" ল্যাটিন 'Contructus' শব্দ হতে উদ্ভূত ইংরেজি 'Contract' শব্দের আভিধানিক অর্থ চুক্তি (to work on contract)। সাধারণ অর্থে, চুক্তি বলতে কোন কিছু করা বা করা হতে বিরত থাকার নিমিত্তে একাধিক পক্ষের পারস্পরিক সম্মতিকে বুঝায়। সুতরাং চুক্তি করতে পারস্পরিক সম্মতি অপরিহার্য। সম্মতি (Agreement) হল কোন বিষয়ে উভয়পক্ষের মিল বা ঐক্যমত। চুক্তি সম্পন্ন করতে হলে সেখানে সম্মতি থাকা বাধ্যতামূলক। সম্মতি ছাড়া চুক্তি হতে পারেনা। চুক্তি আইন, ১৮৭২ এর ২(ঙ) অনুযায়ী "প্রত্যেক অঙ্গীকার এবং প্রত্যেক অঙ্গীকারগুচ্ছ, যাহা একটি অপরটির পণ, তাহাকে সম্মতি বলে।" আবার একই আইনের ধারা-১৩ অনুযায়ী সম্মতির সংজ্ঞা দেয়া হয়েছে, "দুই বা ততোধিক ব্যক্তি কোন এক বিষয়ে এক অর্থে একমত হইলে উহাতে তাহারা সম্মতি দিয়াছেন বলা যায়।" ('CONSENT DEFINED.- Twho or more persons are said to consent when they agree upon the same thing in the same sense.') অর্... " Learn More

চুক্তি আইন (Law of Contract)
Siam Al Mahmud
Siam Al Mahmud Administrator

" 'আইনের উৎস' কথাটি বিভিন্ন অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। আইন সম্পর্কে সঠিক ও সম্যক ধারণা লাভের জন্য এর উৎস সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা থাকা প্রয়োজন। সাধারণ অর্থে উৎস বলতে উৎপত্তিস্থল বুঝায় অর্থাৎ আইনের উৎস বলতে বুঝায় আইন কোথা হতে সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক ক্রমবিকাশের বিভিন্ন গতিপথে আইনের উৎপত্তি, উন্নয়ন ও আইনের ভিত্তির তারতম্যের জন্য আইনবিশারদগণ স্ব স্ব চিন্তা-ভাবনা থেকে আইনের উৎসের বর্ণনায় বিভিন্ন মতবাদ পোষণ করে থাকেন। কেউ সমাজের গতিবিধিকে আইনের উৎস বলে অভিহিত করেন। আবার কারো মতে আইনের উৎস বলতে সার্বভৌম ক্ষমতা বা রাষ্ট্রকে বুঝায়। কেননা এখান থেকেই আইন শক্তি বা বৈধতা লাভ করে। কেউবা সার্বভৌমের ইচ্ছাকে আইনের উৎস হিসেবে বর্ণনা করেন। এসকল উৎসগুলির কতকগুলি বাধ্যতামূলক এবং কতকগুলি বাধ্যতামূলক নয়। আইনের স্বীকৃত এসকলই বাধ্যবাধকতার মানদন্ড বা ভিত্তি হিসেবে অভিহিত হয়। প্রকৃতপক্ষে, আইনের বৈধতা (Validity of law) যাচাই ও বিবেচনা করার উদ্দেশ্যেই আইনের উৎসের প্রতি... " Learn More

আইনবিজ্ঞান (Jurisprudence)

" ব্যকরণের সাথে ভাষার যেমন সম্পর্ক তেমনি আইনের সাথে আইনবিজ্ঞানের সম্পর্ক। ভাষাকে ভালোভাবে শিখতে হলে যেমন ব্যকরণ জানতে হয়, তেমনি আইনকে ভালোভাবে জানতে হলে আইনবিজ্ঞান পাঠ করতে হয়। এজন্য বলা যায়, আইনের বিষয় যেমন বড় আইনবিজ্ঞানের বিষয়বস্তু তেমনই বড়। এজন্য কার্ল লিউলিন বলেছেন, "আইন বিজ্ঞান আইনের মতই বড় এবং একটু বেশীই বড়।" কারণ, আইন হলো সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক গৃহীত ও প্রয়োগকৃত বিধি বিধানসমূহ। আইনের প্রয়োগের ক্ষেত্র শুধুমাত্র কোন রাষ্ট্রের অভ্যন্তরে সীমাবদ্ধ থাকলেও আইনবিজ্ঞানের প্রয়োগক্ষেত্র বিশ্বব্যপী।আইন রাষ্ট্রের মধ্যে নাগরিকদের অধিকার সম্পর্কে আলোচনা করে, কিন্তু আইনবিজ্ঞান রাষ্ট্রের মধ্যে নাগরিকদের অধিকার নিয়ে যেমন আলোচনা করে তেমনি বিশ্বের সকল মানুষের অধিকার নিয়েও আলোচনা করে। তাছাড়া আইনবিজ্ঞান আইন কাঠামো পরিবর্তনের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করে থাকে, কিন্তু আইন কখনও আইন কাঠামো পরিবর্তনের কথা বলে না। নির্দিষ্ট আইন তার নির্দিষ্ট বিষয় স... " Learn More

