ২০১৮, বিশুদ্ধ খাদ্য আইন, রেলওয়ে আইন, ইট&nbsp; পোড়ানো নিয়ন্ত্রণ আইন, জুয়া আইন, অত্যাবশ্যকীয় পণ্য নিয়ন্ত্রণ আইন, অত্যাবশ্যকীয় দ্রব্যের (মূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং মজুদ নিয়ন্ত্রণ) আইন, মৎস্য সম্পদ রক্ষা ও সংরক্ষণ আইন, দি স্টান্ডার্স অব ওয়েটস এন্ড মেসার্স অর্ডিন্যান্স, দোকান ও প্রতিষ্ঠান আইন, অভ্যান্তরীন নৌ চলাচল অধ্যাদেশ, বিদ্যুৎ আইন ইত্যাদি ধরণের মাইনর এ্যাক্টস এর আওতাধীন অপরাধের বিচা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 18 Feb 2025 09:01:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সামরিক বাহিনীর সদস্য আসামী হলে অনুসরণীয় পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/samorik-bahinir-sodosso-asami-hole-onusoroniyo-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/samorik-bahinir-sodosso-asami-hole-onusoroniyo-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সামরিক বাহিনীর সদস্যরা যখন আসামী হন তখন কি পদ্ধতি অনুসরণ করে অগ্রসর হবেন এ নিয়ে পুলিশ ও ম্যাজিষ্ট্রেট প্রায়ই সমস্যায় পড়েন। তাই এ দিকটা লক্ষ্য রেখে সামরিক বাহিনীর সদস্য আসামী হলে পদ্ধতিগত বিষয়টি উল্লেখ করা হলো। সামরিক বাহিনীর সদস্য আসামী হলে তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য আইন হচ্ছেঃ-&nbsp; &nbsp;(১) বাংলাদেশ আর্মি এ্যাক্ট ১৯৫২,(২) ফৌজদারী পদ্ধতি (সামরিক অপরাধী) বিধি ১৯৭০,(৩) ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪৯ ধারা এবং&nbsp;(৪) পিআরবি প্রবিধান ৪৩৮ (পরিশিষ্ট-XXV!!)।&nbsp;বাংলাদেশ আর্মি এ্যাক্ট ১৯৫২ এর ৭৬, ৭৭, ৯৪ এবং ৯৫ ধারার বিধান সমূহ নিম্নে বর্ণিত হলোঃ&nbsp;&nbsp;বেসামরিক ব্যক্তি কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গ্রেফতার (৭৬ ধারা)।&nbsp; &nbsp;যখন কোনো ব্যক্তি এ আইনের অধীন কোনো অপরাধে অভিযুক্ত হয় তখন এখতিয়ারবান ম্যাজিষ্ট্রেট বা পুলিশ অফিসার ঐ ব্যক্তির কমান্ডিং অফিসারের স্বাক্ষরে লিখিত আবেদন পেয়ে এরূপ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে এবং সামরিক হেফাজতে (Military custody) প্রেরণ করবেন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 17 Feb 2025 18:58:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি কি? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/dayra-adaloter-bicar-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/dayra-adaloter-bicar-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সকল অপরাধের বিচার করার ক্ষমতা ম্যাজিষ্ট্রেটের নেই, আইনে সুস্পষ্টভাবে বর্ণিত গুরুত্বর অপরাধ সমূহের বিচার একমাত্র দায়রা জজই করতে পারেন। কিন্তু দায়রা আদালতে বিচার্য অপরাধের মামলা সমূহও ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত হতে বিচার নিস্পত্তির জন্য দায়রা আদালতে প্রেরণ করা হয়। ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ক-২৬৫ঠ ধারায় দায়রা আদালতের বিচার পদ্ধতি সম্পর্কে বলা হয়েছে।&nbsp;&nbsp;সরকারী কৌশুলী (পিপি) কর্তৃক মামলা পরিচালনা (ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫ক ধারা)।&nbsp; &nbsp;দায়রা আদালত কর্তৃক প্রত্যেকটি মামলার বিচার কার্যক্রমে সরকারী কৌশুলী অভিযোগকারী অর্থাৎ সংবাদদাতার পক্ষে মামলা পরিচালনা করবেন। লিগ্যাল রিমেমব্রান্সারস ম্যানুয়েল অনুযায়ী সরকারী কৌশুলী নিয়োগ পেয়ে থাকেন।&nbsp;&nbsp;অভিযোগকারীর পক্ষ হতে মামলা শুরু (ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬৫খ ধারা)। &nbsp;আসামী ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৫গ ধারা অনুসারে আদালতে হাজির হলে বা তাকে হাজির করা হলে সরকারী কৌশুলী আসামীর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ বর্ণনা এবং...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 16 Feb 2025 18:50:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারা কখন জারী করা হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/foujdari-karjobidhir-144-dhara-kokhon-jari-kora-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/foujdari-karjobidhir-144-dhara-kokhon-jari-kora-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ ধারার উদ্দেশ্য হলো উপদ্রব বা আসন্ন বিপদ মোকাবেলা করার জন্য জরুরী আদেশ দেয়া। এর প্রয়োগের মাধ্যমে একদিকে বিবাদমান দুই পক্ষের মধ্যে দাংগা হাংগামা প্রতিরোধ করে শান্তিরক্ষা করা যায় এবং অন্যদিকে বৃহত্তর মানুষের জীবন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বিপন্ন হওয়ার আশংকা দেখা দিলে প্রয়োজনীয় নিষেধাজ্ঞা জারী পূর্বক তা নিবারণ করা যায়। ম্যাজিষ্ট্রেটগণ বিশেষ সতর্কতার সাথে ইহা প্রয়োগ করবেন যাতে আদেশের ফলশ্রুতিতে জনগণের মৌলিক অধিকার যথাসম্ভব কম ক্ষুন্ন হয়।&nbsp;&nbsp;যদি ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৪ (১) ধারা অনুসারে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট, থানা ম্যাজিষ্ট্রেট&nbsp; অথবা সরকার বা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক অত্র ধারায় কার্য করার ক্ষমতাপ্রাপ্ত অপর কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট (তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট নন) দেখেন যে, তার অধিক্ষেত্রাধীন এলাকার মধ্যে কোনো গণ উপদ্রবের জরুরী প্রতিরোধ না করলে শান্তিভংগের আশংকা রয়েছে অথবা দাংগা হাংগামা বেধে যেতে পারে এবং ফলশ্রুতিতে গণশান্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 16 Feb 2025 09:43:42 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আদালত অবমাননার ক্ষেত্র এবং শাস্তির বিধান কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/adalot-obomanonar-khetro-ebong-shastir-bidhan-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/adalot-obomanonar-khetro-ebong-shastir-bidhan-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কেউ যদি আইনতঃ মানতে বাধ্য এমন ধরণের আদালতের কোনো আদেশ, নিষেধ অমান্য করে অথবা অসম্মান করে অথবা আদালতের নিকট কোনো বৈধ প্রতিশ্রুতি ইচ্ছাকৃতভাবে ভংগ করে অথবা এমন ধরণের কোনো আদেশ প্রদান করে যা আদালত অথবা আইন ব্যবস্থার কর্তৃত্বকে অসম্মান করার প্রায়াস পায় অথবা বিচার বিভাগীয় কার্যক্রমে অবৈধ হস্তক্ষেপ করে অথবা আদালতের অর্তৃত্বকে হেয় প্রতিপন্ন করে অথবা আদালত সম্পর্কিত ব্যাপারে কোনো বিচারকের কুৎসা রটনা করে অথবা আদালতের পরিবেশ ও সৌন্দর্যকে বিনষ্ট করে অথবা আদালতের সুষ্ঠু ও নিরবিচ্ছন্ন কর্মকান্ডকে কোনো প্রকার ব্যাহত করে তবে সে আদালত অবমাননা করেছে বলে ধরে নেয়া হবে।&nbsp;&nbsp;আইনজীবি, পুলিশ, সংবাদপত্রের মালিক, সম্পাদক, মামলার সাথে জড়িত ব্যক্তি বা অন্য কোনো ব্যক্তি তাদের আচরণ ও কর্মকান্ডের দ্বারা আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্থ হতে পারেন।&nbsp;&nbsp;আদালত অবমাননা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ দুভাবেই হতে পারে। আদালত অবমাননা আদালতের ভিতরে কৃত কর্মকান্ডের মাধ্যমে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 15 Feb 2025 15:58:01 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জমি জমার বিরোধ নিস্পত্তির ক্ষেত্রে আইনী পদক্ষেপ সমূহ কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jomi-jomar-birodh-nispottir-khetre-ayini-podokhep-somuho-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jomi-jomar-birodh-nispottir-khetre-ayini-podokhep-somuho-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের মূল প্রশ্ন দখলকে ঘিরে। প্রত্যেক পক্ষই জমির ভোগ দখল করে আসছে বলে দাবী করে। এ দখলকে কেন্দ্র করে দাংগা হাঙ্গামার দেখা দেয়। এই মারামারির বিরুদ্ধে আশু প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের বিধানাবলী ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫ ধারায় বিধৃত হয়েছে।&nbsp;&nbsp;লিখিত বক্তব্য পেশের আদেশঃ&nbsp; &nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৪৫(১) ধারায় উল্লেখ রয়েছে যে, যদি কোনো মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট, জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ প্রতিবেদন বা অন্য কোনোরূপ সংবাদের ভিত্তিতে এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, তাদের অধিক্ষেত্রের মধ্যে জমি বা পানি বা উহার সীমানা সম্পর্কে এমন একটি বিরোধ রয়েছে যা শান্তি ভঙ্গের কারণ ঘটাতে পারে তখন তিনি সন্তুষ্টির কারণ উল্লেখ করে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সংশ্লিষ্ট পক্ষগণকে ব্যক্তিগতভাবে বা আইনজীবির মাধ্যমে আদালতে হাজির হয়ে বিরোধীয় বিষয় বস্তুতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে তাদের স্ব স্ব দাবী সম্পর্কে লিখিত বক্তব্য পেশ করার একটি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 15 Feb 2025 06:02:00 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[গণ উপদ্রব অপসারণ করার পদ্ধতি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/gono-upodrob-oposaron-korar-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/gono-upodrob-oposaron-korar-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারা হতে ১৪৩ ধারা পর্যন্ত গণ উপদ্রব অপসারণ সংক্রান্তে আদেশের বিধান রয়েছে।&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১৩৩ ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ রিপোর্ট অথবা অন্য কোনোরূপ সংবাদ পেয়ে এবং প্রয়োজনে সাক্ষ্য গ্রহণ পূর্বক মনে করেন যে-&nbsp;(ক) জনগণের ব্যবহৃত পথ, নদী, খাল বা সর্বসাধারণের ব্যবহার্য কোনো স্থান হতে বে-আইনী বাধা বা উপদ্রব অপসারণ করা প্রয়োজন,(খ) জনগণের স্বাস্থ্য, শারীরিক আরাম আয়েষের পক্ষে ক্ষতিকর ব্যবসা, পেশা বা মালপত্রের নিয়ন্ত্রণ বা অপসারণ প্রয়োজন,&nbsp;(গ) ক্ষতির কারণ হতে পারে এমন কোনো গৃহের নির্মণ কার্য বা বিস্ফোরণ বা অগ্নিকান্ড সংঘটিত হতে পারে এমন কোনো দ্রব্যের অপসারণ বা বন্ধ করা প্রয়োজন,(ঘ) পতনোন্মুখ কোনো ঘর, তাবু বা গাছ প্রভৃতির অপসারণ বা মেরামত বা ঠেকা দেয়া প্রয়োজন,&nbsp;(ঙ) বিপদ নিবারণের জন্য কোনো পথের নিকটবর্তী কোনো পুকুর, কুপ বা গর্তের চারিদিকে বেড়া দেয়া প্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Feb 2025 15:22:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শান্তি রক্ষার জন্য কার্যক্রম সমূহ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/santi-rokkhar-jonno-karjokrom-somuho-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/santi-rokkhar-jonno-karjokrom-somuho-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ধারার উদ্দেশ্য হলো অপরাধ প্রতিরোধের জন্য, অপরাধের শাস্তির নিমিত্তে নয়, অর্থাৎ বিগত সময়ের অপরাধের জন্য ইহা শাস্তিমূলক ধারা নয় কিন্তু ভবিষ্যতে যাতে শান্তিভংগ হয়ে কোনো অপরাধের উদ্ভব না হয় তা নিশ্চিত করার জন্য এ ধারার প্রবর্তন করা হয়েছে। এ ধারায় শান্তি রক্ষার এবং সদাচরণের মুচলেকার বিধান বর্ণিত হয়েছে। এ ধারার আদেশ প্রদান করতে হলে দুটি শর্ত পূরণ করতে হবেঃ&nbsp;(ক) যে ব্যক্তির উপর এ ধারার আদেশ দেয়া হবে সে ব্যক্তি সম্পর্কে আদালতের মনে এ ধারণার সৃষ্টি হবে যে, ঐ ব্যক্তি শান্তিভংগ করতে পারে অথবা গণশান্তি বিঘ্নিত করতে পারে।&nbsp;(খ) ঐ ব্যক্তি এমন কাজ করতে পারে যাতে জনগণের শান্তি বিনষ্ট হয়। এ দুটি অবস্থা যেখানে বিদ্যমান নেই সেখানে এ ধারার আদেশ দেয়া যায় না।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, যখন কোনো ব্যক্তি শান্তিভংগ করতে পারে, সর্বসাধারণের প্রশান্তি বিনষ্ট করতে পারে বা এমন কোনো আইন গর্হিত কাজ করতে পারে যার...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 13 Feb 2025 12:37:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সংক্ষিপ্ত বিচার পদ্ধতি বা Summary Trials কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/songkhipto-bicar-poddhoti-ba-summary-trials-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/songkhipto-bicar-poddhoti-ba-summary-trials-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যে অপরাধ গুরুত্বর নয় এবং যে অপরাধমূলক কাজের শাস্তি লঘু সেসব অপরাধের মামলার বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করা যেতে পারে।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ২৬০ ধারায় বর্ণিত হয়েছে যে, মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা সরকার কর্তৃক বিশেষভাবে ক্ষমতাপ্রাপ্ত প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট এর ক্ষমতা সম্পন্ন কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট বেঞ্চ নিম্নে বর্ণিত অপরাধ সমূহের সবগুলো অথবা একটির বিচার সংক্ষিপ্ত পদ্ধতিতে করতে পারবেনঃ-&nbsp;(ক) দুই বৎসরের অধিক কারাদন্ডে দন্ডনীয় নয় এরূপ অপরাদ;&nbsp;(খ) দন্ডবিধির ২৬৪, ২৬৫ ও ২৬৬ ধারা অনুসারে ওজন ও পরিমাপ সম্পর্কিত অপরাধ;(গ) দন্ডবিধির ৩২৩ ধারার অপরাধ;(ঘ) দন্ডবিধির ৩৭৯, ৩৮০ ও ৩৮১ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে চোরাইমালের মূল্য সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা হলে;(ঙ) দন্ডবিধির ৪০৩ ধারার অপরাধের ক্ষেত্রে আত্মসাৎকৃত সম্পত্তির মূল্য সর্বোচ্চ দশ হাজার টাকা হলে;&nbsp;(চ) দন্ডবিধির ৪১১ ধারার অপরাধের ক্ষেত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Feb 2025 16:14:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কত সালে 'দুর্গেশনন্দিনী' উপন্যাস প্রথম প্রকাশিত হয় ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/koto-sale-durgesnondini-uponnas-prothom-prokasito-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/koto-sale-durgesnondini-uponnas-prothom-prokasito-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলায় রচিত বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের প্রথম উপন্যাস 'দুর্গেশনন্দিনী'। এটি বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। ১৮৬৫ সালের মার্চ মাসে এই উপন্যাসটি প্রকাশিত হয়। দুর্গেশনন্দিনী বঙ্কিমচন্দ্রের চব্বিশ থেকে ছাব্বিশ বছর বয়সের রচনা। এই উপন্যাস প্রকাশিত হওয়ার পর বাংলা কথাসাহিত্যের ধারায় এক নতুন যুগ প্রবর্তিত হয়। উড়িষ্যার অধিকারকে কেন্দ্র করে মুঘল ও পাঠানের সংঘর্ষের পটভূমিতে এটি রচিত হয়। তবে এটিকে সম্পূর্ণরূপে ঐতিহাসিক উপন্যাস মনে করা হয় না। কোনো কোনো সমালোচক এই উপন্যাসে ওয়াল্টার স্কটের আইভানহো উপন্যাসের ছায়া লক্ষ্য করেছেন। বঙ্কিমচন্দ্রের জীবদ্দশায় এই উপন্যাসের তেরোটি সংস্করণ প্রকাশিত হয় এবং ইংরেজি ও অন্যান্য ভারতীয় ভাষাতেও এটি অনূদিত হয়। বঙ্কিমচন্দ্রের ভ্রাতুষ্পুত্র শচীশচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের মতে, ১৮৬২ সালে চব্বিশ বছর বয়সে বঙ্কিমচন্দ্র দুর্গেশনন্দিনী উপন্যাস রচনার কাজে হাত দেন। ১৮৬৩ সালে খুলনায় ডেপুটি ম্যাজিস্ট্রেটের কার্য নির্বাহ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Feb 2025 11:24:21 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আলাউদ্দিন আল আজাদের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা উপন্যাস কোনটি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/alauddin-al-ajader-kshudr-jatigoshthee-niye-lekha-upnzas-konti" />