আইনবিজ্ঞান (Jurisprudence)
Siam Al Mahmud
Siam Al Mahmud Administrator

" আইনের কোনো সর্বজন স্বীকৃত সংজ্ঞা নাই। কেননা, এর পরিধি এবং ক্ষেত্রের ব্যপকতা লক্ষ্য করে কোনো নির্দিষ্ট সংজ্ঞা দ্বারা এর ক্ষেত্র সীমাবদ্ধ করা সম্ভব হয়নি। আইনের প্রয়োজনীয়তা ও কার্যকারিতা সম্পর্কে মোটামুটি সকলেই ঐক্যমত্য পোষণ করেন। সাধারণভাবে কোনো কার্যের বিধিকেই আইন বলা হয়। মানুষ সামাজিক জীব হিসেবে তার বাহ্যিক আচরণের বিধিমালাকে আইনবিজ্ঞানের ভাষায় আইন বলে।প্রখ্যাত আইনবিজ্ঞানী জন অস্টিন (John Austin) সর্বপ্রথম আইনের ব্যাপক অর্থে ব্যবহার করে এর সংজ্ঞা দিয়েছেন। তাঁর মতে, "আইন বলতে এমন এক ধরণের আদেশকে বুঝায় বা রাষ্ট্রীয় সার্বভৌম কর্তৃপক্ষ কর্তৃক জারি করা হয় এবং বলপ্রয়োগ বা শাস্তি প্রদানের দ্বারা কার্যকরভাবে বলবৎ করার ব্যবস্থা করা হয়।" অর্থাৎ "সার্বভৌম কর্তৃপক্ষের আদেশই আইন।" (Law is the command of the sovereign.) সার্বভৌম শক্তির আদেশকেই অস্টিন প্রকৃত আইন বলে অভিহিত করেন এবং আইনের প্রায়োগিক শক্তির প্রতি বিশেষ গুরুত্ব আরোপ করেন।... " Learn More

আইনবিজ্ঞান (Jurisprudence)

" ফৌজদারী কার্যবিধির ৪(১)(ঢ) ধারা মোতাবেক যেসব অপরাধের ক্ষেত্রে  পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে সেসব অপরাধকে অধর্তব্য  অপরাধ বা আমল অযোগ্য অপরাধ বলে। আদালত হতে গ্রেফতারী পরোয়ানা পাওয়া গেলে পুলিশ অধর্তব্য অপরাধের জন্য কোনো ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারে।  তাছাড়াও নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অধর্তব্য অপরাধের জন্য পুলিশ বিনা পরোয়ানায় অপরাধীকে গ্রেফতার করতে পারে। (১) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(২) ধারা অনুযায়ী আইন সংগত কারণ ব্যতীত যার নিকট ঘর ভাঙ্গার যন্ত্রপাতি থাকে।  (২) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৩) ধারা অনুযায়ী সরকার কর্তৃক আদেশ দ্বারা যাকে অপরাধী ঘোষণা করা হয়েছে। (৩) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৫) ধারা অনুযায়ী যে আসামী পুলিশের সরকারী কাজে বাধা প্রদান করে (শাস্তি-দন্ডবিধির-১৮৬ ধারা)।    (৪) ফৌজদারী কার্যবিধি আইনের ৫৪(৪) ধারা অনুযায়ী চোরাই সন্দিগ্ধ মালামাল যার নিকট পাওয়া যায়। (৫) ফৌজদারী... " Learn More