            <id>https://biratbazar.com/alauddin-al-ajader-kshudr-jatigoshthee-niye-lekha-upnzas-konti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী নিয়ে লেখা কর্ণফুলি উপন্যাসটি ১৯৬২ সালে প্রকাশিত হয়। ষাটের দশকে আলাউদ্দিন আল আজাদ রচিত তেইশ নম্বর তৈলচিত্র (১৯৬০) ও কর্ণফুলী উপন্যাসটি ব্যাপক সাড়া জাগায়। এই উপন্যাসে আঞ্চলিক ভাষার ব্যবহারে দক্ষতার জন্য আলাউদ্দিন আল আজাদ ইউনেসকো পুরস্কার পেয়েছিলেন। এ উপন্যাসে লেখক কর্ণফুলীর তীরে যে সব বিশেষ সম্প্রদায় বসবাস করে তাদের জীবনচিত্র তুলে ধরেছেন। পাহাড় সমুদ্র ঘেরা একটি বিশেষ জনপদ তথা উপজাতীয়দের জীবন চিত্র অবলম্বনে রচিত হয় এই উপন্যাস। উপন্যাসের প্রধান চরিত্র হল- আদিবাসী রাঙ্গামিলা, জলি, রমজান, ইসমাইল।এছাড়াও আলাউদ্দিন আল আজাদের মনস্তাত্ত্বিক উপন্যাস 'তেইশ নম্বর তৈলচিত্র'। তাছাড়া তাঁর বিখ্যাত উপন্যাস 'ক্ষুধা ও আশা' এবং গল্পগ্রন্থ 'ধানকন্যা'।]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 12 Feb 2025 11:05:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলা নিস্পত্তির বিধানসমূহ কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamla-nispottir-bidhansomuuh-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mamla-nispottir-bidhansomuuh-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিম্নে বর্ণিত উপায়ে কোনো একটি মামলার পরিসমাপ্তি ঘটতে পারে। &nbsp;&nbsp;(১) নালিশ খারিজঃ&nbsp;ম্যাজিষ্ট্রেট বাদী কর্তৃক ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারায় শপথ পূর্বক প্রদত্ত বিবৃতি (যদি থাকে) এবং ২০২ ধারা অনুসারে পরিচালিত অনুসন্ধান বা তদন্তের ফলাফল (যদি থাকে) বিবেচনার পর যদি মনে করেন যে, নালিশের উপর কার্যক্রম গ্রহণের মতো পর্যাপ্ত হেতু নেই তাহলে তিনি ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৩ ধারায় নালিশ খারিজ করতে পারবেন। এরূপ ক্ষেত্রে তিনি সংক্ষেপে তার এরূপ করার কারণ লিপিবদ্ধ করবেন। ২০০ ধারার জবানবন্দী গ্রহণ করার পর যদি আদালত সন্তুষ্ট হন যে আরজীতে লিপিবদ্ধ বক্তব্য ও বাদীর প্রদত্ত জবানবন্দীর মধ্যে প্রচুর অসমাঞ্জস্যতা বা গড়মিল রয়েছে তাহলে তাৎক্ষণাৎ দরখাস্তটিকে খারিজ করতে পারেন।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৩ ধারার অধীন নালিশ খারিজের অর্থ অব্যাহতি বা খালাস (discharge or acquittal) নয়। এরূপ নালিশ খারিজের ক্ষেত্রে আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করার জন্য অগ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Feb 2025 17:01:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মিথ্যা অভিযোগের বিরুদ্ধে কার্যক্রম কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mitha-ovizoger-biruddhe-karzokrom-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mitha-ovizoger-biruddhe-karzokrom-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধির ২৫০ ধারায় মিথ্যা, তুচ্ছ বিরক্তির অভিযোগের ক্ষেত্রে অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় তার উল্লেখ আছে।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ২৫০(১) ধারায় বলা হয়েছে যে, কোনো নালিশী মামলার (সিআর) বা পুলিশী মামলার (জিআর) বা অন্যকোনোভাবে রুজুকৃত মামলার বিচারে ম্যাজিষ্ট্রেট যদি সকল বা যে কোনো একজন আসামীকে খালাস অথবা অব্যাহতি দেন এবং তিনি এ মর্মে সন্তুষ্ট হন যে, আসামী বা আসামীদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা, তুচ্ছ বা বিরক্তিকর তাহলে ম্যাজিষ্ট্রেট অব্যাহতি বা খালাস দেয়ার আদেশের সাথে যে ব্যক্তির নালিশ বা সংবাদের ভিত্তিতে অভিযোগ আনায়ন করা হয়েছে, সে ব্যক্তি উপস্থিত থাকলে কেনো অভিযুক্ত ব্যক্তি বা ব্যক্তিগণকে ক্ষতি পূরণ দেবেন না এ মর্মে সঙ্গে সঙ্গে কারণ দর্শাতে বলবেন। উক্ত ব্যক্তি উপস্থিত না থাকলে আদালতে হাজিত হয়ে উক্তরূপ কারণ দর্শানোর জন্য তার প্রতি সমন জারীর নির্দেশ দিবেন।&nbsp;&nbsp;ক্ষতিপূরণ ও শাস্তির পরিমাণঃ &nbsp;ফৌজদারী...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 11 Feb 2025 08:19:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মামলার রায় হওয়ার পর আপীলের পদ্ধিত কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mamlar-ray-howar-por-apiler-poddhoti-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mamlar-ray-howar-por-apiler-poddhoti-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আপীল শব্দের অর্থ হলো কোনো মামলার রায় যুক্তিযুক্ত হয়েছে কিনা তা নির্ণয়ের জন্য নিম্ন আদালত হতে মামলাটি উচ্চতর আদালতে স্থানান্তর করা।&nbsp;&nbsp;শান্তিরক্ষার বা সদাচরণের মুচলেকার আদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৬ ধারায় বলা হয়েছে যে, ম্যাজিষ্ট্রেট যে ব্যক্তিকে ফৌজদারী কার্যবিধির ১১৮ ধারা অনুসারে শান্তিরক্ষার বা সদাচরণের জন্য মুচলেকা সম্পাদনের আদেশ প্রদান করেছেন সে ব্যক্তি উক্ত আদেশের বিরুদ্ধে দায়রা আদালতে আপীল করতে পারবেন, তবে সরকার গেজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে আপীল শুনানীর জন্য দায়রা আদালতের পরিবর্তে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট বা ক্ষেত্রমতে চীপ মেট্রোপলিটন ম্যাজিষ্ট্রেটকে ক্ষমতা প্রদান করতে পারেন।&nbsp;&nbsp;দ্বিতীয় এবং তৃতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেটের দন্ডাদেশের বিরুদ্ধে আপীলঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ৪০৭ ধারায় উল্লেখ আছে যে, দ্বিতীয় বা তৃতীয় শ্রেণীর কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক দন্ডিত কোনো ব্যাক্তি অথবা দ্বিতীয় শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট কর্তৃক ৩৪...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Feb 2025 18:57:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিচার ফাইলে মামলার স্তরগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bicar-faile-mamlar-storguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bicar-faile-mamlar-storguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মামলা বিচারের জন্য প্রস্তুত হওয়ার পর নিম্নেবর্ণিত স্তরসমূহ অতিক্রম করতে হয়ঃ-&nbsp;(ক) অভিযোগ গঠন,(খ) সাক্ষ্য গ্রহণ,(গ) ফৌজদারী কার্যবিধির ৩৪২ ধারা অনুসারে আসামীকে পরীক্ষা,(ঘ) সাফাই সাক্ষী,(ঙ) যুক্তিতর্ক,&nbsp;(চ) রায়।&nbsp;&nbsp;(ক) অভিযোগ গঠনঃ&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধির ২৪১ (ক) ধারা অনুসারে অভিযোগ গঠন সংক্রান্তে শুনানী হয়ে থাকে। নালিশী মামলার ক্ষেত্রে নালিশী দরখাস্ত, ফৌজদারী কার্যবিধির ২০০ ধারা অনুসারে বাদীর হলফী জবানবন্দী, ফৌজদারী কার্যবিধির ২০২ ধারায় তদন্ত প্রতিবেদন, ডাক্তারী সনদপত্র, দাখিলকৃত দলিল এবং অন্যান্য কাগজপত্র এবং পুলিশী মামলার (জিআর) ক্ষেত্রে এজাহার, অভিযোগপত্র, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬১ ধারায় সাক্ষীর জবানবন্দী, ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আসামীর দোষ স্বীকারোক্তি বা ভিকটিম বা সাক্ষীর জবানবন্দী, ডাক্তারী সনদপত্র, জব্দ তালিকা ইত্যাদি পর্যালোচনা করবেন। উভয় পক্ষের বিজ্ঞ কৌশলীদের বক্তব্য শ্রবণ করে এবং উপরোক্ত বিষয়সমূহ বিবেচনা করে যদি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 10 Feb 2025 16:56:23 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আগাম জামিন বা Anticipatory bail কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/agam-jamin-ba-anticipatory-bail-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/agam-jamin-ba-anticipatory-bail-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তিকে গ্রেফতারের পূর্বেই জামিন প্রদান করাকে আগাম জামিন বলা হয়। ১৯৭৮ সালের আইন সংস্কার অধ্যাদেশে কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতারের আশংকা থাকলে তাকে জামিন প্রদানের জন্য ফৌজদারী কার্যবিধিতে ৪৯৭-ক ধারাটি সংযোজন করা হয়েছিল। কিন্তু এ ধারার প্রয়োগ সঠিকভাবে না হওয়াতে ১৯৮২ সালের নবম অধ্যাদেশের মাধ্যমে এ ধারাটি বাদ দেয়া হয়েছে। তারপরও আগাম জামিনের প্রয়োজনীয়তা থেকে যায় এবং ফৌজদারী কার্যবিধির ৪৯৮ ধারাকে ব্যাখ্যা বিশ্লেষণ করে কোনো বিশেষ ক্ষেত্রে গ্রেফতার পূর্ব জামিনের ব্যাপারে বিভিন্ন নজীর (Ruling) এসেছে। এ বিশেষ ক্ষমতা দায়রা আদালত এবং হাইকোর্ট বিভাগ প্রয়োগ করে থাকেন। কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট এ ধরণের আগাম জামিন দিতে পারেন না। &nbsp;&nbsp;আগাম জামিন মঞ্জুরের সত্যতা প্রতিপাদন করতে দরখস্তকারীকে দেখাতে হবে যে, সে গ্রেফতার হতে পারে মর্মে আশংকা করছে অথবা দরখাস্তকারীর সুনাম ও স্বাধীনতার অপূরনীয় ক্ষতি করার বিদ্বেষে প্রসিকিউশন প্ররোচিত হয়েছে অথবা পুলিশ রাজন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 06 Feb 2025 11:20:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামিন কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jamin-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jamin-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জামিনের অর্থ হইতেছে কোনো ব্যক্তিকে আদালত কর্তৃক ধার্য তারিখ সমূহে হাজির করার শর্তে পুলিশ বা আদলতের এখতিয়ার থেকে&nbsp; জামিনদারের হাতে সমর্পণ ।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিদী আইনের ৪(১)(খ) ধারায় জামিনযোগ্য অপরাধ এবং অ-জামিনযোগ্য অপরাধের সংজ্ঞা দেওয়া হইয়াছে। জামিনযোগ্য অপরাধ বলিতে সেই সকল অপরাধকে বুঝায় যাহা ফৌজদারী কার্যদারীর দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জমিনযোগ্য বলিয়া দেখানো হইয়াছে অথবা যাহা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইন দ্বারা জামিনযোগ্য করা হইয়াছে। “অ-জামিনযোগ্য অপরাধ” বলিতে সেই সকল অপরাধকে বুঝায় যাহা ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের পঞ্চম কলামে জামিনের অযোগ্য বলিয়া উল্লেখ করা হইয়াছে অথবা যাহা বর্তমানে বলবৎ অন্য কোনো আইন দ্বারা অ-জামিনযোগ্য করা হইয়াছে।&nbsp;&nbsp;অন্য কোনো আইনে অপরাধের জামিন সম্বন্ধে উল্লেখ না থাকিলে ফৌজদারী কার্যবিধির দ্বিতীয় তফসিলের শেষভাগে “অন্যান্য আইনে সংঘটিত অপরাধ” শিরোনামে অপরাধটি জামিনযোগ্য কিনা তাহা দেখানো হইয়াছে।...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 05 Feb 2025 07:51:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওসি কে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/thanar-varprapto-kormokorta-ba-oc-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/thanar-varprapto-kormokorta-ba-oc-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪(১)(ত) ধারার সংজ্ঞা মোতাবেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বলিতে সেই সকল অফিসারকে বুঝাইবে যাহারা কনষ্টেবল পদের উপরে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অব্যবহিত নীচে এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার অনুপস্থিতিতে, অসুস্থতা অথবা অন্য কোনো কারণে তিনি তাহার কর্তব্য পালনে অপারগ হইলে যে পুলিশ অফিসার থানায় উপস্থিত থাকেন অথবা সরকার নির্দেশ দিলে উপস্থিত অন্য যে কোনো পুলিশ অফিসারকে বুঝাইবে (PRB-201/205)।&nbsp;&nbsp;বাস্তব ক্ষেত্রে বর্তমানে থানায় ইন্সপেক্টর পদ মর্যাদার একজন অফিসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হিসাবে দায়িত্ব পালন করিয়া থাকেন। ইন্সপেক্টর এর অনুপস্থিতিতে সিনিয়রিটি অনুযায়ী সাব- ইন্সপেক্টর (এসআই) এবং&nbsp; সাব- ইন্সপেক্টর এর অনুপস্থিতিতে সিনিয়রিটি অনুসারে এসিস্ট্যান্ট সাব- ইন্সপেক্টর (এএসআই) এই দায়িত্ব পালন করিয়া থাকেন। পিআরবি ২০১ বিধি অনুযায়ী কনস্টেবল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পালন করিতে প...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 05 Feb 2025 06:03:41 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এজাহারে সাধারণত কি কি ত্রুটি-বিচ্যুতি পরিলক্ষিত হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ejahare-sadharonoto-ki-ki-truti-bicuti-porilokhito-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/ejahare-sadharonoto-ki-ki-truti-bicuti-porilokhito-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো মামলার এজাহার তথা আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক তথ্য বিবরণী খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এজাহার স্বতন্ত্র সাক্ষ্য নহে। একটি এজাহার কোন মামলার ভিত্তিমূল হিসাবে বিবেচ্য। তাই এজাহারে কোনোরূপ ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকা উচিৎ নহে। এজাহারে সাধারণত কি কি ধরণের ত্রুটি-বিচ্যুতি থাকিতে পারে, তাহা নিম্নে উল্লেখ করা হইল।&nbsp;(১) বাংলা ও ইংরেজি তারিখ, উভয় সন এবং সময় লিখা হয় না।&nbsp;(২) এজাহারের বক্তব্য অনুসারে মামলার ধারা ও উহার সক্ষিপ্ত বিবরণ যথাযথভাবে লিখা হয় না। চোরাই মালের মূল্য তালিকা এবং সনাক্তকরণ চিহ্ন সঠিকভাবে লিখা হয় না।&nbsp;(৩) মামলা রেকর্ডিং অফিসারের পুরা নাম ও পদবী লিখা হয় না।(৪) আইনের নির্দেশ থাকিলেও মৌখিক এজাহারের পরিবর্তে লিখিত এজাহার গ্রহণ করা হয়।(৫) যাহার মাধ্যমে থানায় এজাহার গ্রহণ করা হয়, তাহার নাম ঠিকানা না লিখা।(৬) সন্দিগ্ধ আসামীর নাম এজাহারের কলামে লিখা।(৭) একাধিক ঘটনায় একটি মাত্র এজাহার মোতাবেক মামলা রেকর্ড করা।(৮) কোন আসামী কি অপরাধ করিয়...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 14:32:55 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[প্লেন পেপার এজাহার কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/plen-pepar-ejahar-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/plen-pepar-ejahar-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪(১)(ত) ধারা অনুসারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জ এর শর্ত হইল পদাধিকার বলে তাহার থানা এলাকার মধ্যে ঘটনাস্থলে সংবাদদাতার মৌখিক জবানবন্দীর ভিত্তিতে কিংবা লিখিতভাবে তাহাকে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জ হিসাবে জানিয়া কোনো অভিযোগ দায়ের করেন, তাহাই প্লেন পেপার এজাহার বলিয়া বিবেচিত হইবে। তাছাড়াও ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৫১ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে উর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাগণ তাহাদের নিজ এলাকার মধ্যে প্লেন পেপার এজাহার গ্রহণ করিতে পারিবেন। ইহাছাড়াও গুজবের ভিত্তিতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জ ঘটনার সত্যতা যাচাই করিয়া ঘটনাস্থলে প্লেন পেপার এজাহার গ্রহণ করিতে পারেন। একজন এসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (ASI) ঘটনাস্থলে তাহার থানা এলাকায় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪(১)(ত) ধারার বিধান অনুসারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসাবে প্লেন পেপার এজাহার গ্রহণ করার অধিকার রাখেন না। তিনি ফৌজদারী কার্যবিধ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 14:26:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কোর্ট পিটিশন থানায় পাওয়ার পর করণীয় কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/kourt-petion-thanay-pawar-por-koroniyo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/kourt-petion-thanay-pawar-por-koroniyo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো ব্যক্তি আদালতে নাসিশ বা অভিযোগ দায়ের করিলে আদালত উক্ত নালিশ বা অভিযোগ পাইয়া বাদীকে বা অভিযোগকারীকে হলফ দিয়া তাহার জবানবন্দী গ্রহণ না করিয়া সরাসরি উহার ভিত্তিতে অভিযোগটি এজাহার হিসাবে গণ্য করিয়া তদন্তের জন্য থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জকে নির্দেশ দিতে পারেন। শর্ত হইল ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৯০ ধারা অনুসারে যে ম্যাজিস্ট্রেট ক্ষমতাবান তিনি তাহার এলাকার মধ্যে উপরোক্ত ধরণের নির্দেশ করিতে পারিবেন ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৬(৩) ধারা মতে। যখন কোনো ম্যজিস্ট্রেটের নিকট হইতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপরোক্ত অভিযোগ হস্তগত করিবেন সেইক্ষেত্রে যদি দেখা যায় যে, ইতিপূর্বে পুলিশের নিকট একই ঘটনায় থানায় কোন এজাহার দেওয়া হয় নাই, তাহা হইলে উক্ত অভিযোগ এজাহার হিসাবে গণ্য হইবে এবং এজাহার হিসাবে গণ্য করার পর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা অফিসার ইনচার্জ তদন্তের জন্য পরবর্তী কার্যক্রম গ্রহণ করিবেন (পিআরবি ২৪৫ (ক) ধারা)।&nbsp;&nbsp;যেই ক্ষেত্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 14:22:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামীর জামিন বাতিলের বিধান কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jamine-muktiprapto-asamir-jamin-batiler-bidhan-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jamine-muktiprapto-asamir-jamin-batiler-bidhan-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নিম্ন লিখিত কারণে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত আসামীর জামিন বাতিল করিয়া আদালত পুনরায় আসামীকে গ্রেফতার পূর্বক জেল হাজতে প্রেরণ করিতে পারেন। &nbsp;(১) যদি কোনো আসামী জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর মামলার যথোপযুক্ত তদন্ত চলাকালে তদন্তে ব্যাঘাত ঘটায় এবং অভিযোগ সংক্রান্ত কোনো বস্তু বা সূত্র তাহার নিয়ন্ত্রণাধীন থাকায় সে তাহার ঐ রুপ স্থানে তল্লাশী করিতে জোর পূর্বক বাধার সৃষ্টি করে বা উদ্যোগ গ্রহণ করে। &nbsp;(২) যদি কোনো আসামী আদালত হইতে জামিনে মুক্তি পাওয়ার পর সে তাহার জমিনে মুক্ত থাকা অবস্থায় পুনরায় একই প্রকারের বা অন্য কোনো অপরাধ করে তখনই সে তাহার জামিনে মুক্ত থাকার যোগ্যতা হারায়।(৩) যদি জামিনে মুক্ত আসামী তাহার&nbsp; অভিযোগের সহিত সংশ্লিষ্ট বাদী বা সাক্ষীকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করে অথবা অপরাধ প্রমাণের চিহ্নাদি সরাইয়া ফেলার উদ্যোগ গ্রহণ করে।&nbsp;(৪) জামিনে মুক্ত আসামী যদি বিদেশে চলিয়া যায় অথবা আত্মগোপন করে অথবা তাহার জামিনদারের নিয়ন্ত্রণের বাহিরে চলিয়া যায়।(৫) জ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 14:14:24 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিচার বিভাগীয় তদন্ত কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bicar-bivagiyo-todonto-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bicar-bivagiyo-todonto-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪(১)(ট) ধারা মোতাবেক তদন্ত (Inquiry) অর্থ কোনো ম্যাজিষ্ট্রেট অথবা আদালত কর্তৃক পরিচালিত বিচার ব্যতীত সকল তদন্ত। ম্যাজিষ্ট্রেট বা আদালত কর্তৃক পরিচালিত তদন্তকে বিচার বিভাগীয় তদন্ত বলা হয়।&nbsp;&nbsp;বাদী কর্তৃক দাখিলকৃত অভিযোগের ভিত্তিতে ম্যাজিষ্ট্রেট বাদীকে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ২০০ ধারা মোতাবেক পরীক্ষা করিয়া যদি মনে করেন যে, অভিযোগের সত্যতা নিরুপণের নিমিত্তে প্রাথমিক তদন্তের প্রয়োজন রহিয়াছে, তাহা হইলে নালিশী দরখাস্তের উপর তিনি নিজে বিচার বিভাগীয় তদন্ত করিতে পারেন বা অন্য কোনো অধঃস্তন ম্যাজিষ্ট্রেটকে দিয়া বিচার বিভাগীয় তদন্ত করাইতে পারেন।