ফৌজদারী কার্যবিধি

" তদন্তকালে পুলিশকে অনেক সময় প্রাথমিক সাক্ষ্য প্রমাণ না থাকা সত্ত্বেও অপরাধের সুরাহার জন্য পারিপার্শ্বিক, পূর্ববর্তী অসৎ চরিত্র, ঘটনার পূর্বাপর আচরণ কিংবা নিছক সন্দেহের ভিত্তিতে কাউকে না কাউকে গ্রেফতার করতে হয়। বিদ্বেষবশত বা পূর্ব শত্রুতাবশত মামলাকারী কখনো কখনো নির্দোষ ব্যক্তিকে আসামী হিসেবে অভিযুক্ত করলেও তাকে গ্রেফতার করা পুলিশের জন্য জরুরী হয়ে দাঁড়ায়। প্রত্যক্ষ সাক্ষীর কথামতো যে কোনো ব্যক্তিই যে অপরাধী হবে, তার নিশ্চয়তা নেই। সাক্ষ্য মনস্তত্ত্ব বলে, মানুষের প্রত্যক্ষণে ভ্রান্তি থাকা স্বাভাবিক ব্যাপার। তাছাড়া তথাকথিত প্রত্যক্ষ ব্যক্তিও উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে মামলায় জড়িত করতে পারে-এ ব্যাপারে তদন্ত জগতে প্রমাণের অভাব নেই।  উপরোক্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে পুলিশ অফিসারকে অত্যন্ত জটিল ও দুরূহ দায়িত্ব পালন করতে হয় বাধ্য হয়ে। দোষীকে অভিযুক্ত করা এবং নির্দোষকে খালাশ করা, দুটোই তদন্তের পরম লক্ষ্য। অভিযুক্তের অপরাধ সংঘটনের সপক্ষে সাক্ষ্য যোগাড় এবং... " Learn More

অপরাধ বিজ্ঞান

" সাক্ষীকে জিজ্ঞাসাবাদের কৌশল নির্ধারণের সময় তাদের মনস্তত্ত্ব ও মানসিক গঠন গভীর বিবেচনায় নেয়া দরকার। এজন্য তদন্তকারীর আধুনিক সাক্ষ্য মনস্তত্ত্ব, অস্বাভাবিক মনস্তত্ত্ব ও সমাজ মনস্তত্ত্ব সম্পর্কে চলনসই জ্ঞান থাকা আবশ্যক। প্রত্যক্ষ সাক্ষীই ফৌজদারী বিচারে সেরা; কিন্তু এটা অনস্বীকার্য যে প্রতিটি মানুষই যা পর্যবেক্ষণ করে তা নির্ভুলভাবে বলতে বা লিখতে পারে না। স্মৃতিশক্তির মান, মানসিক সুস্থতা ও প্রত্যক্ষণের ধরন ইত্যাদির উপর নির্ভর করে কোনো ব্যক্তি কতো নির্ভুলভাবে নিজের স্মৃতিভান্ডার থেকে তার অভিজ্ঞতা অন্যকে বলতে পারবে। প্রত্যক্ষ সাক্ষ্য বলতে বুঝায়-(১) সাক্ষী যা চোখে দেখেছে,(২) সাক্ষী যা কানে শুনেছে,(৩) সাক্ষী যা নাকে গন্ধ পেয়েছে, (৪) সাক্ষী যা ত্বক দ্বারা অনুভব করেছে এবং(৫) সাক্ষী যা জিহ্বা দ্বারা স্বাদ পেয়েছে।  মানুষ পঞ্চইন্দ্রিয় দ্বারা বহিঃজগতের সঙ্গে যোগাযোগ রাখে। ইন্দ্রিয় দ্বারা প্রাপ্ত জ্ঞান মস্তিস্কে সংযোজন-বিয়োজন ও পূর্ব অভিজ্... " Learn More

অপরাধ বিজ্ঞান

" অপরাধ তদন্ত, প্রতিরোধ বা নিবারণে পুলিশকে এমন ব্যক্তিদের গ্রেফতার বা জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন পড়ে যাদের বিরুদ্ধে আপাতত অপরাধে জড়িত থাকার প্রাথমিক কোনো প্রমাণ নেই। এদের অপরাধ সংশ্রবতা সম্পর্কে নিশ্চিত না হয়েই জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন হয়ে পড়ে। বিশেষত যে অপরাধের কোনো প্রত্যক্ষ সাক্ষী নেই, কোনো ক্লু খোঁজে পাওয়া যায়নি, সেখানে পুলিশ অফিসারকে এলাকার কোনো কোনো ব্যক্তিকে সন্দেহভাজন গ্রেফতার করে কিংবা থানায় ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। তাছাড়া নিবৃত্তিমূলক পদক্ষেপ নিতে গিয়েও এরকম ব্যক্তিদের প্রশ্ন করা দরকার পড়ে।  সন্দেহভাজন আসামী কারা? যে সকল ব্যক্তিকে পুলিশ তদন্তের স্বার্থে কিংবা অপরাধ নিবারণের স্বার্থে গ্রেফতার করে অথবা জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় ডেকে আনে অথবা যাদের অপরাধ সংশ্লিষ্টতায় সন্দেহ রয়েছে তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি তারাই সন্দেহভাজন আসামী।  নিম্নবর্ণিত আসামীরা সন্দেহভাজন জিজ্ঞাস্য ব্যক্তিঃ (১) ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৪... " Learn More

অপরাধ বিজ্ঞান

" মামলার বিচারকালে আসামী বিভিন্ন কারণে খালাস পেতে পারে। তম্মধ্যে কিছু কারণ নিম্নে উল্লেখ করা হলো। যথা- (১) ত্রুটিপূর্ণ এজাহার লিপিবদ্ধ করা এবং গ্রহণ করা। (২) ত্রুটিপূর্ণ জব্দ তালিকা প্রস্তুত করা অর্থাৎ পিআরবি ২৮০ প্রবিধান মোতাবেক নির্ধারিত ফরম অনুসারে জব্দ তালিকা প্রস্তুত না করা। (৩) মামলার তদন্ত সঠিকভাবে না করে ত্রুটিপূর্ণ তদন্ত করা। (৪) মামলার জব্দকৃত আলামত যেমন- চোরাই উদ্ধার মালামাল, ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র, মাদকদ্রব্য ইত্যাদি বিচারের সময় আদালতে উপস্থাপন না করা। (৫) এক মামলার আলামত অন্য মামলায় আদালতে উপস্থাপন করা। (৬) আলামত সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করে নষ্ট করে ফেলা। (৭) গুরত্বপূর্ণ সাক্ষী আসামীর দ্বারা প্রভাবিত হওয়া। (৮) পিআরবি ৪৪৪ প্রবিধান অনুসারে তদন্তকারী অফিসার কর্তৃক অভিযোগ পত্র দাখিলের পর কোর্ট অফিসার কর্তৃক মামলার ব্রিফ প্রদান না করা।(৯) তদন্তকারী অফিসার এবং মামলা পরিচালনাকারী অফিসারের আইন সম্পর্কে... " Learn More

ফৌজদারী কার্যবিধি

" ফৌজদারী কার্যবিধির ১৫৬ ধারার বিধান মতে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ম্যাজিষ্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই কোনো আমলযোগ্য অপরাধের তদন্ত নিজে করতে পারেন এবং তার অধীনস্ত সাব-ইন্সপেক্টর পদের নীচে নয় এমন অফিসার দ্বারা তদন্ত করাইতে পারেন। তাছাড়া ফৌজদারী কার্যবিধির ৫৫১ ধারায় বর্ণিত বিধান অনুসারে উর্ধ্বতন অফিসার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার ন্যায় তার এলাকার মধ্যে ওসির সমান ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবেন। ঘটনার বাস্তব তদন্ত বলতে যা বুঝায় তার প্রকৃত ব্যাখ্যা হলো যে, কোনো অপরাধ সম্পর্কে তথ্য উদঘাটন করা এবং প্রকৃত অপরাধীকে খুজে বের করে আইনের হাতে তুলে দেওয়া।  প্রকৃত অপরাধীকে সনাক্ত করা সম্ভবপর নয় এমন নয় এবং কোনো ক্রমেই যেনো কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি আইনে সাজা না পায়। আরও বলা যায় যে, আইনের দৃষ্টিতে কোনো অপরাধী বিচারে যদি খালাস পায় তাহলে সমাজে ইহার প্রতিক্রিয়া থাকলেও কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি সাজা পাইলে সেক্ষেত্রে আইনের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা অনেক ক্ষেত্রে হ্রাস পায়। ইহা... " Learn More

ফৌজদারী কার্যবিধি

Dotted Shape Dotted Shape
রোড এক্সিডেন্ট হলে কি করবেন?
কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয়
জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা
রোড এক্সিডেন্ট হলে কি করবেন? রোড এক্সিডেন্ট হলে কি করবেন?

রোড এক্সিডেন্ট হলে কি করবেন?

প্রায় সময় বিভিন্ন স্থানে যানবাহন দ্বারা রোড এক্সিডেন্ট এর ঘটনা ঘটে থাকে। এইসব ঘটনায় অনেক অসাধু ব্যক্তি যাত্রীদের টাকা পয়সা জিনিস পত্র লুটপাট করার কাজে...

Read More
কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয় কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয়

কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয়

কাদেরকে কিশোর অপরাধী বলা হয় ?২০১৩ সালের শিশু আইনের ৪ ধারা মোতাবেক ১৮ বছরের কম বয়স্ক সকল ব্যক্তি শিশু হিসাবে গন্য হয়। এই সকল শিশু যেসব অপরাধ করে তাকে ক...

Read More
জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা

জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা

জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদন এর নমুনা নিম্নরূপবরাবর, অফিসার ইনচার্জ লালমনিরহাট থানা, লালমনিরহাট।বিষয়:- জিডি (সাধারণ ডায়রী) করার আবেদ...

Read More