&nbsp;&nbsp;এজলাসে অথবা তাহার খাস কামড়ায় বিচার বিভাগীয় তদন্তের কার্যক্রম পরিচালনা করিতে পারেন। তিনি প্রথমে বাদীর এবং তারপর এক এক করিয়া বাদীপক্ষের সাক্ষীদের হলফান্তে জবানবন্দী গ্রহণ করিবেন। মামলায় আনীত অভিযোগের সত্য মিথ্যা যাচাইয়ের জন্য তিনি খুব সতর্ক ও সচেতনতার সাথে সাক্ষীদেরকে প...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 14:05:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অভিযোগপত্র বা Chargesheet (CS) কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ovijogpotr-ba-chargesheet-cs-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/ovijogpotr-ba-chargesheet-cs-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো মামলা তদন্ত করিয়া সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সংঘটনের সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া গেলে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করিয়া থাকেন। অভিযোগপত্রে আসামীদের ও সাক্ষীদের নাম, ঠিকানা, অপরাধের প্রকৃতি, ধৃত ও পলাতক আসামীর সংখ্যা, তদন্তকারী কর্মকর্তার নাম, আসামীর প্রাক চরিত্র, আসামী অন্য আরও কোনো মামলার সাথে জড়িত কিনা ইত্যাদি উল্লেখ থাকে। কোনো উর্ধ্বতন পুলিশ অফিসার তদন্তে তত্বাবধায়ণ করিয়া থাকিলে অভিযোগপত্রে তাহার সুপারিশ থাকে। তদন্তের বিবরণ সম্বলিত কেস ডায়রীও অভিযোগপত্রের সাথে আদালতে দাখিল করিতে হয়। আদালত নথিপত্র, কেস ডায়রী, অভিযোগপত্র ইত্যাদি গ্রহণ করিয়া আসামী পলাতক থাকিলে ফৌজদারী কার্যবিধির ২০৪ ধারা মোতাবেক গ্রেফতারী পরোয়ানা ইস্যু করিতে পারেন।&nbsp;&nbsp;এমনও হইতে পারে যে, এজাহারে ১০ জন আসামীর নাম ছিল কিন্তু পুলিশ তদন্ত করিয়া ৬ জন আসামীর বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করিয়াছেন এবং বাকী ৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দাখিল করেন নাই অ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 07:26:05 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[চুড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/curanto-protibedon-ba-final-report-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/curanto-protibedon-ba-final-report-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যখন কোনো মামলার তদন্ত কার্যক্রম শেষে এজাহারভুক্ত বা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট অপরাধ সংঘটনের সাথে জড়িত থাকার কোনো তথ্য পাওয়া না যায় তখন তদন্তকারী কর্মকর্তা চুড়ান্ত প্রতিবেদন বা Final Report আদালতে দাখিল করিয়া থাকেন। পিআরবি ২৭৫ বিধান অনুযায়ী চুড়ান্ত প্রতিবেদন পাঁচ প্রকার হইয়া থাকে। যেমন-&nbsp;(১) চুড়ান্ত প্রতিবেদন সত্য (Final Report true, FRT:&nbsp;এইক্ষেত্রে অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে ঠিকই কিন্তু কার দ্বারা অপরাধ সংঘটিত হইয়াছে এই সম্পর্কে কোনো সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায় নাই বা আসামীদের সম্পর্কে কোনো তথ্য উদঘাটন করা সম্ভব হয় নাই।&nbsp;&nbsp;(২) চুড়ান্ত প্রতিবেদন মিথ্যা (Final Report False, FRF):&nbsp; &nbsp;এইক্ষেত্রে প্রকৃতপক্ষে কোনো ঘটনাই সংঘটিত হয় নাই, কিন্তু সংবাদদাতা কাউকে ফাসানোর জন্য সুপরিকল্পিতভাবে একটা ঘটনা সাজাইয়া মিথ্যা মামলা দায়ের করিয়াছেন। সংবাদদাতা কর্তৃক মিথ্যা মামলা দায়ের করার কারণে তদন্তকারী কর্মকর্তা তাহার বিরুদ্ধে দ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 03 Feb 2025 07:15:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয় কত সালে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/muslim-sahitto-somaj-protishthito-hoy-koto-sal-e" />
            <id>https://biratbazar.com/muslim-sahitto-somaj-protishthito-hoy-koto-sal-e</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহর সভাপতিত্বে ১৯২৬ সালের ১৯ জানুয়ারি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মুসলিম হল ইউনিয়ন কক্ষে 'মুসলিম সাহিত্য সমাজ' প্রতিষ্ঠিত হয়। সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক এ সংগঠনের মূলমন্ত্র ছিল বুদ্ধির মুক্তি। এ সংগঠনের বার্ষিক মুখপত্র 'শিখা' ১৯২৭ সালে প্রকাশিত হয়। 'শিখা' পত্রিকার মুখবাণী ছিলো-জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ,&nbsp;বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট,&nbsp;মুক্তি সেখানে অসম্ভব।]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 31 Jan 2025 15:57:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রিসিভার কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/recivar-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/recivar-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[স্থাবর সম্পত্তি লইয়া বিরোধ এবং কলহের সৃষ্টি হইলেই এর প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাকল্পে একজন প্রথম শ্রেণির ম্যাজিষ্ট্রেট পুলিশ অফিসারকে বিশেষ করিয়া থানার অফিসার ইনচার্জকে সেই সম্পত্তির রিসিভার নিয়োগ করিয়া থাকেন। জমি সংক্রান্ত বিরোধের ফলে শান্তি ভঙ্গের আশংকা থাকিলে পুলিশ রিপোর্টের ভিত্তিতে বা অন্যকোনোভাবে সংবাদ প্রাপ্ত হইয়া যখন কোনো নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট&nbsp; এইমর্মে সন্তুষ্ট হন যে, সেখানে শান্তি ভঙ্গের কারণ আছে, তখন তিনি সংশ্লিষ্ট পক্ষকে বিরোধীয় জমিতে প্রকৃত দখল সম্পর্কে দাবী পেশ করার জন্য নির্দেশ দিয়া লিখিত আদেশ দিয়া থাকেন। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৫(১) ধারা।&nbsp;&nbsp;অতঃপর ম্যাজিষ্ট্রেট সংশ্লিষ্ট পক্ষের দাবী সম্পর্কে উভয় পক্ষকে শুনিয়া বক্তব্য বিবেচনা করিয়া প্রয়োজনে সাক্ষ্য গ্রহণ করিয়া ঐ সময়ে কোন পক্ষ প্রকৃত দখলে ছিল, তাহা স্থির করেন। যদি ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট প্রতীয়মান হয় যে, উক্ত আদেশ প্রদানের পূর্ববর্তী দুই মাসের মধ্যে কোনো পক্ষকে বলপূর্ব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 30 Jan 2025 16:29:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাইবার অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশের ভুমিকা]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/cyber-oporadh-niyontrone-police-er-vumika" />
            <id>https://biratbazar.com/cyber-oporadh-niyontrone-police-er-vumika</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যেকোনো দেশের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে পুলিশ বা তদন্তকারী সংস্থার খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রহিয়াছে। এই অপরাধ দমনে বাংলাদেশ পুলিশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ক্ষেত্রে বিভিন্ন মাত্রা যোগ হইয়াছে। সেই প্রেক্ষিতে ২০০৬ সালের ৮ অক্টোবর বাংলাদেশে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি আইন, ২০০৬ প্রনয়ণ করা হইয়াছে। উল্লিখিত বিষয়ে আইনী বৈধতা ও নিরাপত্তার স্বার্থেই আইনটি করা হইয়াছে। তবে আইনের প্রয়োগ ও বাস্তবায়নই হইল মূল কথা। এই আইনে সাইবার অপরাধের সংজ্ঞা, বিচার পদ্ধতি ও শাস্তির বিধান করা হইয়াছে। বিচার হইবে সাইবার ট্রাইব্যুনালে। সর্বোচ্চ সাজা এককোটি টাকা পর্যন্ত হইতে পারে। পুলিশের কমপক্ষে একজন সাব-ইন্সপেক্টরের রিপোর্টের ভিত্তিতে এবং এই আইনে ক্ষমতাপ্রাপ্ত ব্যক্তির অনুমোদনে অভিযোগ করা হইলে ট্রাইব্যুনাল (জেলা জজ বা অতিরিক্ত জেলা জজ) বিচার আমলে নিবেন।&nbsp;&nbsp;অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেরও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, চিহ্নিত বা দমন করার জন্য IT Expert দের সমন্বয়ে পুলিশের স্পেশাল ব্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 30 Jan 2025 09:56:52 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ইভটিজিং প্রতিরোধে আইনী পদক্ষেপগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/eveteasing-protirodhe-ayini-pdokkhepguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/eveteasing-protirodhe-ayini-pdokkhepguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ইংরেজি Eve শব্দের আভিধানিক অর্থ হইল প্রথম নারী। বাইবেল অনুযায়ী সর্ব প্রথমে যিনি নারীরূপে জন্ম গ্রহণ করেন, তিনিই Eve। অর্থাৎ Eve হইল বিশ্বের প্রথম নারীর প্রতিভূ। তাহার পূর্বে কোনো নারী ছিলেন না। সৃষ্টিকর্তার সর্বপ্রথম সৃষ্ট নারীই হইল Eve। Eve&nbsp; বলিতে কোনো নারী বা মেয়ে শিশুকে বুঝানো হইয়াছে এবং ইভটিজিং বলিতে কোনো নারী বা মেয়ে শিশুকে উত্যক্ত করা, খেপানো, বিরক্ত করা, যৌন নিপিড়নমূলক শালীনতাহানি করা বা অমর্যাদা করার বিষয়ে ইঙ্গিত করা হইয়াছে। ইভটিজিং করা কালে পুরুষ লোকটি (বালক-বৃদ্ধ) বিভিন্ন মন্তব্য ও অঙ্গভঙ্গি করিয়া নারী বা মেয়ে শিশুটিকে বিরক্ত বা অমর্যদা করিতে পারে। Eveteaser সব সময়েই একজন পুরুষ (বালক-বৃদ্ধ) এবং Victim একজন নারী বা মেয়ে শিশু হইবে।&nbsp;&nbsp;ইভটিজিং একটি গুরুত্বর সামাজিক ব্যাধি। ইহার প্রকোপ দিনকে দিন বাড়িতেছে। এই অপকর্মের ফলে নারী ও মেয়ে শিশু স্কুল-কলেজে তথা বাড়ির বাহিরে পা রাখিতে সাচ্ছন্দ বোধ করে না। অনেকে মানসম্মানের ভয়ে,...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 30 Jan 2025 06:32:03 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[শওকত ওসমানের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাসগুলো কি কি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/sowkot-osmaner-muktijuddhovittik-uponnasgulo-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/sowkot-osmaner-muktijuddhovittik-uponnasgulo-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আরো কিছু মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস সমূহএকটি কালো মেয়ের কথা (তারাশঙ্কর বন্দ্যোপাধ্যায়)রাইফেল রোটি আওরাত (আনোয়ার পাশা)নিষিদ্ধ লোবান, নীল দংশন, এক যুবকের ছায়াপথ, ত্রাহি (সৈয়দ শামসুল হক)*হাঙর নদী গ্রেনেড (সেলিনা হোসেন)আগুনের পরশমণি, শ্যামল ছায়া, জোছনা ও জননীর গল্প, দেয়াল (হুমায়ূন আহমেদ)যাত্রা, প্রদোষে প্রাকৃতজন [ঐতিহাসিক উপন্যাস] (শওকত আলী)*কালো ঘোড়া, সাড়ে তিন হাত ভূমি,মহাযুদ্ধ, ঘেরাও (ইমদাদুল হক মিলন)উপমহাদেশ, কাবিলের বোন (আল মাহমুদ)*ফেরারী সূর্য (রাবেয়া খাতুন)খাচায় (রশীদ হায়দার)দেয়াল (আবু জাফর শামসুদ্দীন)বিধ্বস্ত রোদের ঢেউ (সরদার জয়েনউদ্দিন)এ গোল্ডেন এজ (তহমিমা আনাম)আমার বন্ধু রাশেদ (জাফর ইকবাল)অবেলায় অসময় (আমজাদ হোসেন)জীবন আমার বোন (মাহমুদুল হক)পূর্ব-পশ্চিম (সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়)জীবন ও রাজনৈতিক বাস্তবতা (শহীদুল জহির)প্রিয়যোদ্ধা প্রিয়জন (হারুন হাবীব)অদ্ভুত আঁধার এক (শামসুর রাহমান)আমার যত গ্লানি (রশীদ করীম)রাঙা প্রভাত (আবুল ফজ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 29 Jan 2025 18:46:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কমিউনিটি পুলিশিং কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/community-policing-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/community-policing-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কমিউনিটি পুলিশিংঃ “পুলিশেই জনতা এবং জনতাই পুলিশ”। পুলিশের মূখ্য কাজই হইল-দুষ্টের দমন ও শিষ্টের পালন। অর্থাৎ দুষ্ট লোকদের দমন করিয়া সমাজে শান্তি ও শৃংখলা বজায় রাখা। তবে এই দূরহ কাজটি পুলিশের একার পক্ষে সার্থকভাবে সব সময় করা সম্ভব হয় না। তাই জনগনের সহায়তা নিতে হয়। সমাজ বিজ্ঞানীরাও বলিয়া থাকেন- সমাজের বাসিন্দাদের জন্যই পুলিশ কাজ করিয়া থাকে, সমাজের বাসিন্দারাই যখন অপরাধ দমনে সম্পৃক্ত হইবে, তখনি পুলিশের পক্ষে দুষ্টের দমন শিষ্টের পালন সম্ভব হইবে। জনগনের সম্পৃক্ততার জন্যই সর্বপ্রথমে জাপানে কমিউনিটি পুলিশিং ব্যবস্থার উদ্ভব হয়। রবার্ট টি প্রিডম্যান উহা সমর্থন করেন। শহরে, বন্দরে, মহানগরে বসবাসরত বিভিন্ন গোষ্ঠী, বর্ণ, ধর্ম ও সম্প্রদায়ের লোকজনের আস্থা অর্জন করিয়া তাদেরকে পুলিশি কার্যক্রমে সহায়তাকারী শক্তি হিসাবে গণ্য করিতে হইবে। একটি নির্দিষ্ট এলাকার পুলিশ এবং জনগণ নিজ নিজ চাহিদা অনুসারে একে অপরের উপর সম্পূর্ণ আস্থা রাখিয়া অপরাধ দমন, সমাজে শৃংখলা স্থ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 29 Jan 2025 17:56:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ ডিসক্রিশন কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-discretion-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-discretion-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ডিসক্রিশন বলিতে ব্যক্তি স্বাতন্ত্রের ইচ্ছাকে বুঝায়। আভিধানিক অর্থে Discretion বলিতে- বিচারবুদ্ধি সম্পন্নতা, বিচক্ষণতা ইত্যাদি এবং স্বেচ্ছামত কাজ করার স্বাধীনতাকে বুঝাইয়াছে। এই অর্থে পুলিশ ডিসক্রিশন বলিতে পুলিশের ব্যক্তিগত ইচ্ছামাফিক পুলিশি কার্যক্রমকে বুঝানো হইয়াছে। একজন পুলিশ সদস্য বা পুলিশ অফিসারকে পুলিশি কার্যক্রমে প্রায় সকল ক্ষেত্রেই তাদের এই ডিসক্রিশন ক্ষমতাকে কাজে লাগাইতে হয়। পরিস্থিতিই একজন পুলিশ অফিসারকে ডিসক্রিশন প্রয়োগে অনেকক্ষেত্রে বাধ্য করিয়া থাকে।&nbsp;&nbsp;সব কাজেরই ভালো-মন্দ দুইটি দিক থাকিতে পারে। পুলিশ Discretion হইল একটি সিদ্ধান্ত যাহা সঠিক সময়ে সঠিক হইলে ভালো এবং সঠিক না হইলে তাহার মন্দ প্রভাব অবশ্যই পড়িবে। পুলিশের সব কাজেই সর্ব প্রথম আইন মোতাবেক হইতে হইবে। ইহাই পূর্ব শর্ত। অতঃপর পুলিশকে জনস্বার্থে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করিতে হইবে। জনস্বার্থ বিরোধী সিদ্ধান্ত বা Discretion প্রয়োগ করিলে মন্দ ফলই পাওয়া যাইবে। বে-আইনী সমাবেশ দমন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 29 Jan 2025 16:12:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পর্ণগ্রাফী কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/pornografi-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/pornografi-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পর্ণগ্রাফী বলিতে যৌন উত্তেজক সামগ্রী বা নগ্ন নারী-পুরুষের ছবি সম্বলিত কাগজপত্র, পুস্তক-পুস্তিকা, প্রচারপত্র ইত্যাদি প্রদর্শন করাকে বুঝানো হইয়া থাকে। নারী-পুরুষের যৌন মিলনের কলা-কৌশল সংক্রান্ত যাবতীয় খুটিনাটি বিষয়সমূহ ছবি বা&nbsp; ভিডিও এর মাধ্যমে প্রদর্শন করা হইয়া থাকে। পর্ণগ্রাফীর মাধ্যমে সমাজের তরুণ প্রজন্মকে কলুষিত করা হইয়া থাকে। নিষিদ্ধ জিনিসের প্রতি সবারই প্রবল আকর্শণ থাকে। বিশেষ করিয়া যুবক বা তরুণরাই প্রথমে আকৃষ্ট হইয়া থাকে। এই আকর্ষণ খুবই দুর্বার। অজানাকে জানার জন্য বিশ্বভ্রমাণ্ডের সবাই অধীন। তাই নতুন প্রজন্ম অতি আগ্রহে এই সামাজিক অবক্ষয়ের আগুনে ঝাপাইয়া পড়ে। হিতাহিত জ্ঞান থাকে না। ভলোমন্দ বুঝার ক্ষমতাই থাকে না। মাদকের নেশার মতোই পর্ণ সামগ্রী বা পর্ণগ্রাফীর সাথে যাহারা জড়িত থাকে বা জড়াইয়া পড়ে, তাহারা সকলেই নেশাগ্রস্থ হইয়া পড়ে। নেশার টাকা সংগ্রহ করার জন্য নেশার আসক্ত ব্যক্তিরা এমন কোনো কাজ নাই যাহা তাহারা করিতে না পারে। পর্ণ ছবি দেখা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 29 Jan 2025 09:57:25 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ভিসেরা কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/viscera-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/viscera-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো মৃত্যুর ঘটনায় বিষ প্রয়োগ করা হইয়াছে বলিয়া সন্দেহ হইলে ময়না তদন্তের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট ডাক্তার চুড়ান্ত মতামত প্রদান করিবার পূর্বে মৃতদেহের পাকস্থলীর ভিতরের দ্রব্যাদি সংরক্ষণ করিয়া রাসায়নিক পরীক্ষার জন্য তথা বিষের অস্থিত্ব সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়ার জন্য উহা রাসায়নিক পরীক্ষকের নিকট পুলিশের মাধ্যমে প্রেরণ করিয়া থাকেন। উহাকেই ভিসেরা বলা হয়।&nbsp;&nbsp;বিভিন্ন ধরণের বিষ রহিয়াছে। যেমন-&nbsp;(১) ক্ষয়কারক বিষ,(২) উত্তেজক বিষ,(৩) স্নায়বিক বিষ,(৪) অন্যান্য বিষ ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;উল্লিখিত বিষ সমূহের সবগুলি এক ধরণের প্রতিক্রিয়া দেখায় না। এক একটির প্রতিক্রিয়া এক এক ধরণের। যেমন-(১) জ্বালা পোড়া ও ঘা,(২) প্রদাহ,(৩) স্নায়ুবিক প্রতিক্রিয়া,&nbsp;(৪) নির্দিষ্ট প্রতিক্রিয়া,(৫) বিলম্বিত প্রতিক্রিয়া ইত্যাদি।&nbsp;&nbsp;মানুষের দেহে বিষ প্রয়োগ করা হইলে প্রকারভেদে নানারকম লক্ষণ প্রকাশ করিয়া থাকে। যেমন-(১) মুখের কিনারায়, নিউকাস মেমব্রেনে ক্ষত;(২) বমি হইলে কালচে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 29 Jan 2025 06:58:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ বিশ্লেষণ বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-bisleson-bolite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-bisleson-bolite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ বিশ্লেষণ (Crime Analysis) বলিতে অপরাধ এবং অপরাধীদের সম্পর্কে প্রাপ্ত তথ্যাদি বিশ্লেষণ করাকে বুঝায়। অপরাধ বিজ্ঞানে এই বিষয়টি বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কেননা, ইহার মাধ্যমে যথাসময়ে অপরাধের ধরণ, অপরাধের প্রবণতা, অপরাধে সংশ্লিষ্টতা, পারস্পারিক সম্পর্ক ইত্যাদি সম্পর্কে জানা যায়। অপরাধ বিশ্লেষণ বিভিন্নভাবে করা যাইতে পারে। যেমন-(১) পরিকল্পিত (Tactical) অপরাধ বিশ্লেষণঃ&nbsp;এই ক্ষেত্রে তাৎক্ষণিকভাবে অপরাধ চিহ্নিত করিয়া অপরাধ দমনে ব্যবস্থা করা যায়। এইভাবে প্রাপ্ত তথ্য কোনো আইন শৃঙ্গখলা বাহিনী বা তদন্তকারী সংস্থাকে বিশেষ ধরণের অপরাধ প্রবণতা ও অপরাধী গ্রেফতারে সহায়তা করে। প্রাথমিক কাজটি হইল- অপরাধ প্রবণতা এবং ইহার ধরণ চিহ্নিত করা। এইক্ষেত্রে প্রাপ্ত তথ্য দ্বারা অপরাধী কি অপরাধ প্রক্রিয়া (Modus operandi) ব্যবহার করিয়াছে তাহা তদন্তকারী অফিসার জানিতে পারিবেন এবং আসামীকে গ্রেফতার করা সম্ভব হইবে। অপরাধের গুরুত্ব, প্রকৃতি, ধরণ, অপরাধীর শারীরিক বর্ণনা, তাহারা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 28 Jan 2025 19:37:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ধুতুরার বিষ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/dhuturar-bis-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/dhuturar-bis-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ধুতুরা এক ধরণের গাছ। বাংলাদেশে দুই ধরণের ধুতুরা গাছ দেখিতে পাওয়া যায়। একটির ফুল সম্পূর্ণ সাদা এবং অন্যটিতে বেগুনি রঙের দাগযুক্ত ফুল ফুটে। উভয় ধরণের ফুল হইতেই বেশ বড় গোলাকার কাটাযুক্ত ফল হয়। এই দুই জাতের ফলই বিষাক্ত। ফলের শুকনা গুড়া বিষক্রিয়ায় ব্যবহার করা হইয়া থাকে। তবে এই গাছের সকল অংশই বিষাক্ত। ধুতুরার জাত দুইটি।&nbsp; যথা-(১) ধুতুরা ফেটোউসা এবং(২) ধুতুরা স্ট্রামোনিয়াম। &nbsp;ইহা স্নায়ুবিক বিষ।&nbsp;&nbsp;ধুতুরার বিষের লক্ষণ বা উপসর্গঃ&nbsp;এই বিষ সেবনের পর পাকস্থলিতে বেশ প্রভাব বিস্তার করে এবং নিম্নলিখিত উপসর্গসমূহ প্রকাশ করিয়া থাকে।&nbsp;(১) সেবনকারীর মাথা ঘুরে, শরীর স্থির থাকে না, মুখে বিস্বাদ লাগে;(২) গলা ও মুখ শুকাইয়া যায়;(৩) দৃষ্টিশক্তি আস্তে আস্তে ঝাপসা দেখায়;(৪) কণ্ঠস্বর ক্রমেই ক্ষীণ হইয়া আসে।&nbsp;(৫) হৃদযন্ত্র ও নারীর গতি দ্রুত হয়;(৬) ত্বক শুকনা ও খসখসে হয়;(৭) কথাবার্তা অসংলগ্ন হইয়া পড়ে;(৮) মন কল্পনাপ্রবন হয়;&nbsp;(৯) শরীর ক্রম...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 28 Jan 2025 14:38:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৃত্যু কত প্রকার ও কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mrittu-koto-prokar-o-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mrittu-koto-prokar-o-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৃত্যু সাধারণত তিন প্রকার। যথা-(১) মুর্চ্ছা যাওয়া (Syncope);&nbsp;(২) দম বন্ধ হওয়া (Asphyxia);&nbsp;(৩) অচেতনাবস্থা (Coma)।&nbsp;&nbsp;মাবনুষের জৈবিক বৈশিষ্ট্যের অপরিবর্তনশীল বিলুপ্তিই মৃত্যু। এই মৃত্যু দুইটি স্তরে ঘটিয়া থাকে। যেমন-(ক) দেহগত মৃত্যু,(খ) কোষগত মৃত্যু।&nbsp;&nbsp;ফাঁসিতে মৃত্যুর লক্ষণসমূহঃ&nbsp;(১) চেহারা বিবর্ণ এবং মুখ মণ্ডল শান্ত থাকে তবে কখনও লালচে ও স্ফীত থাকে।&nbsp;(২) ঠোঁট, নখ, চামড়ায় নীলবর্ণ বা কালশিরা আসিতে চায় এমন দেখায়।&nbsp;(৩) চোখ অর্ধখোলা অথবা কখনও বাহির হইয়া আসিতে চায় এমন দেখায়।(৪) চোখের মনি সম্প্রসারিত থাকে।(৫) জিহবা দাঁতের মধ্য দিয়া বাহিরে আসতে চায় কিংবা দাঁতে চাপিয়া ধরা থাকে।&nbsp;(৬) থুতনী ও বুকের উপর সোজাসুজিভাবে লালা গড়াইয়া পড়ে।&nbsp;(৭) যৌন অংঙ্গসমূহে উত্তেজনারভাব দেখা যায়।(৮) পুরুষাঙ্গ হইতে শুক্র নির্গত হইতে পারে।(৯) নাক, কান ও মুখ দিয়া রক্তিম তরল পদার্থ নির্গত হইতে পারে।&nbsp;(১০) মলমূত্র নির্গত হইতে প...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 28 Jan 2025 10:06:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সুরতহাল বা ইনকুয়েস্ট রিপোর্ট কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/surothal-ba-inquest-riport-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/surothal-ba-inquest-riport-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[যে কোনো অস্বাভাবিক এবং সন্দিগ্ধ মৃত্যুর ঘটনার ক্ষেত্রেই ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৭৪ ধারার বিধান মোতাবেক পুলিশ অফিসার বা ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৭৬ ধারা মোতাবেক কোনো ম্যাজিস্ট্রেট নিজে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হইয়া&nbsp; মৃত লাশের সম্পর্কে যে পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদন তৈরি করেন তাহাকে সুরতহাল বা ইনকুয়েস্ট রিপোর্ট বলা হয়। সুরতহাল শব্দটির আভিধানিক অর্থ হইল- সুরত অর্থ চেহারা, হাল অর্থ অবস্থা। পুলিশ অফিসার বা ম্যাজিস্ট্রেট স্থানীয় গন্যমান্য ব্যক্তিগণের উপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তির নিকট আত্মীয়দের সনাক্ত মতে মৃত দেহ ওলট-পালট করাইয়া গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করেন এবং মৃত লাশের উপর কোনো ক্ষত বা জখম, ভাঙ্গা মচকা যাওয়ার দাগ ও অন্যান্য আঘাতের চিহ্ন (যদি থাকে) সঠিকভাবে বর্ণনা করিয়া যে উপায়ে অস্ত্র বা যন্ত্র দ্বারা উক্ত ক্ষত বা চিহ্নের সৃষ্টি হইয়াছে বলিয়া মনে হয়, তাহা বিস্তারিত উল্লেখ করিয়া আপাতদৃষ্টিতে ও প্রাথমিক তদন্তে মৃত্যুর কারণ সম্পর্কে যে প্রতিবেদন বা রিপোর্ট তৈরি কর...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 28 Jan 2025 03:50:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধীর আঙ্গুলের ছাপকে ভিজিটিং কার্ড বলা হয় কেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadhir-angguler-chapke-visiting-kard-bola-hoy-keno" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadhir-angguler-chapke-visiting-kard-bola-hoy-keno</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো অপরাধীকে সনাক্তকরণের সর্বোত্তম পদ্ধতি হইল আঙ্গুলের ছাপের তুলনামুলক পরীক্ষা। অপরাধের ঘটনাস্থলে আঙ্গুলের ছাপ পাওয়া গেলে তা যদি সন্দিগ্ধ ব্যক্তির আঙ্গুলের ছাপের সহিত মিলিয়া যায়, তবে নিশ্চিতভাবে বলা যায় যে, উক্ত সন্দিগ্ধ ব্যক্তি ঘটনাস্থলে হাজির ছিল। কোনো অপরাধীর ঘটনাস্থলে আঙ্গুলের ছাপ পাওয়ার অর্থ যেন এই যে, সে নিজের নাম ঠিকানা সম্বলিত ভিজিটিং কার্ড সেখানে রাখিয়া আসিয়াছে। কোনো ভিজিটিং কার্ড হইতে যেমন কোনো ব্যক্তিকে খুঁজিয়া বাহির করা সম্ভব, তেমনি ঘটনাস্থলে প্রাপ্ত আঙ্গুলের ছাপ দ্বারা অপরাধীকে নির্ভুলভাবে সনাক্ত করা যায়। সেই কারণেই কোনো অপরাধের ঘটনাস্থলে অপরাধী কর্তৃক ফেলাইয়া যাওয়া আঙ্গুলের ছাপকে পরিদর্শন কার্ড বা Visiting card&nbsp; বলা হইয়া থাকে।&nbsp;&nbsp;ঘটনাস্থলে সাধারণত তিন ধরণের আঙ্গুলের ছাপ দেখিতে পাওয়া যায়। যেমন-&nbsp;(১) খোদাই ছাপ (Plastic print): কোনো নরম দ্রব্যের উপর হাত রাখিবার ফলে এই ছাপ পড়ে। মাখন, মোম, ধুলার আস্তর, পেস্ট, সা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 27 Jan 2025 15:33:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[থানার মূল্যবান রেজিস্টারগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/thanar-mulloban-registarguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/thanar-mulloban-registarguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[থানা হইল পুলিশের মাঠ পর্যায়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি ইউনিট। অপরাধ ও অপরাধীর যাবতীয় তথ্য সর্ব প্রথমে থানায় পুলিশ রেকর্ডভুক্ত করা হয়। পিআরবি-৩৭৩ বিধি মোতাবেক থানায় চালু থাকা মোট ৮৬টি ফাইল ও রেজিস্টারের তালিকা উল্লেখ আছে। উল্লিখিত রেজিস্টার সমূহের মধ্যে থানায় ব্যবহুত মূল্যবান রেজিস্টারগুলির বিষয়ে নিম্নে উল্লেখ করা হইল।&nbsp;&nbsp;(১) এজাহার বহি বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (FIR): যেকোনো আমলযোগ্য অপরাধের প্রাথমিক সংবাদ উহাতে রেকর্ড করা হয় (ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৪ ধারা এবং পিআরবি-২৪৩ বিধি)।&nbsp;&nbsp;(২) জেনারেল ডায়রী বা জিডি: এই রেজিস্টার থানার যাবতীয় কর্মকান্ডের দৈনিক বিবরণ লিপিবদ্ধ করা হয়। ২৪ ঘন্টাই ইহার কার্যক্রম চালু থাকে (ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৪/১৫৫ ধারা এবং পিআরবি-৩৭৭ বিধি এবং পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা)। &nbsp;&nbsp;(৩) নন-এফআইআর (Non FIR) মামলার রেজিস্টার: যে সকল অপরাধের অভিযোগের সরাসরি মামলা রুজু করা হয় না সেইগুলি এই রেজিস্টারে লিপিবদ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 27 Jan 2025 05:00:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ রিপোর্ট কি? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-riport-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-riport-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৬ ধারার বিধান মোতাবেক থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বা কোনো তদন্তকারী অফিসার কোনো মামলার তদন্ত শেষ করিয়া ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৭৩ ধারার বিধান মোতাবেক আমলী আদালতে যে রিপোর্ট দাখিল করিয়া থাকেন, তাহাকে পুলিশ রিপোর্ট বলা হয়। এই রিপোর্ট দুই ধরণের হয়। যেমন=(১) অভিযোগপত্র বা চার্জ সিট,(২) চুড়ান্ত রিপোর্ট বা ফাইনাল রিপোর্ট।অভিযোগপত্র বা চার্জ সিটঃ&nbsp;তদন্তকারী অফিসার তাহার তদন্ত শেষে যদি অভিযুক্ত বা সন্দিগ্ধ ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট মামলায় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৭০ ধারা মোতাবেক পর্যপ্ত সাক্ষ্য প্রমাণ প্রাপ্ত হন, তবে তিনি আসামী বা আসামীদের বিরুদ্ধ্বে আইনের প্রযোজ্য ধারায় অভিযোগপত্র বা চার্জসিট দাখিল করেন। উহাতে মামলার যাবতীয় তথ্য থাকে। এমনকি আসামীর পূর্ব ইতিহাস ও পূর্ব দন্ড (যদি থাকে) উল্লেখ করা হয়। অভিযোগপত্রের&nbsp; ভিত্তিতে মামলার কার্যক্রম শুরু হয় (পিআরবি-২৭২)।&nbsp;চুড়ান্ত রিপোর্ট বা ফাইনাল রিপোর্টঃ&nb...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 27 Jan 2025 03:35:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পেশাদার অপরাধী কারা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/peshadar-oporadhi-kara" />
            <id>https://biratbazar.com/peshadar-oporadhi-kara</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পেশাদার অপরাধীর উৎসঃ&nbsp;পেশাদার অপরাধীদের মূখ্য অংশ আইনসম্মত পেশা হইতেই বাহির হইয়া আসে এবং অপরাধ জগতে তাহাদের অনুপ্রবেশ ঘটে। যেনোতেনো অপরাধীদের মধ্য হইতে সাধারণত পেশাদার অপরাধীর আগমন ঘটে না। অপরাধ বিজ্ঞানী ওয়ালটার সি. রেকলেসের মতে- পেশাদার চোরেরা তাদের জীবনের প্রথম দিকে আইনসম্মত পেশা, যেমন-বিক্রেতা, হোটেল কেরানী, বেলবয়, ওয়ার্ডবয়, ওয়েটার ইত্যাদি পেশায় ছিল কিন্তু পরবর্তীতে অনেকেই পেশাদার চোর বনিয়া যায়। প্রথমে পেশাদার অপরাধী বা অপরাধী দলের সহিত মিশিয়া ঘনিষ্ঠ হয় এবং তাহাদের দেওয়া একটি অপরাধ কর্ম সফলভাবে সম্পন্ন করিয়া দলে পাকাপোক্ত স্থান করিয়া নেয়। দীর্ঘ অপরাধ জীবনের অভিজ্ঞতারও প্রয়োজন পড়ে না। একজন ব্যবসায়ী বা শ্রমিক নেতাও পেশাদার অপরাধী দলে নাম লেখাইতে পারে। পেশাদার অপরাধীরা অপরাধ সংঘটনে সুষ্টু পরিকল্পনা এবং বাস্তবতা ও অপরাধ প্রক্রিয়া এর সমন্বয়ে কাজ সম্পন্ন করিয়া থাকে। পেশাদার অপরাধীর জন্য গ্রামীণ পরিবেশের চেয়ে শহরে সমাজে অনুকূল পরিস্থিতি থ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 26 Jan 2025 08:33:39 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['নীললোহিত' কোন লেখকের ছদ্মনাম ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/neellohito-kon-lekhoker-choddonam" />
            <id>https://biratbazar.com/neellohito-kon-lekhoker-choddonam</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের মোট তিনটি ছদ্মনামের একটি 'নীললোহিত'। বাকি দুটি 'সনাতন পাঠক' ও 'নীল উপাধ্যায়'।]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 25 Jan 2025 15:57:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['মুখ ঢেকে যায় বিজ্ঞাপনে' কাব্যগ্রন্থের কবি কে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/mukh-dheke-jay-biggapone-kabbogronther-kobi-ke" />
            <id>https://biratbazar.com/mukh-dheke-jay-biggapone-kabbogronther-kobi-ke</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 25 Jan 2025 15:54:32 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিশোর অপরাধ নিবারণে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাইতে পারে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/kishor-oporadh-nibarone-ki-babostha-grohon-kora-jaite-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/kishor-oporadh-nibarone-ki-babostha-grohon-kora-jaite-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শিশু আইন ২০১৩ এর ৪ ধারা মোতাবেক অনুর্ধ ১৮ বৎসর বয়স পর্যন্ত সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গণ্য। এই আইন মোতাবেক কিশোরও শিশু হিসাবে গণ্য এবং “কিশোর অপরাধী” বা আইনের সহিত সংঘাতে জড়িত শিশু অর্থ এইরূপ কোনো শিশু যাহাকে অপরাধ&nbsp; বা দোষ করিতে দেখা যায়। প্রায় দেশেই কিশোর সাধারণত ১৭-১৮ বৎসরের কম বয়স্কদেরকে বুঝানো হইয়াছে। এই শিশু-কিশোর কর্তৃক কৃত অপরাধ বা দোষই হইল কিশোর অপরাধ । বাংলাদেশে কিশোর অপরাধ&nbsp; বা দোষ&nbsp; নিবারণকল্পে সরকার এবং সামাজিকভাবে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাদি গ্রহণ করা যাইতে পারে। যেমন-&nbsp;(১) অর্থনৈতিক উন্নতিঃ&nbsp; &nbsp;&nbsp;দেশের দারিদ্রতা দূরীকরণে এবং জীবনের মান-উন্নয়নে সরকার পঞ্চ বার্ষিকী পরিকল্পনা গ্রহণ করিতে পারে।&nbsp;&nbsp;(২) পরিবার পরিকল্পনা ও জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণঃ&nbsp;এই সংক্রান্তে সরকারিভাবে ব্যাপক পরিকল্পনা কার্যক্রম চালু আছে। সামাজিকভাবেও সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন।&nbsp;&nbsp;(৩) গৃহ ব্যবস্থাঃ&nbsp;প্রতিটি গৃহই শিশু-কিশোরের...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 25 Jan 2025 05:06:11 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ বিজ্ঞান কিভাবে তদন্তকারী অফিসারকে সাহায্য করিতে পারে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-biggan-kivabe-todontokari-officerke-sahajjo-korite-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-biggan-kivabe-todontokari-officerke-sahajjo-korite-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ বিজ্ঞান অপরাধ ও অপরাধীদের সম্পর্কে বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা ও পর্যালোচনা করিয়া থাকে। অপরাধীদের কৃতকর্মের পদ্ধতি ও কলাকৌশল সম্পর্কে বিজ্ঞানসম্মত উপায়ে আধুনিক পদ্ধতিতে তদন্তকারী অফিসারকে বিভিন্ন মামলা তদন্তে সাহায্য করিতে পারে। অপরাধ ও অপরাধীদের সনাক্তকরণের উদ্দেশ্যে অপরাধ বিজ্ঞান পদার্থবিদ্যা, রসায়নবিদ্যা, জীববিদ্যা, চিকিৎসাবিদ্যা ইত্যাদি নানান বিদ্যার আলোকে বিজ্ঞানভিত্তিক নানা আধুনিক পদ্ধতি, কৌশল, যন্ত্রপাতি ও ব্যবহারিক জ্ঞান প্রয়োগের ও পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলাফল তদন্তকারী অফিসারকে যথা সময়ে সরবরাহ করিয়া তদন্তকাজে প্রভূত সাহায্য ও দিক নির্দেশনা প্রদান করিতে পারে।অপরাধের কার্যক্রমের ভিত্তিতে বিভিন্ন গবেষণাগারে প্রাপ্ত আলামত বা বস্তুসাক্ষ্য এর উপর বিজ্ঞানভিত্তিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া পরীক্ষালব্ধ ফলাফল তদন্তকারী অফিসারকে যথাসময়ে প্রদান করিলে সংশ্লিষ্ট তদন্তকারী অফিসার প্রাপ্ত তথ্য ও উপাত্বের ভিত্তিতে সঠিক পথে তদন্ত পরিচালনা করিয়া অপরাধ ও অপর...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 24 Jan 2025 16:47:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বস্তুসাক্ষ্য বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bostusakkho-bolite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/bostusakkho-bolite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো বস্তু আদালতে উপস্থাপিত হইলে ঘটনার প্রাসঙ্গিকতায় সেই বস্তু নিজেই একজন সাক্ষী হিসাবে গণ্য হয়। কোনো মামলার তদন্তকালে ঘটনাস্থল হইতে তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক এইরূপ সংগৃহীত বস্তু বা আলামতই বস্তুসাক্ষ্য। যেমন সিধেঁল চুরির মামলায় জব্দকৃত সিধকাঠি কেননা, বস্তুই কথা বলে। অপরাধের সাথে অপরাধীর যোগসূত্র স্থাপনকারী বস্তুই বস্তুসাক্ষ্য। এই সাক্ষীর অপর নাম হইল, ফরেনসিক সাক্ষ্য। ইহা প্রধানত তিন প্রকার। যথ-(১) ঘটনা সংশ্লিষ্ট বস্তুসাক্ষ্যঃ&nbsp;কোনো অপরাধ ঘটনার সহিত অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত কোনো মালামাল এবং ঘটনার পর পুলিশ কর্তৃক উদ্ধারকৃত সেই মালামালই এই ধরণের বস্তুসাক্ষ্য। যেমন- চুরি মামলায় চোরাই এবং চোরাই উদ্ধার মালামাল।&nbsp;(২) অপরাধীর সাথে সংশ্লিষ্ট বস্তুসাক্ষ্যঃ&nbsp;অপরাধের সহিত অপরাধীর যোগসূত্র স্থাপনকারী বস্তুসাক্ষ্যগুলি এই শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত। এই সাক্ষ্য দ্বারা কোনো ঘটনা সরাসরি প্রমাণিত বলিয়া গণ্য না হইলেও অপরাধীর এই ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হইতে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 24 Jan 2025 10:19:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধস্থল বা ঘটনাস্থল এর গুরুত্ব]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadhsthol-ba-ghotonasthol-er-gurutto" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadhsthol-ba-ghotonasthol-er-gurutto</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো অপরাধের বা মামলার ঘটনাস্থল একটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কেননা, মামলাটির তদন্তকার্যক্রম ঘটনাস্থল হইতেই পুলিশকে শুরু করিতে হয়। তাই কোনো তদন্তকারী পুলিশ অফিসারকে সংশ্লিষ্ট অপরাধী সনাক্তকরণ ও তাহার শাস্তি প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য তথা এলাকার শৃংখলা বিধানকল্পে অতিদ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়া পৌছাইতে হয়। ঘটনাস্থলে পৌছিয়াই উহাকে ভালভাবে সংরক্ষিত ও নিরাপদ করিতে হয়। ইহাতে তদন্তকাজে সফলতা আসে। কেননা, কোনো ঘটনার পর ঘটনাস্থলে অপরাধের নানাবিধ সূত্র প্রকাশ্যে ও গোপনে ছড়াইয়া ছিটাইয়া থাকে। তদন্তকারী অফিসার বিলম্বে ঘটাস্থলে পৌছিলে অনেক মূল্যবান সূত্র হারাইয়া বা নষ্ট হইয়া যাওয়ার সমূহ সম্ভাবনা থাকে। ঘটনাস্থল হইতে যথাসময়ে বস্তুসাক্ষ্য সংগ্রহ করিয়া সংরক্ষণ করিতে না পারিলে মামলা উদঘাটনে তদন্তকারী অফিসার সফলতা হারাইয়া ফেলিতে পারেন এবং মামলার সুরাহা সুদুর পরাহত হইতে পারে। ঘটনাস্থলে পৌছিয়া তদন্তকারী অফিসার নিম্নলিখিত বিষয়গুলি সহজেই অবহিত হইতে পারেনঃ(১) কি ঘটিয়া...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 24 Jan 2025 06:40:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ প্রক্রিয়া (Modus Operandi) বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-prokriya-modus-operandi-boite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-prokriya-modus-operandi-boite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ প্রক্রিয়াকে ইংরেজিতে Modus Operandi বলা হয়। তবে এই শব্দটি ল্যাটিন শব্দ। যাহার অর্থ হইল Mode of Operatino বা অপরাধ প্রক্রিয়া। অর্থাৎ কোনো অপরাধী বা পেশাদার অপরাধী অথবা পেশাদার অপরাধী দল যে পদ্ধতিতে অপরাধ করিয়া থাকে- সেই বিশেষ প্রক্রিয়াকেই অপরাধ প্রক্রিয়া বা Modus Operandi বলা হইয়া থাকে। লণ্ডনের ওয়েষ্ট রাইডিং কনস্টেবলারীর তৎকালীন চিফ কনস্টেবল মেজর স্যার এল, ডব্লিউ আর্চালি এই পদ্ধতি আবিস্কার করেন। পরবর্তীতে মি. অগাস্ট ভোলমার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উহার ব্যাপক উন্নতি সাধন করেন। ইহার নিম্নরূপ বৈশিষ্ট রহিয়াছে।&nbsp;(১) অপরাধীর চারিত্রিক বৈশিষ্ট;(২) মানসিক প্রতিচ্ছবি;(৩) ব্যক্তিত্বের অদ্ভুত আচরণ;(৪) একই পদ্ধতি অবলম্বন করিয়া বাববার একই অপরাধ করা;(৫) সাধারণত যে পদ্ধতিতে অপরাধটি করা হয়, সারাজীবন সেই পদ্ধতি অপরিবর্তিত থাকে। তবে বর্তমান সময়ে কিছু কিছু ব্যতিক্রম পরিলিক্ষিত হইতেছে।&nbsp;(৬) যে অপরাধী যে ধরণের অপরাধ করিতে অভ্যস্ত হইয়া পড়ে, সেই অপরা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 23 Jan 2025 15:57:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অণুবিশ্লেষণ বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/onubisleshon-bolite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/onubisleshon-bolite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অণুবিশ্লেষণকে ইংরেজিতে Micro analysis বলা হয়। কোনো মামলার ঘটনাস্থলে বা তাহার আশেপাশে প্রাপ্ত আলামত সমূহকে অণুবীক্ষণ যন্ত্রের নিচে রাখিয়া বারবার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করিয়া যে প্রক্রিয়ায় প্রাপ্ত বস্তু (আলামত) সম্পর্কে কোনো বিশেষজ্ঞ মতামত দিয়া থাকেন, এই প্রক্রিয়াকে অণুবিশ্লেষণ বলা হইয়া থাকে। অণুবিক্ষণ যন্ত্রের সাহায্যে প্রাপ্ত বস্তুর তথা রক্ত, মল, মূত্র, বীর্য, চুল, পানি, বমি, ধাতব পদার্থের কোনো যন্ত্রের দাগ, ধুলাবালি, পশম, আঁশ, কাগজ, কালী ও পেন্সিলের লেখা, গুলি, গুলির খোসা, ফায়ারিং পিন, ধাতব বস্তুর গঠনপ্রণালী ইত্যাদি বহুগুণ, (২০ গুণ পর্যন্ত) বর্ধিত করিয়া তথ্য রেকর্ড করা হয় এবং ক্ষেত্রমতে তুলনামূলক বিচার বিশ্লেশণ করা হয়।&nbsp;&nbsp;নিম্নলিখিত মামলার তদন্তের ক্ষেত্রে অণুবিশ্লেশণ এর মতামত গ্রহণ করা প্রয়োজন হয়ঃ&nbsp;&nbsp;(১) খুন বা হত্যা মামলাঃ এই ক্ষেত্রে রক্ত, বীর্য, চুল, ক্ষত চিহ্ন ইত্যাদির অণুবিশ্লেষণের মাধ্যমে মামলার ঘটনার ক্ষেত্রে আসামীদের য...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 23 Jan 2025 08:42:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['মানুষের মৃত্যু হ'লে তবুও মানব থেকে যায়'- কবিতার অংশটি কে রচনা করেন ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/manusher-mrrittu-hole-tobuo-manob-theke-jay-kobitar-ongshoti-ke-rocona-koren" />
            <id>https://biratbazar.com/manusher-mrrittu-hole-tobuo-manob-theke-jay-kobitar-ongshoti-ke-rocona-koren</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জীবনানন্দ দাশ রচিত 'জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা' কাব্যগ্রন্থের অন্তর্ভুক্ত 'মানুসের মৃত্যু হ'লে' কবিতার বিখ্যাত পঙক্তি 'মানুষের মৃত্যু হ'লে তবুও মানব থেকে যায়'।সম্পূর্ণ কবিতাটি:মানুষের মৃত্যু হ’লে তবুও মানবথেকে যায়; অতীতের থেকে উঠে আজকের মানুষের কাছেপ্রথমত চেতনার পরিমাপ নিতে আসে।আজকের আগে যেই জীবনের ভিড় জমেছিলোতা’রা ম’রে গেছে;প্রতিটি মানুষ তার নিজের স্বতন্ত্র সত্তা নিয়েঅন্ধকারে হারায়েছে;তবু তা’রা আজকের আলোর ভিতরেসঞ্চারিত হ’য়ে উঠে আজকের মানুষের সুরেযথন প্রেমের কথা বলেঅথবা জ্ঞানের কথা—অনন্ত যাত্রার কথা মনে হয় সে-সময়দীপঙ্কর শ্রীজ্ঞানের;চলেছে— চলেছে—একদিন বুদ্ধকে সে চেয়েছিলো ব’লে ভেবেছিলো।একদিন ধূসর পাতায় যেই জ্ঞান থাকে— তাকে।একদিন নগরীর ঘুরোনো সিঁড়ির পথ বেয়েবিজ্ঞানে প্রবীণ হ’য়ে— তবু— কেন অম্বাপালীকেচেয়েছিলো প্রণয়ে নিবিড় হ’য়ে উঠে!চেয়েছিলো—পেয়েছিলো শ্রীমতীকে কম্প্র প্রাসাদে:সেই সিঁড়ি ঘুরে প্রায় নীলিমার গায়ে গিয়ে লাগে;সি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 23 Jan 2025 08:30:14 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জনসাধারণের আইনগত ব্যবস্থাপনায় অংশগ্রহণের সুযোগগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jonosadharoner-ayingoto-babosthaponay-ongsogrhoner-sujogguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jonosadharoner-ayingoto-babosthaponay-ongsogrhoner-sujogguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ দমন, অপরাধ প্রতিরোধ এবং আইনশৃংখলা রক্ষার ক্ষেত্রে পুলিশ সব সময়েই জনসাধারণের সহায়তা কামনা করিয়া থাকেন। অর্থাৎ পুলিশ এলাকার জনসাধারণের সক্রিয় সাহায্য সহযোগিতা পাইলেই যাবতীয় পুলিশি কার্যক্রম তথা আইন প্রয়োগ ও আইনগত ব্যবস্থাপনা সঠিকভাবে পরিচালনা করিতে পারে। দেশে প্রচলিত বিভিন্ন আইন ও বিধিতে তাই জনসাধারণের অংশগ্রহণের জন্যও সুযোগ রাখা হইয়াছে। যেমন-&nbsp;(ক) ফৌজদারী কার্যবিধিঃ&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪২ ধারা মোতাবেক সকল পুলিশি কার্যক্রমে জনসাধারণ ম্যাজিষ্ট্রেট ও পুলিশকে সাহায্য করিতে বাধ্য।&nbsp;(২) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৩ ধারা মোতাবেক পুলিশ অফিসার ছাড়াও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিলকারী যেকোনো ব্যক্তিকে জনসাধারণ সাহায্য করিতে পারেন।&nbsp;(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৪ ধারা অনুসারে জনসাধারণ কতিপয় অপরাধ সম্পর্কে পুলিশকে সংবাদ দিবেন।&nbsp;(৪) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৫ ধারার বিধানমতে গ্রাম প্রধান, হিসাবনবিস, জমির মালিক ও অন্যান্য কতিপয়...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 23 Jan 2025 02:31:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা হইলে রক্ষা পাওয়ার উপায়]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-officer-er-biruddhe-dewani-o-foujdari-mamla-hoile-rokkha-pawar-upay" />
            <id>https://biratbazar.com/police-officer-er-biruddhe-dewani-o-foujdari-mamla-hoile-rokkha-pawar-upay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা হইলে নিম্নলিখিত বিধি বিধান মোতাবেক আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা নিতে পারিবেন।&nbsp;(১) পিআরবি ৯৮: এই প্রবিধান মোতাবেক পুলিশ অফিসারের বিরুদ্ধে দেওয়ানী মামলা রুজু করা যাইবে না। তবে পুলিশ সুপার অভিযোগটি সম্পর্কে জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট ও ডিআইজি এর মাধ্যমে মহা-পুলিশ পরিদর্শককে একটি রিপোর্ট পাঠাইতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(২) পিআরবি ৯৯: এই প্রবিধার অনুসারে সরকারের কাছে যখন প্রতীয়মান হয় যে, কোনো পুলিশ অফিসার আইনসঙ্গত দয়িত্ব পালনকালে সরল বিশ্বাসের বশবতী হইয়া কোনো কাজ করিয়াছেন এবং তিনি দেওয়ানী বা ফৌজদারী মামলায় জড়িত হইয়াছেন, তখন উক্ত পুলিশ অফিসারকে রক্ষা করিবার জন্য সরকার নিজ দায়িত্ব স্বীকার করিয়া নেন। অর্থাৎ এই প্রবিধানে দেওয়ানী ও ফৌজদারী মামলা হইতে পুলিশ অফিসারের রক্ষার ব্যবস্থা বিবৃত হইয়াছে। সরকারি অনুমোদন ছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধি ১৯৭ ধারা মতেও কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ না করার বিধান রহিয়াছে। এই প্রবিধান মোতাবেক পুল...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 22 Jan 2025 20:57:02 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সজনীকান্ত দাস সম্পাদিত পত্রিকার নাম কী ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/sojonikanto-das-sompadito-potrikar-nam-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/sojonikanto-das-sompadito-potrikar-nam-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[শনিবারের চিঠি বাংলাভাষার অন্যতম বিখ্যাত সাহিত্য-সাময়িকী, যা বিংশ শতকের প্রথমার্ধে ১৯২৪ খ্রিষ্টাব্দে প্রবর্তিত হয়েছিল। এটি ছিল একটি সাপ্তাহিক কাগজ পত্রিকা এবং এর মূল স্বত্বাধিকারী ছিলেন অশোক চট্টোপাধ্যায়। যোগানন্দ দাস এর প্রতিষ্ঠাতা সম্পাদক। তবে আদ্যোপান্ত- শনিবারের চিঠি'র প্রাণপুরুষ ছিলেন কবি-সাহিত্যিক সজনীকান্ত দাস। শনিবারের চিঠি দু‌ই পর্যায়ে প্রকাশিত হয়েছিল। এর প্রথম প্রকাশ ১০ই শ্রাবণ ১৩৩১ তথা ১৯২৪ খ্রিস্টাব্দের ২৬শে জুলাই। প্রতিষ্ঠালগ্নে সম্পাদক ছিলেন যোগানন্দ দাস। তবে ভাদ্র ১৩৩১/ফাল্গুন এ ১৩৩১ সংখ্যা (সাপ্তাহিক একাদশ সংখ্যা) থেকে সজনীকান্ত দাস সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছেন। এতে যারা লিখেছেন তাদের মধ্যে অন্যতম মোহিতলাল মজুমদার, হেমন্তকুমার চট্টোপাধ্যায়, নীরদচন্দ্র চৌধুরী, পরিমল গোস্বামী প্রমুখ। এঁদের ভাষা ছিল ব্যঙ্গময়। সমালোচনার লক্ষ্য ছিল পিত্ত জ্বালিয়ে দেয়া।সজনীকান্তের সম্পাদিত আরেকটি বিখ্যাত পত্রিকার নাম 'বঙ্গশ্রী'।পত্রিকা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 22 Jan 2025 09:57:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশের প্রতিরোধমূলক ক্ষমতাগুলি কি কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-er-protirodhmulok-khomotaguli-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-er-protirodhmulok-khomotaguli-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইন মোতাবেক আমলযোগ্য অপরাধ প্রতিরোধ বা নিবারণ কল্পে পুলিশকে বেশকিছু আইনী ক্ষমতা প্রদান করা হইয়াছে, সেইগুলি প্রয়োগ করিয়া পুলিশ অপরাধ প্রতিরোধ করিতে সক্ষম হইতে পারে। যেমন-&nbsp;(১) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৪৯ ধারাঃ অপরাধ প্রতিরোধ ও দমন করাই পুলিশের মূল কর্তব্য এবং এলাকার শান্তি প্রতিষ্ঠা করাই পুলিশের দায়িত্ব। এই ধারা অনুযায়ী যে কোনো পুলিশ অফিসার অপরাধ প্রতিরোধের বা নিবারণের লক্ষ্যে তাহার সাধ্যমত পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়া কোনো আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটন ঠেকাইতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(২) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫০ ধারাঃ কোনো অধস্তন পুলিশ অফিসার আমলযোগ্য অপরাধ সংঘটনের ষড়যন্ত্র সম্পর্কে কোনো সংবাদ পাইলে তিনি যাহাতে অপরাধটি সংঘটিত হইতে না পারে সেই লক্ষ্যে তাহার উর্ধতন কর্মকর্তাকে সংবাদটি জানাইবেন, যাহাতে উর্ধতন অফিসার তাহার সাধ্যমত প্রতিরোধমূলিক পদক্ষেপ নিতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫১ ধারাঃ কোনো পুলিশ অফিসার যখন দায়ী ব্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Wed, 22 Jan 2025 07:48:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানহানি বলিতে কি বুঝায়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/manhani-bolite-ki-bujhay" />
            <id>https://biratbazar.com/manhani-bolite-ki-bujhay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[নাট্যকার সেক্সপিয়ার বলিয়াছেন যে, প্রতিটি মানুষের নিকট তাহার সুনামই হইল বড় ঐশ্বর্য। নিন্দাবাদ দ্বারা কাহারো সুনাম নষ্ট করা বা ক্ষুন্ন করাকেই মানহানি বলে। সুনাম হইল সম্পত্তি। তবে স্থাবর বা অস্থাবর সম্পত্তি নহে। বিদেহী বা ইনকরপোরিয়াল সম্পত্তি। সুনাম নামক সম্পত্তি অনুভব করা গেলেও ছোঁয়া যায় না। দেহী বা করপোরিয়াল সম্পত্তি যদি মূল্যবান হয়, তবে সুনাম অমূল্য সম্পদ। যে ব্যক্তির সুনাম নষ্ট হইয়া যায়, তিনি একেবারেই নিঃস্ব হইয়া পড়েন। এই সুনাম হইল কাহারো নামের, যশের তথা চরিত্রের সুনাম। চরিত্রের সুনাম নষ্ট করা মানহানি।&nbsp;&nbsp;নিম্নলিখিত উপায়ে মানহানি ঘটিতে পারেঃ&nbsp;&nbsp;(১) মৃত ব্যক্তিকে নিন্দা করাও মানহানি হইতে পারে, যদি নিন্দার ধরণ এমন হয় যে, মৃত ব্যক্তি জীবিত থাকিলে তাহার মানহানি হইতো এবং উহা দ্বারা পরিবারের সদস্য ও নিকট আত্মীয়ের অনুভুতি আঘাতপ্রাপ্ত হইত।&nbsp;&nbsp;(২) কোনো কোম্পানি বা সংঘ বা অনুরূপ ব্যক্তির সমাবেশ সম্পর্কে কোনো নিন্দা করা মানহ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 21 Jan 2025 15:19:13 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পূর্ববর্তী দণ্ড কখন আদালতে প্রাসঙ্গিক?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/purboborti-dondo-kokhon-adalote-prasongik" />
            <id>https://biratbazar.com/purboborti-dondo-kokhon-adalote-prasongik</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাক্ষ্য আইনের ৫৩ ধারা মোতাবেক ফৌজদারী মামলায় অভিযুক্ত ব্যক্তির ভালো চরিত্র প্রাসঙ্গিক। এই মর্মে আদালতে তথ্য উপস্থাপন করা হইলে সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা মোতাবেক আসামীর খারাপ চরিত্রও আদালতে প্রাসঙ্গিক হয় এবং সেখানে ব্যাখ্যা (২) অনুসারে পূর্ববর্তী দণ্ডাদেশ খারাপ চরিত্রের সাক্ষ্য হিসাবে প্রাসঙ্গিক হইবে।&nbsp;&nbsp;পূর্বরর্তী দণ্ডাদেশ সাক্ষ্য আইনের ৫৪ ধারা ছাড়াও অন্যান্য কিছু ধারা ও অবস্থার প্রেক্ষিতে প্রাসঙ্গিক হইতে পারে। যেমন-(১) সাক্ষ্য আইনের ৭ ধারা অনুসারে কোনো বিশেষ পরিস্থিতির উদ্ভব হইলে, চুরির দায়ে সাজাপাপ্ত কোনো ব্যক্তি জেল পলাতক হইলে পরে বাংলাদেশ দণ্ডবিধি আইনের ২২৪ ধারার বিচারকালে ঐ ব্যক্তির পূর্ববর্তী ডণ্ড প্রাসঙ্গিক হইবে।&nbsp;&nbsp;(২) সাক্ষ্য আইনের ৮ ধারা মোতাবেক অপরাধের মোটিভ হিসাবে পূররবর্তী দণ্ড প্রাসঙ্গিক হইবে।&nbsp;(৩) সাক্ষ্য আইনের ৯ ধারা অনুসারে কোনো প্রাসঙ্গিক বিষয়কে সমর্থন করিবার জন্য পূর্ববর্তী দণ্ড প্রাসঙ্গিক।&nbsp;(৪)সাক্ষ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 21 Jan 2025 12:05:12 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী আদালতে গ্রহণযোগ্য কিনা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-er-nikot-prodotto-jobanbondi-adalote-grohonjogo-kina" />
            <id>https://biratbazar.com/police-er-nikot-prodotto-jobanbondi-adalote-grohonjogo-kina</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তদন্তকারী পুলিশ অফিসার তাহার তদন্তকালে ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬০ ধারার বিধান মোতাবেক যে কোনো সাক্ষীকে ডাকিয়া তাহার জবানবন্দী গ্রহণ করিতে পারেন। পুলিশ অরিসার তখন ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬১ ধারা মোতাবেক উক্ত জবানবন্দী লিপিবদ্ধ করেন। এইরূপ লিপিবদ্ধকৃত তথা সাক্ষী কর্তৃক প্রদত্ত জবানবন্দী বা উহার যেকোনো অংশ প্রমাণ সাপেক্ষে আদালতে সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারার বিধান অনুসারে অপরপক্ষের সাক্ষ্য খণ্ডনের জন্য আদালতে সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য হইতে পারে। তাছাড়া সাক্ষ্য আইনের ১৫৭ ধারার বিধান মোতাবেক তদন্তকারী পুলিশ অফিসারের নিকট প্রদত্ত জবানবন্দী পরবর্তীতে আদালতে সাক্ষ্য প্রদানকালে পূর্বের সেই বিবৃতি সাক্ষীর সাক্ষ্যের সমর্থনে প্রমাণ করা যাইতে পারে। অর্থাৎ পূর্বে প্রদত্ত জবানবন্দী বা বিবৃত সাক্ষ্য প্রদানকালে আদালতে সমর্থনমূলক সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণযোগ্য।&nbsp;&nbsp;কোনো ব্যক্তির মৃত্যুকালীন বিবৃতি পুলিশ অফিসার কর্তৃক লিপিবদ্ধ করা হইলে সেই জবানবন্দীও আদালতে স...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 21 Jan 2025 08:06:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[স্বীকারোক্তি লিপিবদ্ধ করার পদ্ধতি]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/shikarokti-lipiboddho-korar-poddhoti" />
            <id>https://biratbazar.com/shikarokti-lipiboddho-korar-poddhoti</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কোনো আসামীর স্বীকারোক্তি ফৌজদারী কার্যবিধি আইন মোতাবেক করা হইয়া থাকে। সাক্ষ্য আইনে স্বীকারোক্তির কোনো সংজ্ঞা প্রাদান করা হয় নাই। সাক্ষ্য আইনের ২৪-৩০ ধারায় আসামীর স্বীকারোক্তির প্রাসঙ্গিকতা এবং গ্রহণযোগ্যতা সম্পর্কে বলা হইয়াছে।&nbsp;&nbsp;ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক কোনো আসামীর এই স্বীকারোক্তি যেকোনো প্রথম শ্রেণীর ম্যাজিষ্ট্রেট ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৩৬৪ ধারার নির্দেশিত পদ্ধতিতে করিয়া থাকেন। যেমন- আসামীকে ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করা হইলে তাহার হাতকড়ি খুলিয়া পুলিশ সরাইয়া দেওয়া হয় এবং ম্যাজিষ্ট্রেট আসামীকে নিজ পরিচয় দিয়া অভয় প্রদান করেন, স্বীকারোক্তি করিলে কি ফল হইতে পারে তাহা ভালো করিয়া বুঝাইয়া দেন। আসামী যখন সবকিছু বুঝিতে সক্ষম হইবে, তখন ম্যাজিষ্ট্রেট তাহাকে ধীরে সুস্থে চিন্তা করার জন্য আরও তিন ঘন্টা সময় দেন। ঐ সময় শেষ হওয়ার পর স্বীকার করিলে উহা তাহার (আসামীর) বিরুদ্ধে ব্যবহার হইতে পারে। তারপর ম্যাজিষ্ট্রেট ছয়টি প্রশ্ন করে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 20 Jan 2025 18:06:17 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জাল নোট চিনার উপায় কি ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jal-not-cinar-upay-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jal-not-cinar-upay-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সরকারিভাবে বা সরকারি নিয়ন্ত্রণে যে সকল কাগজে টাকা তৈরি, ছাপানো এবং&nbsp; বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে অন্যান্য ব্যাংক ও বাজারে চালু করা হয় সেইগুলি আসল টাকা বা নোট। উহার বাইরে কোনো ব্যক্তি&nbsp; বা গোষ্ঠী আসল টাকার অনুরূপ কোনো নোট প্রস্তুত করিয়া বাজারে চালু করিলে বা সংরক্ষণ করিলে, সেইগুলিই জালনোট হিসাবে গণ্য। জালকারী বিভিন্ন পদ্ধতি ব্যবহার করিয়া থাকে এবং বিভিন্ন যন্ত্র ও সরঞ্জাম ব্যবহার করিয়া থাকে।&nbsp;&nbsp;সাধারণত নিম্নলিখিত পদ্ধতিতে জালনোট প্রস্তুত করা হইয়া থাকে।&nbsp;(১) হাতে প্রস্তুতঃ টাকার আকৃতির সাদা কাগজে কলম দিয়া নকশা করিয়া কালি ও রং ব্যবহার করিয়া জাল নোট প্রস্তুত করা হয়। ইহা খুব নিম্নমানের।&nbsp;&nbsp;২) লিথোগ্রাফিঃ লিথোগ্রাফির সাহায্যে আসল টাকার আদলে তৈরি করা হয়। পরে হাত দিয়া রং করা হয়। ত্রুটিযুক্ত থাকে। ইহাও খুব নিম্নমানের।&nbsp;(৩) ফটো লিথোগ্রাফঃ আসল টাকার ছবি উঠাইয়া লিথোগ্রাফ প্লেটের উপর ছাপ দিয়া উক্ত জাল কাগজে নিয়া হাতে ফিনিশি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 20 Jan 2025 18:04:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ প্রমাণের দায়িত্ব কার?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-promaner-dayitto-kar" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-promaner-dayitto-kar</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাক্ষ্য আইনের বিধানমতে ফৌজদারী অপরাধ প্রমাণ করিবার দায়িত্ব মামলার বাদীপক্ষের উপর বর্তায়। সাক্ষ্য আইনের ১০১ ধারা অনুসারে অভিযোগ দায়েরকারী (বাদী) কেই অভিযুক্তের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করিতে হইবে। অর্থাৎ অভিযোগের অস্তিত্ব বিষয়ে সাক্ষ্য-প্রমাণ আদালতে হাজির করিয়া বাদীপক্ষকেই তাহা প্রমাণ করিতে হইবে।&nbsp;&nbsp;সাক্ষ্য আইনের ১০২ ধারামতে যদি কোনো পক্ষই আদালতে সাক্ষ্য হাজির না করে, তবে যে পক্ষের হার হইবে, তাহার উপরেই প্রমাণের দায়িত্ব বর্তাইবে। যে ব্যক্তি আদালতকে কোনো বিষয়ের অস্তিত্ব বিশ্বাস করাইতে চায়, সেই বিষয়টি প্রমাণের দায়িত্ব সেই ব্যক্তিরই। সাক্ষ্য আইনের ১০৩ ধারা।&nbsp;&nbsp;সাক্ষ্য আইনের ১০৪ ধারার বিধানমতে যখন কোনো ব্যক্তি কোনো ঘটনার সাক্ষ্য দিতে চায়, যাহা অন্য একটি ঘটনার উপর নির্ভরশীল, তখন সেই ব্যক্তিকেই এই অন্য ঘটনাটির প্রমাণের দায়িত্ব নিতে হইবে। তাছাড়া কোনো অভিযুক্ত ব্যক্তি যদি তাহার অপরাধ সংক্রান্তে দন্ডবিধির ব্যতিক্রমের আওতায় আসিতে চায়,...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 20 Jan 2025 08:59:08 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ প্রমাণের জন্য যোগ্যসাক্ষী কারা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oporadh-promaner-jonno-joggosakhi-kara" />
            <id>https://biratbazar.com/oporadh-promaner-jonno-joggosakhi-kara</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[সাক্ষ্য আইনের ১১৮ ধারায় একজন সাক্ষীর যোগ্যতা/অযোগ্যতা সম্পর্কে আলোকপাত করা হইয়াছে। এই ধারার বিধান মোতাবেক যে ব্যক্তি আদালতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিতে পারে না এবং উহার যুক্তিসঙ্গত উওর দিতে পারে না, তিনি অযোগ্য সাক্ষী। অর্থাৎ আদালতে জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন বুঝিয়া সঠিকভাবে যুক্তিসঙ্গত উত্তর প্রদান করিতে পারাই ঐ সাক্ষীর যোগ্যতা। একজন বোবা লোকও আদালতে লিখিয়া বা ইশারা বা ইঙ্গিত প্রদান করিয়া যুক্তিসঙ্গগতভাবে প্রশ্নের উত্তরটি আদালতকে বুঝাইতে পারিলে, ইহাও সেই সাক্ষীর যোগ্যতা বুঝাইবে (সাক্ষ্য আইনের ১১৯ ধারা)। এই ধারামতে নিম্ন আদালত হইতে খালাসপ্রাপ্ত একজন আসামীর সপথপূর্বক দেয়া সাক্ষ্য উচ্চ আদালতে পূনর্বিচারের গ্রহণীয় সাক্ষ্য হইতে পারে (PLD 1953 Lah 495)।&nbsp;&nbsp;সাক্ষ্য আইনের ৪৫ ধারা মোতাবেক তৃতীয় পক্ষের মতামতকে প্রাসঙ্গিক করা হইয়াছে। যেমন-&nbsp;উক্ত ধারায় বিদেশী আইন বিষয়ে, বিজ্ঞান অথবা চারুকলা বিষয়ে, হস্তলিপি বা টিপসহির সনাক্তকরণ বিষয়ে কোনো আদালতকে যখন ক...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 20 Jan 2025 06:35:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছি শত রূপে শত বার/জনমে জনমে যুগে যুগে আনিবার'- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের কোন কবিতার অংশ ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/tomarei-zeno-valobasiyachi-soto-ruupe-soto-bar-jonome-jonome-zuge-zuge-anibar-rabendrnath-thakurer-kon-kobitar-ongsho" />
            <id>https://biratbazar.com/tomarei-zeno-valobasiyachi-soto-ruupe-soto-bar-jonome-jonome-zuge-zuge-anibar-rabendrnath-thakurer-kon-kobitar-ongsho</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের 'মানসী' কাব্যগ্রন্থের একটি রোমান্টিক কবিতা 'অনন্ত প্রেম'।তোমারেই যেন ভালোবাসিয়াছিশত রূপে শত বারজনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।চিরকাল ধরে মুগ্ধ হৃদয়গাঁথিয়াছে গীতহার,কত রূপ ধরে পরেছ গলায়,নিয়েছ সে উপহারজনমে জনমে, যুগে যুগে অনিবার।যত শুনি সেই অতীত কাহিনী,প্রাচীন প্রেমের ব্যথা,অতি পুরাতন বিরহমিলনকথা,অসীম অতীতে চাহিতে চাহিতেদেখা দেয় অবশেষেকালের তিমিররজনী ভেদিয়াতোমারি মুরতি এসে,চিরস্মৃতিময়ী ধ্রুবতারকার বেশে।আমরা দুজনে ভাসিয়া এসেছিযুগল প্রেমের স্রোতেঅনাদিকালের হৃদয়-উৎস হতে।আমরা দুজনে করিয়াছি খেলাকোটি প্রেমিকের মাঝেবিরহবিধুর নয়নসলিলে,মিলনমধুর লাজে—পুরাতন প্রেম নিত্যনূতন সাজে।আজি সেই চিরদিবসের প্রেমঅবসান লভিয়াছেরাশি রাশি হয়ে তোমার পায়ের কাছে।নিখিলের সুখ, নিখিলের দুখ,নিখিল প্রাণের প্রীতি,একটি প্রেমের মাঝারে মিশেছেসকল প্রেমের স্মৃতি—সকল কালের সকল কবির গীতি।'অনন্ত প্রেম' ছাড়াও আরো কয়েকটি কবিতা-উপহার, ব্যক্ত প্রেম, শেষ উ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 19 Jan 2025 16:55:56 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হরপ্রসাদ শাস্ত্রীর উপাধি কী ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/horoprosad-sastrir-upadhi-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/horoprosad-sastrir-upadhi-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[হরপ্রসাদ শাস্ত্রী (১৮৫৩-১৯৩১) পশ্চিমবঙ্গের নৈহাটিতে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৮৯৮ সালে মহামহোপাধ্যায় ও ১৯১১ সালে সিআইই উপাধি লাভ করেন। তাঁর অমর কীর্তি বাংলা সাহিত্যের প্রথম নিদর্শন চর্যাপদ আবিষ্কার। তাঁর রচিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ- বাল্মীকির জয়, কাঞ্চন্মালা, বেণের মেয়ে, প্রাচীন বাংলার গৌরব, Discovery of Living Buddhism in Bengal, Magadhan Literature, Sanskrit Culture in Modern Indian.]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 19 Jan 2025 16:54:58 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে'-কে এই দামাল ছেলে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/oi-khepeche-pagli-mayer-damal-chele-ke-ei-damal-chele" />
            <id>https://biratbazar.com/oi-khepeche-pagli-mayer-damal-chele-ke-ei-damal-chele</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম কাব্যগ্রন্থ 'অগ্নিবীণা' (১৯২২) এর উল্লেখযোগ্য একটি কবিতা 'কামাল পাশা'। কবিতাটি তিনি মোস্তফা কামালের পরিচালনায় তুরস্কের যুদ্ধ জয়ের পটভূমিকায় রচনা করেছিলেন। এ কবিতার প্রথম দুটি চরণ-'ঐ ক্ষেপেছে পাগলি মায়ের দামাল ছেলে কামাল ভাইঅসুর-পুরে শোর উঠেছে জোরসে সামাল সামাল তাই।'এখানে 'দামাল ছেলে' বলতে কামাল পাশাকে বোঝানো হয়েছে।আরো বিস্তারিত:[তখন শরৎ-সন্ধ্যা। আস্‌মানের আঙিনা তখন কার্‌বালা ময়দানের মতো খুনখারাবির রঙে রঙিন। সেদিনকার মহা-আহবে গ্রীক-সৈন্য সম্পূর্ণরূপে বিধ্বস্ত হইহা গিয়াছে। তাহাদের অধিকাংশ সৈন্যই রণস্থলে হত অবস্থায় পড়িয়া রহিয়াছে। বাকি সব প্রাণপণে পৃষ্ঠ প্রদর্শন করিতেছে। তুরস্কের জাতীয় সৈন্যদলের কাণ্ডারী বিশ্বত্রাস মহাবাহু কামাল-পাশা মহাহর্ষে রণস্থল হইতে তাম্বুতে ফিরিতেছেন। বিজয়োন্মত্ত সৈন্যদল মহাকল্লোলে অম্বর-ধরণী কাঁপাইয়া তুলিতেছে। তাহাদের প্রত্যেকের বুকে পিঠে দুই জন করিয়া নিহত বা আহত সৈন্য বাঁধা। যাহারা ফিরিতেছে তা...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 19 Jan 2025 16:53:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তদন্তকারী অফিসারের দায়িত্ব ও কর্তব্য]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/todontokari-officer-er-dayitto-o-kortobbo" />
            <id>https://biratbazar.com/todontokari-officer-er-dayitto-o-kortobbo</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[তদন্ত বলিতে সাধারণত কোনো অপরাধ সংঘটনের সঠিক তথ্য সংগ্রহ করাকে বুঝায়। অর্থাৎ সত্য উদঘাটন করাই তদন্তের মূখ্য উদ্দেশ্য। এই সত্য উদঘাটনের জন্য বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় তথ্য সংগ্রহ করিতে হয়। সঠিক তথ্য সংগ্রহে যিনি যতো পারদর্শী তিনি ততো দক্ষ তদন্তকারী অফিসার। তাই তদন্তকারী অফিসারকে&nbsp; ফৌজদারী কার্যবিধি এবং পিআরবি এর বিধি-বিধান অনুসরণ করিয়া বিরতিহীনভাবে তদন্তকার্য পরিচালনা করিতে হয়। একজন দক্ষ তদন্তকারী অফিসারকে মামলা তদন্তকালে নিম্নলিখিত বিষয়গুলি সঠিকভাবে অনুসরণ করিতে হইবে।&nbsp;(১) তদন্তের দায়িত্ব পাওয়ার সাথে সাথেই এজাহার সংশ্লিষ্ট সকল কাগজপত্র গভীরভাবে পর্যালোচনা করিয়া মামলার ক্লু সংগ্রহ করা।&nbsp;(২) তদন্তের দায়িত্ব গ্রহণ করার পর থানার পুলিশ রেকর্ড পর্যালোচনা করিয়া তথ্য সংগ্রহ করা। &nbsp;&nbsp;(৩) থানায় সংরক্ষিত ভিলেজ ক্রাইম নোট বুক (VCNB) অথবা সিডিএমএস হইতে অপরাধীদের তথ্য&nbsp; সংগ্রহ করা (পিআরবি-৩৯১)।&nbsp; &nbsp;&nbsp;&nbsp;(৪) সম্পত্তি চুরি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 19 Jan 2025 11:31:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জালিয়াতি কত প্রকার ও কি কি? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jaliyati-koto-prokar-o-ki-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jaliyati-koto-prokar-o-ki-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[জালিয়াতিঃ যে ব্যক্তি জনগণ বা কোনো ব্যক্তি বিশেষের ক্ষতি বা অনিষ্ট সাধন করা বা কোনো দাবী বা অধিকার সমর্থন করা অথবা কোনো ব্যক্তিকে সম্পত্তি পরিত্যাগ করিতে বা প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষ চুক্তি সম্পাদনে বাধ্য করিবার অভিপ্রায়ে কিংবা প্রতারণা বা প্রতারণা করা যাইতে পারে এইরূপ অভিপ্রায়ে কোনো মিথ্যা দলিল বা এমন দলিলের অংশবিশেষ তৈরি করে, সেই ব্যক্তি জালিয়াতি করিয়াছে বলিয়া গণ্য হইবে (বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৪৬৩ ধারা)।&nbsp;&nbsp;জালিয়াতি ৪ (চার) প্রকার। যেমন-&nbsp;(১) মুক্তহস্ত, অনুকরণ বা নকলকৃত জালিয়াতি (Free hand, Sumulated or Copied Forgery)।&nbsp;(২) ট্রেসিং জালিয়াতি (Traced Forgery)।&nbsp;(৩) স্মৃতির সাহায্যে জালিয়াতি (Forgery by Memory)।(৪) নমুনা ব্যতীত জালিয়াতি বা অন্যের নামে জালিয়াতি (Forgery without model or Forgery by impersonation)এই প্রকারভেদ দস্তখত বা হাতের লেখা সনাক্তকরণ ও তুলনার উদ্দেশ্যে করা হইয়া থাকে।&nbsp;&nbsp;ট্রেসিং জালিয়াতির পদ্ধতি...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 18 Jan 2025 06:28:53 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সামাজিক অবক্ষয়ের কারণ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/samajik-obokhoyer-karon-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/samajik-obokhoyer-karon-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানুষ সামাজিক জীব। সৃষ্টির উষালগ্ন পার হইয়া মানুষ যখন দলবদ্ধ হইয়া চলাফিরা বা বসবাস করিতে শিখে তখন হইতে তাহারা নিজেদের মতো করিয়া কিছু কিছু নিয়ম কানুন বা রীতি-নীতি তৈরী করিয়া মানিয়া চলিতে থাকে। ঐ সকল নিয়ম-কানুন বা বাধা-নিষেধ&nbsp; পরবর্তীতে সভ্যতার বিকাশের সাথে সাথে আধুনিক হইতে আধুনিকতর হইতে থাকে। বর্তমান সভ্য সমাজ, সমাজের অনুশাসন মানিয়া চলিতে অভ্যস্ত। কিন্তু মানুষ সভ্য হইলেও সমাজের নানা স্তরের মানুষ নানা কারণে এই সভ্যতাকে নানাভাবে কলুষিত করিয়া থাকে। যে সকল কারণে মানুষ জীবনকে বিষময় করিয়া তুলে, সেইগুলিই বর্তমান সমাজ জীবনে সামাজিক সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত। সামাজিক সমস্যাগুলি প্রত্যেকটিই সমাজের মধ্যে অস্বস্তিকর অবস্থা সৃষ্টি করিয়া সমাজকে ক্ষতিগ্রস্ত করিয়া থাকে। এই সামাজিক সমস্যাগুলিই সামাজিক অবক্ষয় হিসাবে চিহ্নিত। সামাজিক অবক্ষয়ের জন্য বেশ কিছু কারণ বিদ্যমান রহিয়াছে, যেগুলি সমাজকে প্রতিনিয়ত নষ্ট করিয়া থাকে। যেমন-(১) দারিদ্রতাঃ দারিদ্রতার কারণে অন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Fri, 17 Jan 2025 06:03:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মানুষ কেনো অপরাধ করে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/manush-keno-oporadh-kore" />
            <id>https://biratbazar.com/manush-keno-oporadh-kore</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ সংঘটনের কারণ বহুবিধ, যাহা এক কথায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়। বিভিন্ন অপরাধ বিজ্ঞানী এবং মনোবিজ্ঞানী এই মানব আচরণকে বা অপরাধকে নানাভাবে ব্যাখ্যা করিয়াছেন এবং সেইগুলি অপরাধের কারণ হিসাবে উল্লেখ করিয়াছেন। তাছাড়া সমাজ বিজ্ঞানীরাও নানাভাবে অপরাধ সম্পর্কে বলিয়াছেন। যেমন-বিজ্ঞানী কার (Carr) বলিয়াছেন- অপরাধ প্রবনতা হইল “সামীকরণ বিদ্যা, যেখানে মিলের চেয়ে বিচ্যুতি বেশি”। আবার মার্কসের নীতি অনুসারে বলা যায়, “দারিদ্রতা হইতে হেয় নীতিজ্ঞান জন্মে ও দরিদ্র মানুষেরাই অপরাধ প্রবণ হয়”। ড. বার্ট (D. Burt) বলিয়াছেন, “অপরাধী পরিবারের ছেলে-মেয়েরা অপরাধ&nbsp; প্রবণ হয়”। হারউইজ (Harwitz) বলিয়াছেন, “অপরাধের&nbsp; কারণগুলি অর্থনৈতিক ও সামাজিক বৈষম্যের ফলে সৃষ্ট”। মেনডন এবং গ্যালটন বলিয়াছে, “বংশগতি হইল অপরাধের অন্যতম কারণ”। এই বিবেচনায় অপরাধের কারণগুলিকে চার ভাগে ভাগ করা যায়ঃ(ক) ব্যক্তিগত কারণ,(খ) সামাজিক কারণ,(গ) পারিবেশিক কারণ এবং&nbsp;(ঘ) মনোবৈজ্ঞানিক কারণ ইত্যাদ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 16 Jan 2025 17:16:06 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বিট পুলিশিং কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/bit-policing-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/bit-policing-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দুষ্টের দমন ও শিষ্টের প্রথা পালনই হইল পুলিশের প্রধান কর্তব্য। সমাজে আইন-শৃংখলা রক্ষা করা, জনজীবনে শান্তি প্রতিষ্ঠা করা, জনগনের জীবন ও সম্পত্তির নিরাপত্তা বিধান করা, জনগনের চলাচল নির্বিঘ্ন করা, সবলের অত্যাচার হইতে দুর্বলকে রক্ষা করা প্রভৃতি নানা ধরনের কাজে পুলিশ সদস্যদেরকে সদা সক্রিয় থাকিতে হয়। পুলিশি কার্যক্রমে পুলিশ আইনসংগতভাবেই জনসাধারণের সাহায্য সহায়তা পাইতে পারে। তাই পুলিশকে জনসাধারণের কাছাকাছি থাকিয়া জনগনের ভালো মন্দের প্রতি নজর রাখিয়া পুলিশি কার্যক্রম পরিচালনা করিতে হয়। জনগনের সাহায্য সহায়তা তথা পুলিশি কার্যক্রমে জনগনের অংশ গ্রহণ নিশ্চিত করার জন্য এবং কার্যক্রমে সফলতা লাভ করার জন্য পুলিশকে সময়ের সাথে তাল মিলাইয়া প্রতিনিয়তই কিছু না কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে হয়। যেমন- গ্রাম পুলিশ গঠন, সংরক্ষণ ও পরিচালনা এবং কমিউনিটি পুলিশিং এর কার্যক্রম গ্রহণ। পুলিশের সাথে সম্পৃক্ত থাকিয়া এই ধরণের কার্যক্রম পরিচালিত হইয়া থাকে।&nbsp;&nbsp;গ্রামে যেমন গ্...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 16 Jan 2025 14:02:45 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-er-dayito-o-kortobbo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/police-er-dayito-o-kortobbo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পুলিশ কর্মচারীকে নানা পরিস্থিতিতে নানান ধরণের দায়িত্ব ও কর্তব্য পালন করিতে হয়। দায়িত্ব ও কর্তব্য পালনে অবহেলা করার কোনো সুযোগ নাই। ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ২৩ ধারা অনুসারে পুলিশের দায়িত্ব ও কর্তব্য সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হইল (পি আরবি ১১৭/১১৮)।(১) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ&nbsp; কর্তৃক প্রদত্ত সকল বৈধ আদেশ দ্রুত পালন করা বা কার্যকরী করা।(২) উপযুক্ত কর্তৃপক্ষ&nbsp; কর্তৃক প্রদত্ত সর্বপ্রকার বৈধ পরোয়ানা জারি ও দ্রুত কার্যকরী করা।(৩) সর্বসাধারণের শান্তিরক্ষা সম্পর্কিত সংবাদ সংগ্রহ করা এবং যথাস্থানে রিপোর্ট করা (ফৌজদারী কার্যবিধি ১৫০ ধারা)।&nbsp; &nbsp;(৪) কোনো অপরাধ সংঘটিত হইতে দেখিলে বা হইবার আশংকা থাকিলে উক্ত অপরাধ প্রতিরোধ বা নিবারণ করা (ফৌজদারী কার্যবিধি ১৪৯ ধারা)।&nbsp; &nbsp;(৫) সর্বসাধারণের বিরক্তিকর কার্য অর্থাৎ পাবলিক ন্যুইসেন্স নিবারণ করা।&nbsp;(৬) অপরাধের বৃত্তান্ত অনুসন্ধান বা উদঘাটন করা (পিআরবি-২৫৬/৩৫৮)। &nbsp;(৭) অপরাধীকে বিচারার্থে আদালত...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 16 Jan 2025 05:08:04 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[রাজসাক্ষী কাহাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/rajsakkhi-kahake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/rajsakkhi-kahake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[রাজসাক্ষী অর্থাৎ রাজার সাক্ষী। অপরাধ দমনের দায়িত্ব রাষ্ট্রের এবং এই কারণে অধিকাংশ অপরাধের মামলার বাদী রাষ্ট্র। প্রাচীনকালে কোনো মামলার বাদী হইতেন রাজা। এই ধরণের সাক্ষী তাই রাজসাক্ষী। রাজসাক্ষী অপরাধ সংঘটনের একজন সহায়ক ব্যক্তি এবং তাই সে একজন সাক্ষীও বটে। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৩৩৭ ধারা মোতাবেক কেবলমাত্র দায়রা আদালতে বিচারযোগ্য কোনো অপরাধ বা ১০ বছর পর্যন্ত কারাদন্ডে দন্ডনীয় কোনো অপরাধ বা বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ২১৬(ক), ৩৬৯, ৪০১, ৪৩৫ বা ৪৭৭(ক) ধারার কোনো অপরাধের ক্ষেত্রে আদালত অপরাধটির তদন্ত, অনুসন্ধান বা বিচারের কোনো পর্যায়ে অপরাধটির সহিত প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত বা সে সম্পর্কে গোপন তথ্যের অধিকারী বলিয়া অনুমিত কোনো ব্যক্তির সাক্ষ্য সংগ্রহের উদ্দেশ্যে তাহাকে (আসামী) এই শর্তে ক্ষমা করিবার প্রস্তাব দিতে পারেন যে, তাহার জানা মতে অপরাধ সম্পর্কিত সামগ্রিক অবস্থা এবং উহা সংঘটনের ব্যাপারে মূল অপরাধী বা সহায়তাকারী হিসাবে জড়িত প্রত্যেকটি লোক সম...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 14 Jan 2025 15:27:22 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর কোথায় জন্মগ্রহণ করেন ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/isshorcondro-biddasagor-kothay-jonmogrohon-koren" />
            <id>https://biratbazar.com/isshorcondro-biddasagor-kothay-jonmogrohon-koren</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর পশ্চিমবঙ্গের মেদিনীপুর জেলার বীরসিংহ গ্রামে ২৬ সেপ্টেম্বর ১৮২০ সালে জন্মগ্রহণ করেন। উনিশ বছর বয়সে তিনি সংস্কৃত কলেজ থেকে 'বিদ্যাসাগর' উপাধি লাভ করেন। তিনিই প্রথম বাংলা গদ্যের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা আবিষ্কার করে বাংলা গদ্য ভাষায় যথাযথ যতিচিহ্ন প্রয়োগ করেন। তাকে 'বাংলা গদ্যের জনক' বলা হয়। তাঁর রচিত কয়েকটি গ্রন্থ- প্রভাবতী সম্ভাষণ, বেতাল পঞ্চবিংশতি, ভ্রান্তিবিলাস, বর্ণপরিচয়, ব্রজবিলাস, রত্নপরীক্ষা। তিনি ১৮৯১ সালের ২৯ জুলাই যকৃতের ক্যান্সার রোগে কলকাতায় মৃত্যুবরণ করেন।]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 14 Jan 2025 10:10:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এজাহারের আইন সংগত মূল্য কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/ejaharer-ain-songgoto-mullo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/ejaharer-ain-songgoto-mullo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৪ ধারার বিধান অনুসারে পুলিশের নিকট সর্বপ্রথম লিখিত বা মৌখিকভাবে কোনো আমলযোগ্য অপরাধের যে সংবাদ পৌছে, তাহাই এজাহার বা প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (First information report) বলিয়া অভিহিত (PRB-243)।&nbsp;এজাহারের আইন সংগত মূল্য নিম্নে উল্লেখ করা হইল।&nbsp;(১) এজাহার থানায় লিপিবদ্ধ হওয়ার পরপরই আদালতে পাঠাইতে হইবে।&nbsp;(২) সাক্ষ্য আইন মোতাবেক আমলযোগ্য কোনো অপরাধের সংদবাদ থাকিলেই ইহা সাক্ষ্য হিসাবে গ্রহণীয়। এজাহার কোনো মামলার সবচেয়ে পূর্বের রেকর্ড বলিয়া ইহা আদালতকে সমর্থন করে এবং&nbsp; আদালত বুঝিতে সক্ষম হন যে, শুরুর সময় এজাহারকারীর কি অভিযোগ ছিল এবং পরে কোনো অলংকরণ করা হইয়াছে কিনা। এজাহার কোনো মামলার তথ্য ভান্ডার নহে। এজাহার আইনের গতিকে পরিচালিত করে এবং সেই অনুসারে তদন্তকালে তথ্য সংগৃহীত হয়। এজাহার কখনো মৌলিক সাক্ষ্য হিসাবে আদালতে গ্রহণীয় নহে। তবে এজাহার সাক্ষ্য আইনের ১৪৫ ধারা এবং ১৫৭ ধারা মোতাবেক বাদী বা সংবাদদাতার সাক্ষ্য...]]>
            </summary>
                                    <updated>Tue, 14 Jan 2025 06:48:49 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['চর্যাপদে'র প্রাপ্তিস্থান কোথায় ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/corzapoder-praptisthan-kothay" />
            <id>https://biratbazar.com/corzapoder-praptisthan-kothay</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ১৯০৭ সালে ড. মহামহোপাধ্যায় হরপ্রসাদ শাস্ত্রী(১৮৫৩-১৯৩১) নেপালের রাজগ্রন্থাগার থেকে একখানি প্রাচীন পুথি সংগ্রহ করে আনেন। এর প্রায় ১০ বছর পর ১৯১৬ সালে 'বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ' থেকে 'বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে তাঁর পাওয়া পুথির বিষয়বস্তুকে তাঁর সম্পাদনায় প্রকাশ করেন। 'বৌদ্ধগান ও দোহা' নামে ঐ গ্রন্থটিতে ছিল দুই ধরনের অংশ। একটি ধর্মসম্বন্ধীয় বিধি নিষেধ বিষয়ক কিছু গান, অন্যগুলি দোহা। ধর্মসম্বন্ধীয় বিধিনিষেধগুলির নাম 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়'। এই 'চর্যাচর্যবিনিশ্চয়' থেকেই পরে 'চর্যাপদ' নামটি পাওয়া যায়।]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 13 Jan 2025 15:54:47 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA['রুখের তেন্তুলি কুমীরে খাই' -এর অর্থ কী?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/rukher-tentuli-kumire-khai-er-ortho-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/rukher-tentuli-kumire-khai-er-ortho-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[চর্যাপদের প্রায় সকল চার্যাগীতিরই দুটি রুপ পাওয়া যায়। একটি রূপান্তর আর একটি রুপকার্থ। তেমনি চর্যাপদের পদকার/পদকারী কুক্কুরীপাদ। ২নং চর্যাগীতি তাঁর লেখা। যার রাগ গবড়া (গউড়া)। চর্যাটি-দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই।রুখের তেন্তুলি কুম্ভীরে খাঅ/ই।।আঙ্গন ঘরপণ সুন ভো বিআতী।কানেট চৌরি নিল অধরাতী।।সসুরা নিগ গেল বহুড়ী জাগঅ/ই।কানেট চোরে নিল কা গই মাগঅ/ই।।দিবসই বহুড়ী কাউই ডরে ভাঅ।রাতি ভইলে কামরু জাঅ।অইসনি চর্য্যা কুক্কুরীপাএঁ গাইউ।কোড়ি মঝেঁ একু হিঅহি সমাইউ।।এই চর্যার অংশ-দুলি দুহি পিটা ধরণ ন জাই।রুখের তেন্তুলি কুম্ভীরে খাঅ/ই।।এর আধুনিক বাংলায় রূপান্তর "কাছিম দুইয়ে পিটায় ধরা যাচ্ছেনা। গাছের তেঁতুল সব কুমিরেই খায়।" যার রুপকার্থ "যারা অনভিজ্ঞ তারা চিত্তকে নির্বাণমার্গে চালিত করতে পারেনা, সহজানন্দও উপভোগ করতে পারেনা; কিন্তু যে গুরুর উপদেশ পেয়েছে সে কুন্তক সমাধির সাহায্যে তাঁর চিত্তকে নিঃস্বভাবে নিয়ে যেতে পারে।"]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 13 Jan 2025 15:52:09 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[জনশৃংখলা ব্যবস্থা কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/jonoshrringkhola-babostha-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/jonoshrringkhola-babostha-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সবাই এই সমাজে শান্তিতে বসবাস করিতে চায়। উহা তাহাদের স্বীকৃত মানবাধীকার। অনেক সময় কিছু কিছু আইন অমান্যকারী ব্যক্তি, ব্যক্তিস্বার্থে বা দলগত স্বার্থে সমাজের এই শৃংখলা নষ্ট করিয়া থাকে বা সচেষ্ট হয়। সমাজে দাঙ্গা-হাঙ্গামা বা বেআইনী সমাবেশের মাধ্যমে মানুষের শান্তি নষ্ট করে বা ব্যাহত করে। এই সকল শৃংখলা পরিপন্থি ক্রিয়াকান্ড প্রতিরোধ করার ব্যবস্থাকেই জনশৃংখলা ব্যবস্থা বলা হয়। দন্ডবিধির অষ্টম পরিচ্ছেদে এই সম্পর্কে আলোচনা করা হইয়াছে (ধারা ১৪১-১৬০ দন্ডবিধি)।&nbsp;&nbsp;নানান কারণে জনশৃংখলা ভঙ্গ হইতে পারে। বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ১৪১ ধারায় এই সম্পর্কে পাঁচটি কারণ উল্লেখ করা হইয়াছে। যেমন-(১) অপরাধমূলক বলপ্রয়োগের ভান করিয়া সরকারী কর্চারীকে আইনানুগ ক্ষমতা প্রয়োগে ভয়াভিভুত করা।&nbsp;(২) কোনো আইন বা আইনানুগ প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে বাধা দান করা।(৩) কোনো দুস্কর্ম বা অপরাধমূলক অনধিকার প্রবেশ বা অন্যবিধ অপরাধ অনুষ্ঠান করা।(৪) কোনো ব্যক্তির প্র...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 13 Jan 2025 15:08:54 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/attorokkhar-bektigoto-odhikar" />
            <id>https://biratbazar.com/attorokkhar-bektigoto-odhikar</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার-প্রত্যেক মানুষের আইনগত অধিকার। মানুষ জন্মের পর পরই এই অধিকার প্রাপ্ত হন। এই অধিকার মানুষের সহজাত অধিকার এবং ইহার প্রয়োগে মানুষ নিজের জান মাল এবং অপরের জান মাল সুরক্ষা করিতে পারে। এই অধিকার প্রয়োগ করিতে যাইয়া মানুষকে প্রয়োজনে আক্রমনকারীর বিরুদ্ধে শক্তি প্রয়োগ করিতে হয় এবং এইরূপ শক্তি প্রয়োগকালে কৃত কোন কিছুই অপরাধ নহে। বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৯৬/৯৭ ধারায় আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার সম্পর্কে উল্লেখ করা হইয়াছে। উল্লিখিত ধারা&nbsp; অনুসারে এবং বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৯৯ ধারার শর্ত সাপেক্ষে প্রত্যেক ব্যক্তি নিজের জান মাল এবং অন্য যে কোন ব্যক্তির জান মাল যে কোন অপরাধ বা ক্ষতির হাত থেকে প্রতিরক্ষা করাকেই&nbsp; আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার বলা হয়।কখন আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায় না-বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৯৯ ধারার বিধানমতে নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগ করা যায় না।১। পদাধিকারবলে সদব...]]>
            </summary>
                                    <updated>Mon, 13 Jan 2025 07:30:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দাগী আসামী কারা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/dagi-asami-kara" />
            <id>https://biratbazar.com/dagi-asami-kara</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[আইনের কোথাও দাগী আসামীর সংজ্ঞা প্রাদান করা হয় নাই। তবে পিআরবি ৩৩৬ বিধি পর্যালোচনা করিয়া দেখা যায় যে, দুই ধরণের অপরাধীকে পুলিশের নিরীক্ষণে (Surveillance) রাখার বিধান রহিয়াছে।&nbsp;যেমন-(ক) মারাত্মক ধরণের অপরাধে অভিযুক্ত হইয়া সাজাপ্রাপ্ত এবং(খ) সন্দেহভাজন ব্যক্তি।&nbsp;&nbsp;তাই বলা যায় যে, যাহারা কাহারও শরীরের উপর হামলা করিয়া এবং সম্পত্তি সংক্রান্ত অপরাধে জড়িত হইয়া সাজাপ্রাপ্ত হইয়াছে, তাহারাই দাগী আসামী হিসাবে চিহ্নিত। অর্থাৎ অপরাধজনক কৃতকর্মের জন্য যাহাদের নামে লাল কালির দাগ লাগিয়াছে, তাহারাই দাগী বা দাগী আসামী। দাগী আসামীদের নাম পুলিশ রেকর্ডের সর্বত্র লাল কালিতে লেখা হইয়া থাকে (পিআরবি-৪৯৯)।&nbsp;&nbsp;সকল দাগী আসামী বা অপরাধীকেই পুলিশ নিরীক্ষণে রাখার প্রয়োজন আছে। তবে থানায় প্রয়োজনীয় সংখ্যক তত্ত্বাবধানকারী পুলিশ অফিসার কর্মরত না থাকিলে, সেইক্ষেত্রে পুলিশ সুপার তাহার বিবেচনাপ্রসুত নির্দেশ প্রদান করিয়া কাহারা নিরীক্ষণে থাকিবে, তাহা ঠিক করিয়...]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 12 Jan 2025 17:54:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[দৌলত উজির বাহরাম খান সাহিত্য সৃষ্টিতে কার পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/doulot-ujir-bahram-khan-sahitto-sristite-kar-pristhoposhkota-lav-koren" />
            <id>https://biratbazar.com/doulot-ujir-bahram-khan-sahitto-sristite-kar-pristhoposhkota-lav-koren</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মধ্যযুগের ষোড়শ শতাব্দীর কবি দৌলত উজির বাহরাম খান। তিনি চট্টগ্রামের জাফরাবাদের শাসনকর্তা জমিদার নিজাম শাহের দেওয়ান ছিলেন। তিনি সাহিত্য রচনায় নিজাম শাহের পৃষ্ঠপোষকতা লাভ করেন। তাঁর রচিত বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ 'লাইলী-মজনু'। গৌড়ের সুলতান গিয়াসউদ্দিন আজম শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় 'ইউসুফ-জুলেখা' কাব্য রচনা করেন শাহ মুহম্মদ সগীর। কবি আলাওলের অন্যতম পৃষ্ঠপোষক ছিলেন কোরেশী মাগন ঠাকুর। সুলতান বারবক শাহের পৃষ্ঠপোষকতায় 'শ্রীকৃষ্ণবিজয়' কাব্য রচনা করেন মালাধর বসু।]]>
            </summary>
                                    <updated>Sun, 12 Jan 2025 16:24:10 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কেন্তমের কোন দুটি শাখা এশিয়ার অন্তর্গত ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/qbank/kentomer-kon-duti-sakha-asiar-ontorgoto" />
            <id>https://biratbazar.com/kentomer-kon-duti-sakha-asiar-ontorgoto</id>
            <author>
                <name><![CDATA[Siam Al Mahmud]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পৃথিবীর সমস্ত ভাষাবংশকে কয়েকটি ভাগে ভাগ করা হয়। তাঁর মধ্যে অন্যতম একটি ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষাবংশ। ভাষাতত্ত্বের বিচারে ইন্দো-ইউরোপীয় ভাষা বংশকে প্রধানত দুভাগে ভাগ করা হয়েছে। যথা:&nbsp;১। কেন্তম ও&nbsp;২। শতম।&nbsp;কেন্তম ভাগের মধ্যে থাকা হিত্তিক ও তুখারিক ভাষা শাখাগুলো এশিয়ার অন্তর্ভুক্ত।]]>
            </summary>
                                    <updated>Sat, 11 Jan 2025 18:12:28 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কখন সাক্ষী তলব করতে পারে ?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kokhon-shakhi-tolob-korte-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kokhon-shakhi-tolob-korte-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ক) পুলিশ অফিসার কখন সাক্ষী হাজির করার জন্য সমন বা নোটিশ ইস্যু করিতে পারেন-ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৬০ ধারা&nbsp; মোতাবেক মামলা তদন্তকালে তদন্তকারী পুলিশ অফিসার যদি জানিতে পারেন যে কোন ব্যক্তি মামলার ঘটনা সম্পর্কে জানেন, তাহা হইলে উক্ত ব্যক্তিকে তাহার নিজের থানার হউক অথবা অন্য কোন থানার হউক তাহার নিকট হাজির হওয়ার জন্য লিখিতভাবে সমন বা নোটিশ ইস্যু করিতে পারেন। ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৪ ধারা অনুসারে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (অফিসার ইনচার্জ) এর তদন্তকালে কোন দলিল বা কোন জিনিস হাজির করার প্রয়োজন হইলে যে ব্যক্তির নিকট উক্ত দলিল বা জিনিস রহিয়াছে তাহাকে উক্ত দলিল বা জিনিস হাজির করিতে লিখিত আদেশ দিতে পারিবেন তবে Bankers, Book Evidence, Act (XVIII of 1891) এর সংজ্ঞা অনুযায়ী কোন ব্যাংকের বা ব্যাংকারের হেফাজতে রক্ষিত কোন দলিল বা অন্য কোন বস্তু যাহা কোন ব্যক্তির ব্যাংকের হিসাব সম্পর্কিত কোন তথ্য প্রদান করিতে পারে, তাহা নিম্নলিখিত ক্ষেত্র ছাড়া দাখিল...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:22:20 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কখন বিনা পরোয়ানায় গ্রেফতার করতে পারেন?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kokhon-bina-poroanay-greftar-korte-paren" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kokhon-bina-poroanay-greftar-korte-paren</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি ৫৪ ধারা মোতাবেক যে কোন পুলিশ অফিসার ম্যাজিষ্ট্রেটের আদেশ অথবা পরোয়ানা ব্যতীত নিম্নলিখিত ব্যক্তিগণকে গ্রেফতার করিতে পারিবেন-(১) কোন আমলযোগ্য অপরাধের সহিত জড়িত কোন ব্যক্তি অথবা এইরুপ জড়িত বলিয়া যাহার বিরুদ্ধে যুক্তিসংগত অভিযোগ করা হইয়াছে অথবা বিশ্বাসযোগ্য খবর পাওয়া গিয়াছে অথবা যুক্তিসংগত সন্দেহ রহিয়াছে।(২) আইনসংগত কারণ ব্যতীত যাহার নিকট ঘর ভাংগার কোন সরঞ্জাম রহিয়াছে সেইরুপ ব্যক্তি, এই আইনসংগত কারণ প্রমাণ করিবার দায়িত্ব তাহার।(৩) কার্যবিধি অনুসারে অথবা সরকারের আদেশ দ্বারা যাহাকে অপরাধী ঘোষণা করা হইয়াছে।(৪) চোরাই বলিয়া যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ করা যেতে পারে, এইরুপ মাল যাহার নিকট রহিয়াছে এবং যে এইরুপ মাল সম্পর্কে কোন অপরাধ করিয়াছে বলিয়া যুক্তিসংগতভাবে সন্দেহ করা যাইতে পারে।(৫) পুলিশ অফিসারকে তাহার কার্যে বাধাদানকারী ব্যক্তি অথবা যে ব্যক্তি আইনসংগত হেফাজত হইতে পলায়ন করিয়াছে অথবা পালায়ন করে।(৬) বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনী হ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:18:59 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কখন ম্যাজিষ্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারেন? ]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kokhon-megistreter-kkhomota-proyog-korte-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kokhon-megistreter-kkhomota-proyog-korte-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি মোতাবেক-১৮৯৮ সালের ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১২(১) ধারা মোতাবেক সহকারী পুলিশ সুপার বা তাহার উর্ধতন যে কোন পুলিশ অফিসার একজন বিষেশ ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্ব প্রাপ্ত হইয়া কার্যক্রম গ্রহন করিতে পারেন। পুলিশের উপর এই ক্ষমতা অর্পণের উদ্দেশ্য হইল&nbsp;(১) এলাকার শান্তিশৃংখলা রক্ষা করা।(২) অপরাধ দমন করা।(৩) অপরাধীকে অনুসন্ধান ও গ্রেপ্তার করিয়া ম্যাজিষ্ট্রেটের নিকট হাজির করা।&nbsp;তবে শুধু নির্বাহী ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন। বিচারিক ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন না।পুলিশ আইন মোতাবেক-পুলিশের মহা পরিদর্শক (IGP) ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৫ ধারা মোতাবেক অপরাধ দমনের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সর্বত্র একজন পূর্ণ ম্যাজিষ্ট্রেটের ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারেন। তিনি অপরাধ দমন কল্পে এবং তদন্তের স্বার্থে অপরাধীর অন্বেশণ যতদুর সম্ভব ম্যজিষ্ট্রেটের অনুপস্থিতে সংশ্লিষ্ট অপরাধী বা অপরাধীদেরকে খুজিয়া বাহির করিবার জন্য তাহার এই ক্ষমতা প্রয়োগ করিতে পারিবেন। তাছাড়া...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:13:46 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করা হয়?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/kokhon-tollasi-poroyana-isu-kora-hoy" />
            <id>https://biratbazar.com/kokhon-tollasi-poroyana-isu-kora-hoy</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৬ ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ২৮০ মোতাবেক কোনো দলিল, বস্তু, অস্ত্রশস্ত্র, চোরাইমাল উদ্ধার বা কোনো ব্যক্তিকে আটক অবস্থা হইতে উদ্ধার করার জন্য আদালত নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করিতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(১) যদি আদালত মনে করেন যে, ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৪ ও ৯৫(১) ধারা কার্যকরী নাও হইতে পারে, ন্যায় বিচারের সার্থে কোন বস্তুর জন্য তল্লাশী বা অনুসন্দধান প্রয়োজন, তখন তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করিতে পারেন।&nbsp;(২) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৬(২) ধারামতে ডাক, তার বা তার কর্তৃপক্ষের হেফাজত হইতে রক্ষিত কোনো দলিল বা অন্য কোনো বস্তু তল্লাশীর জন্য আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করিতে পারেন।&nbsp;&nbsp;(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৮ ধারা মোতাবেক যখন আদালত তদন্তান্তে সন্তোষ্ট হন যে, কোনো স্থানে থাকা চোরাইমাল বা জাল দলিল বা নকল সীল বা জাল টিকিট বা জাল মুদ্রা সংস্লিষ্ট সরঞ্জাম জরুরী ভিত্তিতে উদ্ধার করা প্রয়োজন অথবা কোনো স্থানে বাংলাদ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:09:40 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[পুলিশ কখন আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/police-kokhon-agneyastro-babohar-korte-pare" />
            <id>https://biratbazar.com/police-kokhon-agneyastro-babohar-korte-pare</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিআরবি নিয়ম ১৫৩ মোতাবেক পুলিশ নিম্নবর্ণিত ক্ষেত্রে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করতে পারে।(১) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪৬(৩) ধারার বিধান অনুসারে যদি কোনো আসামী গ্রেফতারের কাজে বাধা দেয় বা গ্রেফতার এড়ানোর জন্য বল প্রয়োগ করে অথবা পালানোর চেষ্টা করে, সেই আসামী যদি মৃত্যুদন্ড বা যাবজ্জীবন কারান্ডে দন্ডযোগ্য অপরাধী হয়, তাহা হইলে উক্ত আসামীকে গ্রেফতারকল্পে পুলিশ আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করিতে পারে।(২)বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৯৬, ৯৭, ৯৮, ১০০, ১০৩ এবং ১০৬ ধারা অনুসারে পুলিশ নিজের জানমাল, অপরের জানমাল এবং সরকারী মালামাল এর যেকোনো ক্ষতির হাত হইতে রক্ষার ক্ষেত্রে আত্মরক্ষার ব্যক্তিগত অধিকার প্রয়োগকালে আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহার করিতে পারে।(৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১২৭ ও ১২৮ ধারা, ১৮৬১ সালের পুলিশ আইনের ৩০-ক ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ১৪২ অনুসারে কোনো বেআইনী সমাবেশ অথবা সর্ব সাধারণের শান্তি বিনষ্ট হওয়ার কারণ ঘটাইতে পারে এইরূপ পাচ বা ততোধিক ব্যক্তির সমন্বয়ে গঠিত কোনো সমাবেশে...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:08:51 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[সাক্ষ্য কাহাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/sakkho-kahake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/sakkho-kahake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[১৮৭২ সালের সাক্ষ্য আইনের ৩ ধারার সংজ্ঞা অনুসারে সাক্ষ্য বলিতে আদালতে যে ঘটনার বিষয়ে বিচার বা তদন্ত হইতেছে, সেই সম্পর্কে কোনো সাক্ষীর যেসব বিবৃতি দেওয়ার জন্য আদালত অনুমতি দেন বা ঐ সাক্ষীর যে সমস্ত বিবৃতি আদালতের প্রয়োজন হয় অথবা আদালতের পরিদর্শন তথা পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য যেসকল বস্তু সাক্ষ্য উপস্থাপিত হয়, সেইগুলিকে বুঝায়।&nbsp;সাক্ষ্য আইন মোতাবেক সাক্ষ্য দুই প্রকার যথা:-(১) মৌখিক সাক্ষ্য&nbsp;(২)দলীলি সাক্ষ্য।&nbsp;(১) মৌখিক সাক্ষ্য:&nbsp;কোনো মামলার অনুসন্ধান বা বিচারের কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির হইয়া মৌখিকভাবে যে বিবৃতি প্রদান করে, তাহাকে মৌখিক সাক্ষ্য বলা হয়।&nbsp;&nbsp;মৌখিক সাক্ষ্য অবশ্যই প্রত্যক্ষ হইতে হইবে যেমন-(১) যে বিষয় দেখা যায় সেই সম্পর্কে সাক্ষী তাহার সাক্ষ্যে উল্লেখ করিবেন যে, তিনি উহা দেখিয়াছেন।(২) যে বিষয় শোনা যায় সেই সম্পর্কে সাক্ষী উল্লেখ করিবেন যে, তিনি উহা নিজে শুনিয়াছেন।(৩) যে বিষয় কোনো ইন্দ্রিয় দ্বারা বা অন্য কোনোভাবে উপ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:07:48 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[মৃত্যুকালীন ঘোষণা কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/mrittukaleen-ghoshona-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/mrittukaleen-ghoshona-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[মৃত্যুকালীন ঘোষণা (Dying Declaration) বা মৃত্যুকালীন জবানবন্দী বলিতে কোনো ব্যক্তি তাহার আসন্ন মৃত্যুর পূর্বে তাহার মৃত্যুর কারণ বা যে ঘটনার ফলে তাহার মৃত্যু আসন্ন বা কোনো মৃত্যুর সঠিক কারণ সম্পর্কে একটি ঘোষোণা বা বিবৃতি দিয়া যায়, তাহাই মৃত্যুকালীন ঘোষণা। মৃত্যুকালীন ঘোষণাপত্রে মৃত্যু ব্যক্তির স্বাক্ষরিত হইতে হইবে।নিম্নলিখিত কারণে মৃত্যুকালীন ঘোষণা গ্রহণযোগ্য: (সাক্ষ্য আইনের ৩২(১) ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ২৬৬)।(১) প্রাসঙ্গিক বিষয়ে লিখিত বা মৌখিক জবানবন্দী&nbsp; অর্থাৎ মৃত্যুকালীন ঘোষণা প্রদান করিয়াছেন।(২) ঘোষণা প্রদানকারীর মৃত্যু হইলে (সাক্ষ্য আইনের ৩৩ ধারা)(৩) সাক্ষ্য প্রদানকারী ইত:মধ্যে সাক্ষ্য প্রদানে অক্ষম হইয়াছে।(৪) এই ঘোষণা প্রদানকারীর বিবৃতিতে যদি তাহার মৃত্যুর কারণ বর্ণনা থাকে।(৫) এই বিবৃতি লিখিত হইলে যিনি লিখিয়াছেন, তাহাকে আদালতে সাক্ষ্য দিতে হইবে।(৬) এই বিবৃতি মৌখিক হইলে, যাহারা শুনিয়াছেন, তাহারা আদালতে সাক্ষ্য দিবেন।(৭) এই ঘোষণা গৃহ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:06:30 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[এএসআই এর কর্তব্য কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/asi-er-kortobbo-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/asi-er-kortobbo-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[পিআরবি নিয়ম ২০৭ মোতাবেক এসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) এর কর্তব্য সমূহ নিম্নে উল্লেখ করা হইল।(ক) কোনো থানায় একজন এসিস্ট্যান্ট&nbsp; সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) কে নিয়োগ করার উদ্দেশ্য হইলো, তদন্তকারী সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) কে সকল কারণিক ও রুটিন মাফিক কাজ হইতে অব্যাহতি দেওয়া। এই অব্যাহতি নিশ্চিত করার জন্য উর্ধতন অফিসারগণ এই সকল কাজের জন্য এসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) কে সুনির্দিষ্টভাবে দায়ী করিবেন এবং ব্যর্থতার জন্য শাস্তির ব্যবস্থা করিবেন। সাব-ইন্সপেক্টর (এসআই) গণ&nbsp; অবশ্যই সাধারণ তদারকি করিবেন এবং অনুরূপ তদারকির অনুপস্থিতিতে চরম অবহেলা বা ব্যাপক অনিয়ম যদি না থাকে, তবে তাহাকে দায়ী করা যাইবে না।&nbsp;(খ) প্রাথমিক তথ্য বিবরণী (এফআইআর), মামলার ডায়েরী (সিডি), সাধারণ ডায়েরী (জিডি) এবং ভিলেজ ক্রাইম নোটবুক (ভিসিএনবি) ব্যতীত এসিস্ট্যান্ট সাব-ইন্সপেক্টর (এএসআই) সকল বিবরণী (রিটার্ণ) ও রেজিষ্টারের জন্য দায়ী থাকিবেন। তাহারা সংশ্লিষ্ট সময়ে ভার...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:04:07 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[বে-আইনী সমাবেশ কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/be-ainee-somabes-kake-ble" />
            <id>https://biratbazar.com/be-ainee-somabes-kake-ble</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ১৪১ ধারা মোতাবেক পাচ বা তার অধিক সংখ্যক লোক একই সাধারণ লক্ষ্য বা উদ্দেশ্য পূরণে একত্রিত হইয়া রাষ্ট্র বিরোধি বা শান্তিভঙ্গ বা অনিষ্টকর কার্য বা বলপ্রয়োগ করে বা অন্যকোনো বে-আইনী কাজ করে বা করার প্রচেষ্টা করে তাকেই বে-আইনী সমাবেশ বলা হয়। বে-আইনী সমাবেশে যোগদানকারী ব্যক্তিদের বিরূদ্ধে বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ১৪৩ ধারা মোতাবেক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। কোনো সমাবেশ প্রথমে বে-আইনী না থাকিলেও পরে বে-আইনী সমাবেশে পরিনত হইতে পারে।&nbsp;পুলিশ নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করিয়া কোনো বে-আইনী সমাবেশ ছত্রভঙ্গ করিতে পারে:&nbsp;(১) বে-আইনী সমাবেশের সংবাদ থানায় পাওয়ার সাথে সাথে ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা&nbsp; বা থানার ডিউটি অফিসার বিষয়টি ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১৫৪/১৫৫ ধারা, পুলিশ আইনের ৪৪ ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ৩৭৭ মোতাবেক থানার সাধারণ ডায়েরীতে নোট করিয়া প্রয়োজনীয় সংখ্যক অফিসার ও ফোর্স এবং দাঙ্গাদমন সরঞ্জামাদি সহ যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ঘটনাস্থলের উদ্দ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:02:44 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[অপরাধ কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/oproradh-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/oproradh-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[দেশে প্রচলিত আইনের পরিপন্থি যে কোনো কাজই অপরাধ। করণীয় কাজ না করিলে এবং নিষিদ্ধ কাজ করিলে অপরাধ হয়। অর্থাৎ যে সকল আচরণ বা কাজের জন্য আইনে শাস্তির বিধান আছে, তাহা অপরাধ। অপরাধ সব সময়েই সমাজের জন্য ক্ষতিকারক। বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইন, বিশেষ আইন এবং স্থানীয় আইনে শাস্তিযোগ্য কাজই হইল অপরাধ। বাংলাদেশ দন্ডবিধি আইনের ৪০ এবং ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৪(ণ) ধারায় অপরাধের সংজ্ঞা প্রদান করা হইয়াছে।অপরাধ আচরণে মানব মনের ভূমিকা:অপরাধ আচরণে মানব মনের ভূমিকা অপরিসীম। বিভিন্ন অপরাধ বিজ্ঞানী এবং মনোবিজ্ঞানী অপরাধ আচরণে মানব মনের ভুমিকা প্রসঙ্গে নানারূপ মতামত ব্যক্ত করিয়াছেন। বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী সিগমন্ড ফ্রয়েড মনকে তিনটি স্তরে ভাগ করিয়াছেন। যেমন-&nbsp;(১) সচেতন মন&nbsp;(২) অর্ধচেতন মন এবং&nbsp;(৩) অবচেতন মন বা অচেতন মন।মানুষ সমাজবদ্ধ জীব হইলেও সমাজের সবাই কিন্তু অপরাধে জড়াইয়া পরে না। কেউ অপরাধী হইয়া পড়ে আবার কেহ সারাজীবন সৎ থাকিয়া যায়। মানব আচরণ সত্যিই বড় বিচিত্র...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 17:00:36 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[হোয়াইট কলার অপরাধী কারা?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/hoyait-kolar-oporadhi-kara" />
            <id>https://biratbazar.com/hoyait-kolar-oporadhi-kara</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[অপরাধ বিজ্ঞানীদের মতে হোয়াইট কলার অপরাধীরা অর্থনৈতিক অপরাধী হিসাবে গণ্য। পেশা বা ব্যবসার সুবিধার জন্য অথবা ব্যবসায় অবৈধ লাভ করিবার জন্য ব্যবসায়ী ও পেশাজীবিরা অহরহ যে অপরাধ করিয়া থাকে, তাহারাই হোয়াইট কলার অপরাধী। অপরাধ বিজ্ঞানী এডইন হ্যারি সাদারল্যান্ড উচ্চ আর্থ-সামাজিক মর্যাদার এই সকল অপরাধীদেরকে হোয়াইট কলার অপরাধী হিসাবে আখ্যায়িত করিয়াছেন। হোয়াইট কলার অপরাধীরা প্রধানত ফৌজদারী ও দেওয়ানী আইন ভঙ্গসহ বাংলাদেশে প্রচলিত শিল্প আইন, পরিবেশ আইন, ব্যবসা সংক্রান্ত আইন, চুক্তি আইন, গ্রন্থ-স্বত্ব আইন, ট্রেড মার্ক আইন, সিকিউরিটি এক্সচেঞ্জ আইন, বীমা আইন, আমদানী রপ্তানী আইন, শুল্ক আইন, আয়কর আইন ইত্যাদীর পরিপন্থি কাজ করিয়া থাকে। অপরাধ বিজ্ঞানী সাদারল্যান্ড ১৯৪০ সাল হইতে হোয়াইট কলার অপরাধীদের বিশষটি সর্ব প্রথমে জনসম্যকে পরিচিত করেন।অন্যান্য অপরাধীদের সহিত হোয়াইট কলার অপরাধীর পার্থক্য:(১) এই অপরাধটি উচ্চ আর্থ-সামাজিক মর্যাদার লোকদের অপরাধ। নিম্ন আর্থ-সামাজ...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 16:59:31 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[কিশোর অপরাধ কি?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/kisor-oporadh-ki" />
            <id>https://biratbazar.com/kisor-oporadh-ki</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[২০১৩ সালের শিশু আইনের ৪ ধারা মোতাবেক ১৮ বছরের কম বয়স্ক প্রত্যেক ব্যক্তিকে শিশু বুঝানো হইয়াছে। সাধারণত ১৭-১৮ বছর বয়স্ক শিশুদের কিশোর হিসাবে গন্য&nbsp; করা হয়। শিশু আইন অনুযায়ী কিশোররাও শিশু। কিশোর অপরাধী অর্থ এইরূপ কোনো শিশু যাহাকে অপরাধ করিতে দেখা যায়। এই শিশু যে অপরাধ করে থাকে তাহাকে কিশোর অপরাধ বলা হয়। আভিধানিক অর্থে কিশোর অপরাধ বলিতে যে সকল অল্প বয়স্ক শিশু কিশোর-(ক) যাহারা মানসিকভাবে পরিণতি বুঝিতে অক্ষম,(খ) যাহারা অপরিণত বুদ্ধির অধিকারী,(গ) যাহারা সরল মনের অধিকারী&nbsp; অর্থাৎ যাহাদের অপরাধবোধ নাই, তাহারা যেসকল অপরাধ করিয়া থাকে তাহাকেই কিশোর অপরাধ বলা হয়।কিশোর অপরাধের কারণ সমুহ:শিশু কিশোরদের অপরাধ সমূহ অপরাধ আচরণের সাধারণ নিয়ম বা মতবাদ দ্বারা পরিমাপ করা সম্ভব নহে। শহরে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক উন্নয়নের কারণে কিশোর অপরাধের সৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। অপরাধ বিজ্ঞানী ড. পঞ্চালন ঘোষাল কিশোর অপরাধ চিহ্নিত করিতে যে সকল কারণ সমূহ বর্ণনা করিয়াছেন...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 16:57:27 +0000</updated>
        </entry>
            <entry>
            <title><![CDATA[তল্লাশী পরোয়ানা কাকে বলে?]]></title>
            <link rel="alternate" href="https://biratbazar.com/law/tollashi-poroyana-kake-bole" />
            <id>https://biratbazar.com/tollashi-poroyana-kake-bole</id>
            <author>
                <name><![CDATA[MD Sirajul Islam]]></name>
            </author>
            <summary type="html">
                <![CDATA[ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৯৬ ধারা মোতাবেক যখন কোন আদালতের বিশ্বাস করিবার কারণ থাকে যে, যে ব্যক্তির উপর ফৌজদারী কার্যবিধি ৯৪ ধারার অধীন কোন সমন অথবা ফৌজদারী কার্যবিধি ৯৫(১) ধারার অধীন কোন সমন জারি করা হইয়াছে বা হইতে পারে, সেই ব্যক্তি সমনে বর্ণিত দলিল বা বস্তু দাখিল করিবে না।&nbsp;অথবা যখন এইরূপ দলিল বা বস্তু কোন ব্যক্তির দখলে আছে বলিয়া আদালতের জানা নাই।অথবা যখন আদালত মনে করে যে, সাধারণ তল্লাশী বা পরিদর্শন দ্বারা কার্যবিধির অধীন পরিচালিত কোন অনুসন্ধান, বিচার বা অন্য কোন প্রসিডিং এর উদ্দেশ্য সাধিত হইবে, তখন বিজ্ঞ আদালত তল্লাশী পরোয়ানা ইস্যু করেন। &nbsp;তল্লাশী করার পদ্ধতিঃ&nbsp;তল্লাশী করার সময় ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ১০২/১০৩ ধারা এবং পিআরবি নিয়ম ২৮০ মোতাবেক পুলিশ অফিসারকে নিম্নবর্ণিত পদ্ধতি সমুহ পালন করিতে হইবে। &nbsp;(১) তল্লাশী কার্যক্রম পরিচালোনার পূর্বে সংশ্লিষ্ট স্থানের মালিকের বা উহার&nbsp; তত্ত্বাবধায়কের অনুমতি নিতে হইবে।&nbsp;(২) দুই...]]>
            </summary>
                                    <updated>Thu, 09 Jan 2025 11:39:36 +0000</updated>
        </entry>
    </feed>
